
বাংলার শিশু-কিশোর বাহিনীর ইতিহাস খুব একটা নতুন নয়। প্রায় শতাব্দি ছুঁই ছুঁই করছে। পত্রিকাকেন্দ্রিক এই বাহিনী প্রথম গড়ে ওঠে বিগত শতাব্দির ত্রিশের দশকের মধ্যবর্তী সময়ে। আনন্দবাজার পত্রিকার ‘মণিমেলা’ এবং ১৯৪০ সালে আজাদ পত্রিকার ‘মুকুলের মহল’ (১৯৪০)। তারপরেই ১৯৪২ সালে পাক্ষিক ‘জনযুদ্ধ’ (কিশোর বিভাগ), ‘কিশোরবাহিনী’ (১৯৪৩), ‘দৈনিক স্বাধীনতা’ (১৯৪৫), ‘কিশোর সভা’–তখন এর কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৯২৬–১৯৪৭)। সুকান্ত নামেই যার পরিচয় বেশি পরিব্যাপ্ত। তারপর দেশভাগের পর আজাদের ‘মুকুলের মহল’ নতুন নামে পরিচিত হয় ১৯৪৭ সালে। তখন এ পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তাহলে বর্তমান বাংলাদেশ ভূ-ভাগ থেকে প্রতিষ্ঠিত প্রথম শিশু-কিশোর পত্রিকা ‘মুকুল ফৌজ’। তারপর ১৯৫২ সালে মহান ভাষা-আন্দোলনের ফসল হিসেবে ১৯৫২ সালে দৈনিক সংবাদে’র ‘খেলাঘর’। যার পরিচালক ছিলেন কবি হাবিবুর রহমান। এবং পরে এটি দীর্ঘদিন পরিচালনা করেছেন বজলুর রহমান (ভাইয়া নামে)। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘কবি কাঁচার মেলা’। প্রথমে এর পরিচালক ছিলেন কবি সুফিয়া কামাল, আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন ও রোকনুজ্জামান খান (দাদাভাই)। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে প্রায় প্রতিটি দৈনিক বা সাময়িক পত্রিকায় শিশু-কিশোরদের জন্য সপ্তাহে নির্দিষ্ট একটি পাতা বরাদ্দ ছিলো। যেমন: ফুলকুঁড়ি, সাতভাই চম্পা, সপ্তডিঙ্গা, বন্ধুসভা এমনই কত নাম। তবে ‘প্রথম আলো বন্ধুসভা’ই এখন দাপটের সঙ্গে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ‘খেলাঘর’ দুটি অংশে ভাগ হয়ে পৃথকভাবে কার্যক্রম চালালেও তার ঐতিহ্যমান অনেকটা উচ্চতায় রয়েছে। তবে পরাধীন দেশে তৎকালীন অবিভক্ত বাংলায় সুকান্তের কিশোরবাহিনীর যেমন নাম, গুণ ও পরিব্যাপ্তি ছিলো তা আজ কল্পনাও করা যাবে না।
চল্লিশের দশকে ভারতীয় ছাত্র ফেডারেশনের বিশিষ্ট নেতা অন্নদাশঙ্কর ভট্টাচার্য সুকান্তকে কিশোরবাহিনীতে নিয়ে এসেছিলেন। সে স্মৃতিচারণ করে তিনি লিখেছেন–
চল্লিশের যুগে গড়ে উঠেছিল কিশোরদের সংগঠন ‘কিশোরবাহিনী’ শিক্ষা-স্বাস্থ্য-সেবা-স্বাধীনতার আদর্শে। এই সংগঠনের সূত্রপাত আমার হাতে। কিশোরবাহিনীর শাখা ছড়িয়েছিল শুধু কলকাতার পাড়ায় পাড়ায় নয়, বিশেষভাবে পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। পরবর্তীকালে এই সংগঠনের প্রাণ ছিল সুকান্ত। ...তখন ছাত্র ফেডারেশনের অফিস ছিল কলেজ স্ট্রীট ও বৌবাজারের মোড়ে তিন তলায়। তারই এক কোণে একটি পুরানো টিনের বাক্স নিয়ে সুকান্ত বসত কিশোরবাহিনীর কেন্দ্রীয় অফিস সাজিয়ে। চিঠিপত্র এলে বা কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমার সঙ্গে পরামর্শে বসত।...
পঞ্চাশের মন্বন্তরের প্রাক্কালে ১৩৪৯ সনের ১ বৈশাখ বাংলার কিশোরবাহিনীর শুভ উদ্বোধন হয় কলকাতার ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন হলে। সেখানে প্রায় ৩০০ ছেলেমেয়ে সমবেত হয়। সভাপতিমণ্ডলী নির্বাচিত হল কিশোর হরপ্রাসাদ, ধীরেন আর শেফালিকা। প্রখ্যাত সাংবাদিক সত্যেন মজুমদার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শুভাশিস জানান। ঘোষণাপত্রে আদর্শ ঘোষিত হল–শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সেবা, স্বাধীনতা। আর কিশোরবাহিনীর কর্মসূচি হিসেবে গৃহীত হলো–
১. নানা রকম খেলাধুলা ও আমোদ-প্রমোদ;
২. ব্যায়াম;
৩. গান শেখা;
৪. বনভোজন ও ভ্রমণ;
৫. সপ্তাহে এক-দুদিন একত্রে বসে দেশের কথা আলোচনা করা;
৬. কুচকাওয়াজ, লাঠি ও ছোরা-খেলা শেখা;
৭. হাতে লেখা বা ছাপানো পত্রিকা বের করা, পাড়ায় পাড়ায় লাইব্রেরি করা, রচনা প্রতিযোগিতা চালানো;
৮. পাড়ায় সাহায্যের জন্য চালের লাইনে ভলান্টিয়ার করা এবং ওই ধরনের অন্য সমাজসেবার কাজ, ছাত্রদের সভা সমিতি ও অন্যান্য জনহিতকর অনুষ্ঠানে সাহায্য করা।
কিশোরবাহিনীর পতাকা ছিল–লাল বর্ডার দেওয়া সাদা কাপড়ের এক কোণে তারকা, ঠিক মাঝখানে মুষ্টিবদ্ধ হাত।
কিশোরবাহিনী প্রতিষ্ঠার তিন সপ্তাহের মধ্যে ৪৮ স্থানে কিশোরবাহিনী গড়ে ওঠে। তাদের সভ্যসংখ্যা ৩ হাজার ৩২৮ জন। আর তিন মাসে এই সভ্য সংখ্যা হয় ৯ হাজার। আর যেসব জেলায় কিশোরবাহিনীর শাখা গড়ে ওঠে তার মধ্যে দিনাজপুর, রংপুর, বরিশাল, মৈমনসিং (ময়মনসিংহ), খুলনা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, ঢাকা, যশোহর (যশোর), মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম দিনাজপুর, বাঁকুড়া, হুগলি, হাওড়া, ২৪ পরগনা, কলকাতা, মেদিনীপুর, ত্রিপুরা, ডিব্রুগড়, ধুবড়ি ও কানপুর লাইন।
কিশোরবাহিনী উদ্বোধনের ছয় মাস পর ১৪ অক্টোবর ১৯৪৩ ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট হলে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক দক্ষিণারঞ্জন মজুমদার। সভায় পিসি জোশী কিশোরদের কর্তব্য ও একটি কিশোর পত্রিকার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বক্তৃতা করেন।
কিশোরবাহিনীর কর্মতৎপরতা সম্পর্কে সে সময়কার অর্থাৎ ১৯৪৩ সালের সেপ্টেম্বর, ২৯ ভাদ্র ১৩৫০ একটি পত্রিকার প্রতিবেদনের খানিকটা নিম্নে উল্লেখিত হলো–
ঢাকার দেওয়ান বাজারে ৫১ জন মেয়ে নিয়ে গড়া কিশোরবাহিনী। মুষ্ঠি-ভিক্ষার যে চাল উঠে, তাতে ২০টি দুঃস্থ প্রাণ বাঁচায়। স্কুলের মাঠে মেয়েরা সবজি লাগিয়েছে। সবজি বিক্রির টাকা দিয়ে মাঠে গরীব মেয়েদের সাহায্য করবে। বর্ধমানের বন্যাপীড়িতদের জন্য তারা চাঁদা তুলছে। ঢাকার নরসিংদির গ্রামের কিশোরবাহিনী রোজ ১৫০ জন দুঃস্থ শিশুকে দুধ খাওয়াচ্ছে। কলকাতার প্রিয়নাথ রোডের কিশোরবাহিনী সরস্বতী পূজার দিন ৩০০ জনকে খাওয়াল।... (উদ্ধৃতি)
এমনি আরও বহু সংবাদ পাওয়া যায় কিশোরবাহিনীর কর্মধ্যক্ষ সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘কিশোরবাহিনী শোনো’ প্রকাশিত দুষ্প্রাপ্য লেখার মধ্যে যা

