কমিউনিস্ট পার্টি ও নারী আন্দোলন
রেখা চৌধুরী

এই উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্দোলন, সংগ্রাম ও অভ্যুত্থানে নারী সমাজের রয়েছে এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। এ অঞ্চলের রাজনীতির বলিষ্ঠ উপাদানই হচ্ছে প্রগতিশীল তথা কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতি। এই রাজনীতির মূল ধারার সাথে নারী সমাজ অতপ্রোতভাবে জড়িত শুরু থেকেই। তাই জাতীয় মুক্তি আন্দোলন ও নারীমুক্তি আন্দোলন দুটোই পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে চলে আসছে।
দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগের বহু আগে থেকেই অবিভক্ত বাংলাদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলন শুরু হয়, মূলত বিশের দশক থেকেই। ১৯২৫ সালে যখন প্রথম র্সর্বভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয় তারও..
বিস্তারিত
মনোরমা বসু লাল সালাম
তুহিন কান্তি ধর

দেশপ্রেম, সমাজসেবা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার কারণে দলমত-নির্বিশেষে সকলের কাছে কমরেড মনোরমা বসু, ‘মাসিমা’ হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি ছিলেন সাম্যবাদের মন্ত্রে দীক্ষিত এবং যে-কোনো অন্যায় অত্যাচার ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সোচ্চারকণ্ঠ। দেশপ্রেমী সমাজসেবক এবং স্বদেশি আন্দোলন ও সাম্যবাদী আন্দোলনের লড়াকু নেতা মনোরমা বসু মাসিমা নারীমুক্তির আন্দোলনকে তাঁর শ্রম-মেধা-প্রজ্ঞা ও সময় দিয়ে বেগবান করে তোলেন। তাঁর নেতৃত্বেই বরিশালে ‘মহিলা আত্মরক্ষা সমিতি’ গড়ে উঠে এবং তিনি এ সংগঠনটির সম্পাদক হন। এ সংগঠনের মাধ্যমে তিনি ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে মহিলাদের নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন।..
বিস্তারিত
মাতঙ্গিনী হাজরা
আশিষকুমার মুখ্পোধ্যায়

আমার যে সব দিতে হবে সে তো আমি জানি-
আমার যত বিত্ত প্রভু, আমার যত বাণী, সব দিতে হবে।
ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণকারী নারীদের মধ্যে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, শান্তি ঘোষ, সুনীতি চৌধুরী, কল্পনা দত্ত, বীণা দাশ ও উজ্জ্বলা মজুমদার প্রভৃতির নাম যেমন অমর হয়ে আছে, তেমনি সন্ত্রাসবাদ পরিহার করেও যেসব বীরাঙ্গনারা জ্বলন্ত দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের দৃষ্টান্তে দেশবাসীদের উদ্বুদ্ধ করে গেছেন মাতঙ্গিনী হাজরা ছিলেন তাঁদেরই অন্যতম। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও ভারতের নারীদের মুকুটমণি স্বরূপা- ‘ঞযব ঔড়ধহ ড়ভ অৎপ ড়ভ ওহফরধ’..
বিস্তারিত