ডিএনএ

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : সম্প্রতি নেত্রকোনা জেলার ১১ বছরের একটি শিশু ধর্ষণের শিকার হওয়া ও তার সন্তান জন্মদানের বিষয়টি নিয়ে খুব আলোচনা হচ্ছে। হওয়ারই কথা। সেই মামলায় ১১ বছরের শিশু ও তার সদ্যজাত সন্তান এবং অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর হুজুরের ডিএনএ প্রোফাইল পরীক্ষার প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, ১১ বছরেই সন্তানের জন্ম দেওয়া শিশুটির সদ্যজাত কন্যাশিশুটির জৈবিক বাবা তিনিই। চোরের মার বড় গলা অথচ এই আমানুল্লাহ মাহমুদী সাগর শিশু ধর্ষণের অভিযোগ উঠার পর লাইভে এসে বলেছিলেন তিনি এর সঙ্গে যুক্ত নন। তিনি এই অভিযোগ করেছিলেন যে, তার বিরোধী পক্ষ তাকে হয়রানি করার জন্য এই মিথ্যা অভিযোগ করেছে। তিনি যে সত্য বলছেন, তার জন্য তিনি নিজের ডিএনএ পরীক্ষার কথা বলেছিলেন। তার এই দাবির সূত্র ধরে তখন অনেক যোগালিও দাঁড়িয়ে তারা হইজই-রইরই করে উঠল। এখন অবশ্য তারা নিরব। তবে থেমে যাননি সাগর হুজুর। তিনি হাজির করেছেন নতুন তত্ব। ‘ডিএনএ পরীক্ষাাই ঠিক না।’ আসলে এদের ডিএনএ-তেই মিথ্যা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। এখন বরং ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা দরকার, এরা এখনও মানুষ আছে কিনা?

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..