রাজনীতি

ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও রাষ্ট্রের শ্রেণি চরিত্রের পরিবর্তন হয়নি

মোহাম্মদ শাহ আলম

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
জুলাই আন্দোলন থেকে দেশ অতিক্রান্ত করছে তিনটি পর্যায়। প্রথম পর্যায়ে- ৫ আগস্ট ২০২৪ শেখ হাসিনার দেশত্যাগ; হাসিনার গণবিরোধী ও গণতন্ত্রবিরোধী কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিদায়। দ্বিতীয় পর্যায়ে- ৮ আগস্ট ২০২৪ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন; অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যাত্রা শুরু। তৃতীয় পর্যায়ে- ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জাতীয় সংসদ নির্বাচন; বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন। শপথ নিয়ে বিরোধী দলের বিতর্কিত ভূমিকা। পরে ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপির মন্ত্রিপরিষদ গঠন। বহুদিন পর প্রকৃত অর্থে একটি নির্বাচিত সরকারের চলার শুরু। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যে স্বৈরাচারবিরোধী গণতন্ত্রের উপাদান ছিল প্রধান। নানা মত-পথের ডান-বামের শক্তি এই আন্দোলনে শামিল হলেও আন্দোলনের উৎরারহম ঋড়ৎপব ছিল সাম্রাজ্যবাদের অনুসারী ও সাম্প্রদায়িক প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি। আন্দোলনের ফলে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কারের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, স্বৈরাচারের পতন হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয় কিন্তু রাষ্ট্রের শ্রেণি চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয় না। তাই এটা বিপ্লবও নয়, দ্বিতীয় স্বাধীনতাও নয়, হয়েছে গণঅভ্যুত্থান। ২০০৭-২০০৮ সালে এক-এগারো এসেছিল বুর্জোয়া রাজনীতির দেউলিয়াত্ব ও বিএনপি-আওয়ামী লীগের লুটেরা সাংঘর্ষিক রাজনীতির কারণে, সামরিক-বেসামরিক আমলাদের মদদে। চব্বিশও এসেছে একই কারণে, কিন্তু ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে। তাই এ দেশের গণতন্ত্রের সংকট লুটেরা পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের সংকট, জনগণের সংকট নয়। জনগণ এই সংকট সৃষ্টি করেনি। লুটেরা শাসকশ্রেণির এই মহাসংকটকালে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চব্বিশের আগস্টে ক্ষমতায় বসানো হয়। ৫ আগস্ট পর্যন্ত গণতন্ত্র ও গণবিরোধী শক্তি ছিল হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসন। ৫ আগস্টের পর গণতন্ত্র ও গণবিরোধী শক্তি কারা? সাম্প্রদায়িক প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি ও সাম্রাজ্যবাদের অনুসারীরা। যা, ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জনগণ প্রত্যক্ষ করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে একক ক্ষমতাকেন্দ্র মানুষ প্রত্যক্ষ করেনি। বহু কেন্দ্র থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার হচ্ছিলো। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, জামায়াত, বিএনপি, এনসিপি সমান্তরালভাবে ক্ষমতাকে ব্যবহার করেছে। এদেরকে সমীহ করে চলতে হয়েছে প্রশাসন ও মানুষকে। দেশে চলছিল নৈরাজ্য ও মব সন্ত্রাস। মাজার, মন্দির, মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য, ৩২ নম্বর ভাঙা, নারী নির্যাতন, সাংস্কৃতিক সংগঠন, পত্রিকা অফিসে হামলা স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বললে স্বৈরাচারের দোসর ও ভারতের দালালের প্রচার তুঙ্গে ওঠে, যা এখনো অব্যাহত আছে। একটি মৌলবাদী, নৈরাজ্যবাদী, প্রেসার গ্রুপের তৎপরতা দেখে মানুষ, যা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। এই সুযোগে ড. ইউনূস সরকার ক্ষমতায় থাকা ও ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার কৌশল গ্রহণ করে। জামায়াতের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে, এনসিপি গঠন করে। জামায়াতসহ উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী দেশে খেলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য ৭২’র সংবিধান বাতিল, পুনর্লিখন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি তুলে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করে। কিছু বালখিল্য তথাকথিত বাম নামধারী শক্তিও এদের সাথে সুর মিলায়। তাদের এই মব ও রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী ও বিএনপি অবস্থান নেয়। