গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা
একতা প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে।
গত ২৩ জানুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইশতেহারটি পাঠ করেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা, বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য, রাকসুর সাবেক ভিপি রাগিব আহসান মুন্না, বাংলদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ডাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. মুশতাক হোসেন, বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, সমাজতান্ত্রিক পার্টির নেতা রুবেল সিকদার, জাতীয় গণফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুন নুজহাত মনিষা, সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন অর রশীদ।
সংবাদ সম্মেললনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিপিবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, সাবেক সাধারণ রুহিন হোসেন প্রিন্স, প্রেসিডিয়াম সদস্য পরেশ কর, বাসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের নজরুল ইসলাম, ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. হারুন অর রশীদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির শহীদু ইসলাম সবুজ।
এছাড়াও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট মনোনীত ঢাকার বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, নির্বাচন কমিশন ও সরকার এখনো সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেনি। ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারেও দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি নাই। ইতিমধ্যে বিভিন্ন বড় দলের সবল প্রার্থীরা প্রকাশ্যে আচরণবিধি লংঘন করে চলছে। স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক দল নির্বাচনে ধর্মের ব্যবহার করে বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করছে, যা আচরণবিধির চরম লংঘন।
তিনি বলেন, খোদ প্রধান উপদেষ্টা যখন তার বক্তব্যে “একটি দলের কয়েকজন পাশ করবে এবং তাদের দুই একজন মন্ত্রীও হবেন” এমন কথা বলেন তথা আগাম ভোটের ফলাফল বলে দেন এবং তাঁর প্রেস সচিব যখন বলেন, “এবার ভোট গননায় সময় বেশি লাগবে” তখন সুষ্ঠু ভোট নিয়ে জনমনে সন্দেহ অবিশ্বাস জন্ম নিতে বাধ্য।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার গণভোটে হা প্রচার করতে যত মনযোগি নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরী তথা মানুষের ভীতি দূর করতে কার্যকর ব্যবস্হা গ্রহণে ততোটাই অমনযোগি।
নেতৃবৃন্দ আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মানুষের ভয় দূর করা, আচরণবিধি লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা গ্রহণসহ নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরী করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। একই সাথে আসন্ন নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে “জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলা” এবং গণআন্দোলনের শক্তিকে বিকশিত করার জন্য দেশের ভোটার জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রথম পাতা
খেটে খাওয়া মানুষের জন্য কোনো সংস্কার হয়নি
ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচংয়ে আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন
মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুড়ি ও মদনে জলি তালুকদার
কাস্তেটা শান দাও বন্ধু
ময়মনসিংহ সদরে এমদাদুল হক মিল্লাত
পুরাতন ব্যবস্থা উচ্ছেদ করে বামপন্থি ও গণতান্ত্রিক শক্তির সরকার করতে হবে
পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈলে প্রভাত সমীর
সাম্য, সামাজিক ন্যায় বিচার ও গণতন্ত্রের সংগ্রামকে এগিয়ে নিন
‘নিশ্চয়তা’
মনোহরদী-বেলাবতে সাজ্জাদ জহির চন্দন
ফরিদপুর সদরে রফিকুজ্জামান লায়েক
গাইবান্ধা সদরে মিহির ঘোষ
এ কেমন নিরপেক্ষতা?
দাকোপ-বটিয়াঘাটায় কিশোর কুমার রায়
Login to comment..








প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন