সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের মানববন্ধন সিলেট সংবাদদাতা :
সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়ন, সিলেট জেলা। গত ২৬ জুন মানববন্ধন কর্মসূচির সভাপতিত্ব করে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আনিস খান ও সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাশরুখ জলিল।
বিআরটিএ কর্তৃক ব্যাটারিচালিত যানবাহনের লাইসেন্স ও ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা ব্যাটারিচালিত যানবাহন চলাচলে অংশীজনের অংশগ্রহণে যৌক্তিক নীতিমালা প্রণয়ন করা এবং শ্রমিকের ওপর সব জুলুম, নির্যাতন, হয়রানিসহ বাহন আটক ও ব্যাটারি জব্দ বন্ধ করার দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন সুমন, উপদেষ্টা মোহাম্মদ বুরহান উদ্দিন, রিকশা শ্রমিক নেতা নজির আহমেদ, শ্রমিক নেতা তাহের মিয়া। কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন চা-শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সমন্বয়ক মনীষা ওয়াহিদ।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ব্যাটারি চালিত যাহবাহনের লাইসেন্স বিআরটিএ থেকে প্রদান করতে হবে। ব্যাটারিচালিত যানবাহন এদেশের মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় অর্ধকোটি শ্রমিকের এই খাত হতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্বের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। তাই বিআরটিএ কর্তৃক লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে এবং অংশীজনের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে শ্রমিকের জীবিকার সংকট নিরসন করতে হবে।
এসময় সংগঠনের উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন সুমন উল্লেখ করেন, পুলিশের পরিচয়ে গত দুই সপ্তাহ যাবৎ সিলেটে অটোরিকশার ব্যাটারি খুলে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, দেওয়া হচ্ছে না কোন ধরনের রিসিট বা ডকুমেন্টস। কোন ধরনের ডকুমেন্ট ছাড়া পুলিশের ব্যাটারি নিয়ে যাওয়াতে শ্রমিক ও মালিকদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও পুলিশের পাশাপাশি অনান্য অপরাধী চক্রগুলোরও এই কাজে লিপ্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। অবৈধভাবে জব্দকৃত কিছু কিছু ব্যাটারি দোকানে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে এমন খবরও শোনা যাচ্ছে।
মানববন্ধনের সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি আনিস খান বলেন, প্রশাসন অতি দ্রুত ৩ দফা দাবি মেনে নিবে এবং সিলেটের প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিকের জীবিকার সংকট নিরসনে ইতিবাচকভাবে উদ্যোগী হবে।