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিও ২০২৫ সালের ৩ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ থেকে আওয়াজ তোলে- ‘অতিসত্বর দরকার, নির্বাচিত সরকার’। অবশেষে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠন করে তার কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর ক্ষমতার একক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়যুক্ত হলেও, ক্ষমতাকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সংহত করতে পারছে না। বিশেষ করে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে যে বাণিজ্য চুক্তি অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টার নেতৃত্বে হয়েছে, তা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌম অধিকার নস্যাৎ করেছে। এই নিরাপত্তা উপদেষ্টা এখন বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এই ‘এগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড’ একটি শুধু বাণিজ্য চুক্তি নয়, এটা আমেরিকার সাথে রণনীতিগত চুক্তি, দাসত্বের চুক্তি। কারণ, চীন, রাশিয়া এবং কোনো দেশের সাথে বাণিজ্য চুক্তিসহ দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক করতে গেলে আমেরিকার অনুমতি নিতে হবে– এই শর্ত চুক্তিতে রয়েছে। এই দেশবিরোধী চুক্তি নিয়ে বিএনপি তাদের অবস্থান ও বক্তব্য এখনো জনগণের সামনে পরিষ্কার করছে না। উপরন্তু চুক্তির কিছু কিছু অংশ সরকার বাস্তবায়িত করতে শুরু করেছে। মানুষ মনে করছে জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় আসলেও দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে পারছে না, সাম্রাজ্যবাদের সাথে আপস করে তাকে টিকে থাকতে হচ্ছে। ফলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ মাঠে মারা গেছে। অপরদিকে ভারত, চীন ও আমেরিকা এই তিন শক্তির প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছে বর্তমানে বাংলাদেশ। সরকারের পাঁচ মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। খুন-রাহাজানি চলছে। দুর্নীতি কমেনি, সড়কে মৃত্যুর মিছিল, হামে শিশু মৃত্যু অব্যাহত আছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। মুদ্রাস্ফীতি ৯% এর ওপরে, দ্রব্যমূল্য আকাশচুম্বী, গ্যাসের সংকটে কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ঘরে ঘরে চুলা জ্বলছে না, যানবাহন অচল হয়ে পড়েছে, শ্রমবাজারে চাকরি নেই, বেকার সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি, বিদেশের শ্রমবাজার স্থিতিশীল নয়– এই হলো অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে মব সন্ত্রাসীদের এখনো আইনের আওতায় আনা হয়নি। উপরন্তু সংসদে দায়মুক্তির অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে। এখনো তারা দাপটের সঙ্গে চষে বেড়াচ্ছে। আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া ডিপ স্টেট ও কিচেন কেবিনেটের যে বক্তব্য দিয়েছিলো, সরকারের তা তদন্ত করা দরকার। দীর্ঘ সময় ধরে সংসদ চলেছে, বাজেটও পাস হয়েছে। বাজেটে বিলগ্নিকরণের দৃষ্টিভঙ্গি দর্শনই প্রধান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩ অধ্যাদেশ নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। কিছু ইতিবাচক অধ্যাদেশ বিএনপি সরকার বাতিল করেছে, যা রাষ্ট্রের গণতন্ত্রায়নের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করবে। বিএনপি তার ৩১ দফা দাবির ওয়াদায় থাকতে পারছে না। সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বিচার বিভাগের সর্বপর্যায়ে বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীন সচিবালয়, যা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গঠিত হয়েছিল তা বিএনপি সরকার বাতিল করেছে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে এর বাজেটসহ গৃহীত কার্যক্রম আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে ন্যস্ত করেছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুনরায় আমলাতন্ত্রের হাতে আবদ্ধ হয়েছে। মানবাধিকার কমিশন, দুদক, গুম কমিশন, স্থানীয় সরকারে এমপি ও আমলাদের নিয়ন্ত্রণ বহাল রেখেছে। স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন করে ক্ষমতাকে তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া, নিচ থেকে রাজনৈতিক কর্মী ও নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং গণতন্ত্রকে ঝঁংঃধরহধনষব করার জন্য জরুরি। বিএনপি বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, মানবাধিকার কমিশনের ক্ষমতাকে সংকুচিত করা, গুম কমিশনের অধ্যাদেশ পাস না করা এবং স্থানীয় সরকারকে এমপি ও আমলানির্ভর করার পদক্ষেপ সুশাসন ও আইনের শাসনের পরিপন্থি, যা সরকার, রাষ্ট্র ও প্রশাসনকে অতীতের মতো স্বৈরাচারী করে তুলবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অতীতের ন্যায় নির্বাহী বিভাগকে করবে ক্ষমতাধর। রাষ্ট্রীয় কলকারখানা ও সম্পত্তি ব্যক্তি মালিকানায় দেওয়ার সিদ্ধান্তও বর্তমান সরকার নিয়েছে, যা দেশ ও জাতির স্বার্থের পরিপন্থি। এই ক্ষেত্রে অতীতের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। এতে রাষ্ট্রের কল্যাণ হয়নি, কল্যাণ হয়েছে লুটেরা গোষ্ঠীর। অতীত সরকারগুলোর মুক্তবাজার অর্থনীতির পথ ধরেই বর্তমান সরকার চলছে। তাই এটা পরিষ্কার, রাষ্ট্রের ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও, রাষ্ট্রের শ্রেণি চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয়নি। নির্বাচন হয়েছে, সরকার ও সংসদ গঠিত হয়েছে, কিন্তু গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার সংকট এখনো কাটেনি। বর্তমানে পার্লামেন্টে যে শক্তিগুলো আছে তারা প্রকৃত গণতান্ত্রিক শক্তি নয়। সংসদে যারা গিয়েছে তারা সবাই মুক্তবাজারপন্থি দল। মুক্তবাজার প্রশ্নে- সাম্রাজ্যবাদ প্রশ্নে তাদের মধ্যে কোনো নীতিগত বিরোধ নেই। আর সংসদের বিরোধী দল ধর্মান্ধ-সাম্প্রদায়িক-মধ্যযুগীয় ধ্যান-ধারণায় বিশ্বাসী দল। ভাবাদর্শিকভাবে স্বাধীনতাবিরোধী দল। আর্থ-সামাজিক নীতি ও রাষ্ট্রের শ্রেণি স্বার্থের বিরোধিতা করে, এমন কোনো বিরোধী দলও সদস্য সংসদে নেই। নীতিগত বিরোধী দল আছে সংসদের বাইরে। গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল, মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে আপসহীন শক্তি আছে সংসদের বাইরে। তারা বর্তমানে দুর্বল, বিচ্ছিন্ন, বিক্ষিপ্ত। ধন ও শ্রেণিবৈষম্য দূর করে দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক মুক্তি, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারে বাম গণতান্ত্রিক মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে আপসহীন শক্তির সুদৃঢ় ঐক্য, যা আজ খুবই প্রয়োজন ও জরুরি। এইরকম শক্তি গড়ে ওঠা ও গড়ে তুলতে না পারলে শাসকশ্রেণির দলগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্বের ফলে এই শূন্যতা পূরণ করবে ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক, প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি ও দল। একে প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজন মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল গণআন্দোলন গড়ে তোলা, তার সাথে মানুষের শ্রেণিপেশার আন্দোলনকে সমন্বিত করা। অর্থাৎ জাতীয় কর্তব্য ও শ্রেণি কর্তব্যের দ্বান্দিক সমন্বয় করা। সমাজের শ্রেণি ভারসাম্য বদলিয়ে দেয়ার জন্য এই কৌশল বর্তমান সময়ের জন্য খুবই প্রাসঙ্গিক। এটা সমাজের সর্বস্তরে বাম প্রগতিশীলদের বিকল্প ক্ষমতা কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন। লেখক : সাবেক সভাপতি, সিপিবি, কেন্দ্রীয় কমিটি
বিশেষ রচনা
একতার অবিচল পথচলা শেষ হয় না
চব্বিশের কাঠগড়ায় বুর্জোয়া রাজনীতি এবং শ্রমিক শ্রেণির শিক্ষা
সকল বাধা মোকাবিলা করে একতা এগিয়ে যাবেই
একতার লড়াই চলছে, চলবে
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি কি ঔপনিবেশিক অর্থনীতির নতুন রূপ?
বাংলাদেশে নয়া উদারবাদ উৎপত্তি-বিকাশ ও সংকট
কমিউনিস্ট দৈনিক ‘স্বাধীনতা’
ইতিহাস কাউকেই ছাড় দেয় না
যুদ্ধ ও করণীয়
সংবাদপত্র ও রাজনীতি
গণমাধ্যমের গলায় দড়ি
পার্টি ও গণসংগঠনের মিথস্ক্রিয়া
শাসকদের ‘উন্নয়ন’ থেকে জনগণের অভ্যুত্থান এবং তারপর
একতার জন্য প্রত্যয়
সত্যেনদার দ্যুতি ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে
একতা পড়ো, শ্রমিক শ্রেণির একতা গড়ো, শোষণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করো
অধিকারের সংগ্রামে অদম্য ‘একতা’
কমিউনিস্ট পার্টি ও কার্ল মার্কসের প্রাসঙ্গিকতা

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..