পীর-ফকির-বাউলদের ওপর হামলায় পুলিশকে সন্ত্রাসের পক্ষে ব্যবহার করছে সরকার

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : দেশব্যাপী পীর-ফকির, বাউল, মাজারপন্থি-আউলিয়াদের ওপর অব্যাহত হামলা, গ্রেফতার, নির্যাতনের ঘটনায় সরকারকে অভিযুক্ত করে সিপিবি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ‘মানিকগঞ্জে আজকের ঘটনায় দেখা গেছে সন্ত্রাসীদের সাথে যৌথভাবে পুলিশ সদস্যরাও সহিংসতায় নিয়োজিত ছিল। সরকার পুলিশকে সন্ত্রাসের পক্ষে ব্যবহার করছে।’ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন গত ২৫ নভেম্বর মানিকগঞ্জে বাউলদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে একথা বলেন। তারা বলেন, ‘ক্ষমতাসীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে অঙ্গীকার করেছিলেন তার সরকার পরিচালনার লক্ষ্য হবে অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা। কিন্ত বাস্তবতা হলো তিনি কেবল সেই অঙ্গীকার বিস্মৃত হননি, তার সরকার উগ্র ডানপন্থি শক্তিকে বিভিন্নভাবে মদদ যুগিয়ে দেশকে নতুন করে এক বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’ নিপীড়িত বাউল-ফকিরদের পাশে বিবেকবান দেশবাসীকে দ্ব্যর্থহীন ও সোচ্চারভাবে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ‘রাজনৈতিক স্বার্থান্ধ উগ্র ডানপন্থি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাউল-ফকির, পীর-ফকির, ধর্মীয় ও জাতিগতভাবে নির্যাতিত মানুষসহ নিপীড়িত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং অর্থনৈতিকভাবে শোষিত কৃষক-শ্রমিক-সাধারণ ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের প্রতিরোধী রাজনৈতিক ফ্রন্ট গড়ে তোলা জরুরি।’
প্রথম পাতা
বন্দর ইজারার সিদ্ধান্ত না পাল্টালে ৪ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে বিক্ষোভ
সংশোধনী
আরপিও’র অগণতান্ত্রিক সংশোধনী এবং নির্বাচনী ব্যয় বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল কর
পোল্যান্ডের কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে নিবর্তনমূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে যৌথ বিবৃতি
লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে চা-শ্রমিকদের অধিকার আদায় করে নিতে হবে
‘মেহেরবানি’
দেশের সংকট-নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান
শোষণ-বৈষম্যবিরোধী গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান
‘রাষ্ট্রের চরিত্র বদল না হওয়ায় শ্রমিক হত্যাকাণ্ডের বিচার হচ্ছে না’
অগ্নিকাণ্ডের কারণ উদঘাটন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করুন

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..