সিপিবির পথ পরিক্রমণের তথ্য-কণিকা

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা ডেস্ক : [সাপ্তাহিক একতার ৮ মার্চের ৩২নং সংখ্যা থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রথম খণ্ডের শিরোনাম ছিল ‘দুরন্ত পুনরুত্থানের অপেক্ষায় জনগণ’। ১৫ মার্চ দ্বিতীয় খণ্ড (১৯৪৭ থেকে ১৯৬৮), ২৯ মার্চ তৃতীয় খণ্ডের (১৯৭৩ থেকে ১৯৮৭) পর এবার প্রকাশিত হল চতুর্থ খণ্ড। যার সময়কাল ১৯৯১ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত] (৪) পঞ্চম কংগ্রেস-বিলোপবাদ-বিশেষ সম্মেলন ১৯৯১ সালের ৩-৮ অক্টোবর পার্টির পঞ্চম কংগ্রেসে ৭৭ জনের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কংগ্রেসে পার্টির অভ্যন্তরে ‘বিলোপবাদী’ শক্তি সংহত হয়ে পার্টিকে রূপান্তর করার প্রস্তাব সামনে এনে কাজ শুরু করে। তাদের রাজনৈতিক ভাবনায় কমিউনিস্ট-বাম শক্তির স্বাধীন অবস্থানের কোনো মূল্য না থাকায় তারা কংগ্রেসে ডবল সংখ্যক সদস্যের বিশাল কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করলেও নিষ্ক্রিয়তা দ্বারা পার্টিকে নিরব মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাওয়ার পথ নেয়। এমতাবস্থায় ‘রূপান্তরিত পার্টির’ প্রস্তাবনা নিয়ে পার্টির বিশেষ জাতীয় সম্মেলন আহ্বান করে। পার্টির নেতৃত্বের সংখ্যার দিক থেকে সংখ্যাগরিষ্ট হলেও সদস্যদের মধ্যে মার্কসবাদের অনুসারীরা ছিল সংখ্যায় অনেক বেশি। মার্কসবাদের অনুসারীরা ‘রূপান্তরের দলিলের’ বিরুদ্ধে বিকল্প দলিল হাজির করে। এই দলিল নিয়ে জেলায় জেলায় অনুষ্ঠিত বিতর্ক সভাগুলোতে তাদের কোণঠাসা ও বিচ্ছিন্ন অবস্থা টের পেয়ে একই ভেন্যুতে একসাথে বিশেষ জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠানে আপত্তি জানায়। এমতাবস্থায় ঢাকা জেলা ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে বিশেষ জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে ৪৭ জনকে নিয়ে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়। [৫ম কংগ্রেসে সাইফউদ্দিন মানিককে সভাপতি ও নুরুল ইসলাম নাহিদকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির তালিকা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।] বিশেষ জাতীয় সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যবৃন্দ ১। সহিদুল্লাহ চৌধুরী- সভাপতি ২। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম- সাধারণ সম্পাদক ৩। মোর্শেদ আলী- সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৪। আহসানউল্লাহ চৌধুরী- সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৫। মো. নুরুল ইসলাম- সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৬। মনজুরুল আহসান খান- সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৭। জসিমউদ্দিন মণ্ডল- সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৮। সুনীল রায়- সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৯। এম এম আকাশ- সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সদস্য : ১০। হেনা দাস ১১। প্রসাদ রায় ১২। শেখ মুনীরুজ্জামান ১৩। দিবালোক সিংহ ১৪। মো. শাহ আলম ১৫। রথীন চক্রবর্তী ১৬। সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ ১৭। তপন দত্ত ১৮। আজহারুল ইসলাম আরজু ১৯। আব্দুল কাদের ২০। মনসুরুল আলম ২১। সৈয়দ মেরাজুল হোসেন ২২। আবদুল মালেক ২৩। রাশেদা সুলতানা ২৪। শামছুজ্জামান সেলিম ২৫। আলতাফ হোসেন ২৬। অ্যাড. আবদুর রাজ্জাক ২৭। মো. এনামুল হক ২৮। খান জামাল হায়দার ২৯। মো. নুরুন্নবী ৩০। বদিউজ্জামান ৩১। অ্যাড. নুরুল ইসলাম দুলাল ৩২। অ্যাড. ফিরোজ আহমেদ ৩৩। জহর লাল চক্রবর্তী ৩৪। আব্দুল হালিম ৩৫। রবীন্দ্র চক্রবর্তী ৩৬। সৈয়দ আহমেদ বাকের ৩৭। মোল্লা হাবিবুর রাসুল মামুন ৩৮। আবুল কালাম ৩৯। অ্যাড. জেয়াদ আল মালুম ৪০। মোজাম্মেল হোসেন ৪১। প্রভাংশু চৌধুরী ৪২। হীরেন্দ্র দত্ত ৪৩। বিপ্লব চাকী ৪৪। আব্দুল মন্নান ৪৫। খগেশ কিরণ তালুকদার ৪৬। অ্যাড. নাজমুল আহসান মিজান ৪৭। তৈয়বুর রহমান আরও তিনজনকে পরে কো-অপ্ট করা হয়। ১৯৯৫ সালের ৭-৮ এপ্রিল পার্টির ষষ্ঠ কংগ্রেসে নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটি ষষ্ঠ কংগ্রেসে ৪৭ জনের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। ৩৭ জনকে তখন নির্বাচিত করা হয়। ১৯৯৭ সালে প্রসাদ রায় মারা যান। দুইজন পদত্যাগ করেন। একজনের সদস্যপদ বাতিল করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটিতে ১১ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সপ্তম কংগ্রেসের সময় সদস্য সংখ্যা ছিল ৪৪। ষষ্ঠ কংগ্রেসে ৮ জনের সভাপতিমণ্ডলী করা হয়। ১৯৯৭ সালে দুইজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যবৃন্দ ১। সহিদুল্লাহ চৌধুরী- সভাপতি ২। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম- সাধারণ সম্পাদক ৩। মোর্শেদ আলী- সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৪। জসিমউদ্দিন মণ্ডল-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৫। সুনীল রায়-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৬। শেখ মুনীরুজ্জামান-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৭। মো. শাহ আলম-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৮। সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সদস্য ৯। হেনা দাস ১০। এম এম আকাশ ১১। মনজুরুল আহসান খান ১২। আহসানউল্লাহ চৌধুরী (পদত্যাগ করেন) ১৩। ছয়ের উদ্দিন আহমেদ ১৪। প্রসাদ রায় (মৃত্যুবরণ করেন) ১৫। দিবালোক সিংহ ১৬। শামছুজ্জামান সেলিম ১৭। আজহারুল ইসলাম আরজু ১৮। সৈয়দ মেরাজুল হোসেন ১৯। আলতাফ হোসাইন ২০। মো. এনামুল হক ২১। বদিউজ্জামান ২২। বিপ্লব চাকী ২৩। অ্যাড. ফিরোজ আহমেদ ২৪। নুরুল ইসলাম দুলাল (সদস্যপদ বাতিল করা হয়) ২৫। অ্যাড. নাজমুল আহসান মিজান ২৬। আব্দুল হালিম ২৭। মোস্তাফিজুর রহমান মিলন ২৮। প্রভাংশু চৌধুরী ২৯। মোল্লা হাবিবুর রাসুল মামুন ৩০। খগেশ কিরণ তালুকদার ৩১। রাশেদা সুলতানা ৩২। আব্দুল মালেক ৩৩। আব্দুল কাদের ৩৪। আব্দুল মন্নান ৩৫। তৈয়বুর রহমান ৩৬। জামাল হায়দার মুকুল (অক্টোবর ১৯৯৭ চাকরি নিয়ে বিদেশ যান, অব্যাহতি প্রাপ্ত) ৩৭। আশরাফ হোসেন আশু ৩৮। আব্দুল হাফেজ (১৯৯৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি কো-অপ্ট) ৩৯। মৃণাল চৌধুরী (১৯৯৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি কো-অপ্ট) ৪০। অচিন্ত্য বিশ্বাস (১৯৯৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি কো-অপ্ট) ৪১। ওয়াজিউর রহমান রাফেল (১৯৯৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি কো-অপ্ট) ৪২। আখতার হোসেন রাজা (১৯৯৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি কো-অপ্ট) ৪৩। কালীরঞ্জন শীল (১৯৯৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি কো-অপ্ট) ৪৪। আব্দুর রাজ্জাক ৪৫। শাহাদত হোসেন ১৯৯৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি কো-অপ্ট করা সংগঠকবৃন্দ ১। শাহীন রহমান ২। সেলিম উদ্দিন ৩। আবুল হোসেন ৪। আজাদুর রহমান চন্দন (জানুয়ারি ১০৯৮ পদত্যাগ করেন) ১৯৯৯ সালের ৭-৯ মার্চ অনুষ্ঠিত পার্টির সপ্তম কংগ্রেসে নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটি সপ্তম কংগ্রেসে ৫৩ জনের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। ৪৫ জন কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়। ৩ জনকে সংগঠক করা হয়। ২৫ ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালে ৭ জনকে সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করা হয়। ৫ জনকে সংগঠক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ডিসেম্বর ২০০১ সদস্য হিসেবে আরও ৩ জনকে এবং সংগঠক হিসেবে আরও ৪ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সুনীল রায় ২০০১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। নাজমুল আহসান মিজানের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০০১ সালে ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আলতাফ হোসেনকে সংগঠক থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। অষ্টম কংগ্রেসের সময় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সংখ্যা হয় ৫৩ এবং সংগঠক ১১ জন। সপ্তম কংগ্রেসে ৯ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী গঠন করা হয়। ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বর আরও ৪ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এম এম আকাশকে তার অনুরোধে ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাদ দেয়া হয় এবং ২০০১ সালের মে মাসে আবার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ২ জন এবং ২০০২ সালের নভেম্বরে আরও ১ জন সভাপতিমণ্ডলী থেকে অব্যাহতি লাভ করেন। কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যবৃন্দ ১। মনজুরুল আহসান খান-সভাপতি ২। মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম-সাধারণ সম্পাদক ৩। সহিদুল্লাহ চৌধুরী-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৪। জসিমউদ্দিন মণ্ডল-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৫। হেনা দাস-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৬। এম এম আকাশ-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য (২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাদ দেয়া হয় এবং ২০০১ সালের মে মাসে আবার অন্তর্ভুক্ত) ৭। শেখ মনিরুজ্জামান-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৮। মোহাম্মদ শাহ আলম-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ৯। মো. আমানউল্লাহ (আশরাফ হোসেন আশু)-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ১০। সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ১১। আব্দুর রাজ্জাক-সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ১২। বিপ্লব চাকী-কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক ১৩। রাশেদা সুলতানা (এ এন রাশেদা) -কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক ১৪। তৈয়বুর রহমান-কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক ১৫। শাহীন রহমান-কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক ১৬। আজহারুল ইসলাম আরজু-কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক ১৭। সুনীল রায় (২০০১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মৃত্যু) ১৮। মোর্শেদ আলী ১৯। শামছুজ্জামান সেলিম ২০। সৈয়দ মেরাজুল হোসেন ২১। মোহাম্মদ আলতাফ হোসাইন ২২। মো. এনামুল হক ২৩। অ্যাড. নাজমুল আহসান মিজান (২০০১ সালে ডিসেম্বর পদত্যাগ) ২৪। দেওয়ান মো. বদিউজ্জামান ২৫। অ্যাড. ফিরোজ আহমেদ ২৬। ডা. দিবালোক সিংহ ২৭। আব্দুল হালিম ২৮। মোস্তাফিজুর রহমান মিলন ২৯। খগেশ কিরণ তালুকদার ৩০। আব্দুল মালেক ৩১। আব্দুল কাদের ৩২। আব্দুল মন্নান ৩৩। মৃণাল চৌধুরী ৩৪। অচিন্ত্য বিশ্বাস ৩৫। ওয়াজিউর রহমান রাফেল ৩৬। আখতার হোসেন রাজা ৩৭। শাহাদত হোসেন ৩৮। সেলিম উদ্দিন ৩৯। আবুল হোসেন ৪০। মোকলেসুর রহমান ৪১। লীনা চক্রবর্তী ৪২। আনোয়ার হোসেন ৪৩। রুহিন হোসেন প্রিন্স ৪৪। আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন ৪৫। কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ৪৬। মোহাম্মদ সুলতান ৪৭। মোল্লা হাবিবুর রাসুল মামুন ৪৮। জেয়াদ আল মালুম ৪৯। মো. ইসমাইল হোসেন ৫০। হাফিজ আহমেদ ৫১। অ্যাড. এমদাদুল হক মিল্লাত ৫২। জয়নাল খান ৫৩। রফিকুজ্জামান লায়েক ৫৪। মাহবুবুল আলম ৫৫। শহীদুল ইসলাম কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠকবৃন্দ ১। সাহা সন্তোষ ২। পরেশ কর ৩। ময়নুল হক মুকুল ৪। মণ্টু ঘোষ ৫। ডা. এনামুল হক ইদ্রিস ৬। অ্যাড. সোহেল আহমেদ ৭। চন্দন সিদ্ধান্ত ৮। খন্দকার লুৎফর রহমান ৯। ফেরদৌস আরা মাহমুদা হেলেন ১০। এইচ এম শাহাদাৎ ১১। আলতাফ হোসেন (অব্যাহতি) [চলবে]

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..