‘এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে’
একতা প্রতিবেদক :
দেশে যখন ‘মব ভায়োলেন্সের’ মাধ্যমে একের পর এক মানুষ হত্যা করা হচ্ছিল, মাজার ও মুক্তিযুদ্ধের স্থাপনা ভাঙা হচ্ছিল তখন দেশের কতিপয় বুদ্ধিজীবী অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গলায় গলা মিলিয়ে বলেছিলেন, এটা মব না, এটা ‘প্রেশার গ্রুপের’ কাজ। তবে দীর্ঘ দিন পরে হলেও ‘সত্য’ হাজির হয়েছেন। হা হা হা- এটাই বাস্তব।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম চলতি বছরের ২৬ জুন ঢাকায় একটি আলোচনা সভায় ‘মব ভায়োলেন্সের’ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, “বলা হচ্ছে মব তৈরি হচ্ছে, আমি এটাকে মব বলছি না, বলছি প্রেসার গ্রুপ। সেটা তৈরি হচ্ছে আগের সাংবাদিকতার ব্যর্থতার কারণে। তিনি বলেন, ‘সেটি তৈরি হওয়ার গ্রাউন্ড কেন হচ্ছে! কেননা, সে তো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত ১৫ বছরে তো তার (প্রেসার গ্রুপ) মিনিমাম সিভিল লিবার্টি রাখা হয়নি।”
এর প্রায় চার মাস পর নেত্রকোণায় গিয়ে শফিকুল আলম বিষয়টি নিয়ে ফের সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন। এবার জবাবে শফিকুল বলেন, “আপনি আমাকে ফিগার দেন। আমরা তো মনে করি, যে কয়টা মব ভায়োলেন্স হয়েছেৃ, বাংলাদেশে মব ভায়োলেন্স অনেক আগে থেকেই ছিল। জুলাইয়ের পরেও কিছু মব ভায়োলেন্স হয়েছে। আমরা অস্বীকার করছি না। কিন্তু আমরা মনে করি, এটা এখন খুবই নিয়ন্ত্রণে এসে গেছে। আমরা সেরকম কোনো সাইন দেখছি না।”
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশে একের পর এক মব ভায়োলেন্স বা সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বলছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গত বছরের আগস্ট থেকে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৩ মাসে উচ্ছৃঙ্খল জনতার সহিংসতার শিকার হয়ে ২২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
Login to comment..








প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন