‘সততার নমুনা’

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : আমাদের দেশে ‘সৎ লোকেদের’ একটাই মাত্র দল! ধর্ম ব্যবসায়ী এই দলটির নেতারা আবার কথায় কথায় ‘সততা আর নৈতিক চরিত্রের ফুলঝুরি’ ছাড়বে। যদিও দলটি একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মিলে এদেশের ৩০ লাশ মানুষকে হত্যা করেছে কিন্তু এখন তাদের চেয়ে ‘বড় দেশপ্রেমিক’ আর কোথাও খুঁজে পাবেন না। বুঝতে পারছেন না সেটা কোন দল? একটা ক্লু দেওয়া যাক। সম্প্রতি এই দলের একজন সংসদ সদস্য মগবাজারের হোটেলে এক কিশোরীকে নিয়ে ধরা পড়েছেন; যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়েছে। এবার আর দলটির পরিচয় নিয়ে কারও সন্দেহ নেই। সেই দলের ছাত্রসংগঠন আবার ‘রগকাটা’ হিসেবে পরিচিত। তো ‘সৎ দলের’ ছাত্রসংগঠনের নেতারাও যে ‘সৎ’ হবেন এ নিয়ে কারও সন্দে থাকার কথা না। তার একটা নমুনা দেখা গেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল নিয়ে। সেখানে ‘নামে-বেনামে’ ছাত্রশিবির ক্ষমতায় রয়েছে। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার সংগঠনের তহবিল থেকে প্রায় ২৪ লাখ টাকা নিয়েছেন। বিল-ভাউচার জমা দিয়েছেন ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকার। তিনি ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকা খরচের ভাউচার জমা দেননি। রাকসুর তহবিল থেকে সহসভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ নিয়েছেন প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা। তিনি ৯৯ হাজার ৯২৪ টাকার ভাউচার জমা দিয়েছেন। হিসাব না দেওয়ার তালিকায় রয়েছেন এজিএসসহ আরও আটজন সম্পাদক। রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের ব্যয়-সংক্রান্ত একটি নথি থেকে জানা গেছে, চলতি মেয়াদে ৪২টি কর্মসূচিতে রাকসুর তহবিল থেকে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি। এই প্রতিবেদন দেখে অবশ্য একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, এই তথ্য ফাঁস করায় সালাউদ্দিন আম্মার আবার সেই প্রতিবেদককে বেলচা দিয়ে পেটাতে যাবেন না তো!

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..