১৯৮২ সালের শারদীয় সংখ্যা নিম্ন দামোদর বার্তায় প্রকাশিত হয়েছে। যেমন: বালুর ঘাট (দিনাজপুর), সিংহমারী (রংপুর), ঝাউতলা (বরিশাল), নড়িয়া (ফরিদপুর, বর্তমানে শরীয়তপুর), টালিগঞ্জ (কলকাতা), বড় বাজার, (কলকাতা) পিয়াশালা (মেদেনীপুর), শেরপুর, সেহরা (ময়মনসিংহ) ও তেমুয়ানীঘাট মেদিনীপুর)।
মাদারীপুরের কিশোরবাহিনী আয়োজন করে এক বিচিত্রধর্মী প্রদর্শনী। তার বিবরণ দিয়ে তৎকালীন মাদারীপুরের কিশোরবাহিনীর সম্পাদক বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ গুরুনানক অধ্যাপক অমলেন্দু দে তাঁর ‘মিছিলের চাপে লঙ্গরখানা’ নিবন্ধে লিখেছেন–
আমি ভারতের মানচিত্র সুন্দরভাবে আঁকতে পারতাম। মাদারীপুর মহকুমা কিশোরবাহিনীর সম্পাদক আমাকে করা হয়েছিল। একদিন পার্টিনেতা অনুকূল চট্টোপাধ্যায় আমাকে বলেন, কিশোরবাহিনীর পক্ষ থেকে একটি প্রদর্শনী করবার জন্য আমাকে বাংলার মানচিত্র তৈরি করে দুর্ভিক্ষগ্রস্ত জেলাগুলি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করে পাশে প্রতি জেলার জনসংখ্যা উল্লেখ করে ব্যবস্থা করতে। তিনি বলেন, জনসংখ্যার সমস্ত হিসেব পার্টির নেতৃত্ব করে দিবে, আমাকে শুধু ভালো করে লিখে দিতে হবে, যাতে দর্শকেরা দুর্ভিক্ষের ও মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলির সম্বন্ধে একটি ধারণা করতে পারে।...বাংলার দুর্ভিক্ষ ও মহামারির বিষয়ক এই প্রদর্শনী খুবই আকর্ষণীয় হয়েছিল এবং তা কিশোরবাহিনীর সাফল্য হিসেবে উল্লেখিত হয়।
এবার কিশোরবাহিনীর কর্মসচিব হিসেবে সুকান্ত ভট্টাচার্যের কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ চিঠিপত্র নিম্নে উল্লেখিত হলো। সেখানে সুকান্তের কর্মনিপুণতা, কিশোরবাহিনীর প্রতি আগ্রহ ও আন্তরিকতার সুস্পষ্ট প্রতিচ্ছাপ ফুটে ওঠেছে।
(১)
কিশোরবাহিনীর জনৈক সদস্যকে লেখা
প্রিয় বন্ধু,
তোমাদের প্রথম চিঠি পাইনি। তারপর দুটো চিঠি পেয়েছি। অনেক চিঠি জমেছিল তাই উত্তর দিতে দেরি হলো। রাগ করো না। তোমাদের কাজের রিপোর্ট খুব প্রশংসা করবার মতো। এমনি কাজ করলেই একদিন তোমরা বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কিশোরবাহিনী হয়ে ওঠবে। তোমরা মেম্বারের পয়সা মাথাপিছু এক আনা পাঠিয়ে দিলেই আমরা সভ্য কার্ড পাঠিয়ে দেব। তোমরা এই রকম নিয়মিত চিঠি দিও। তা হলে খুব আনন্দ পাবো। তোমরা জানো না তোমাদের চিঠি পেলে আমাদের কত আনন্দ হয়। তবে উত্তর দিতে একটু দেরি হবেই। তোমাদের কিশোরবাহিনী সব নিয়ম মেনে চলে তো?
কিশোর অভিনন্দন
সুকান্ত ভট্টাচার্য
কর্মসচিব
(২)
কিশোরবাহিনীর জনৈক সদস্যকে লেখা
প্রিয় বন্ধু,
তোমরা কী ধরনের কাজ করবে জানতে চেয়েছ তাই জানাচ্ছি, তোমরা প্রথমে নিজেদের লেখাপড়া, আচার-ব্যবহার ও চরিত্রের উন্নতির দিকে নজর দিবে। নিজেদের স্বাস্থ্য ও খেলাধুলার দিকে নজর দেবে সেই সঙ্গে। তোমরা গরিব ও অসুস্থ ছেলেদের সবসময় সাহায্য এবং সেবা করার চেষ্টা করবে, নিজের পাড়ার বা গ্রামের উন্নতির জন্য প্রাণপণ খাটবে। আর এ সমস্ত কাজ দেখিয়ে অভিভাবকদের মন জয় করার চেষ্টা করবে।
কার্ড এখনও অনেক আছে। যে ক’খানা দরকার জানিও আর কার্ড পিছু এক আনা পাঠিয়ে দিও।
সব সময় চিঠি পাঠাবে।
কিশোর অভিনন্দন নিও
কর্মসচিব।
(৩)
হুগলি জেলার কিশোরবাহিনীর সদস্য ও পরবর্তীকালে বিশিষ্ট কমিউনিস্ট নেতা
মদন সাহাকে লেখা
৪/৭/৪৬
প্রিয় কমরেড,
আপনার অভিযোগ যথার্থ। কিন্তু মফস্বল জীবন সম্বন্ধে অভিজ্ঞ লেখকরা কিশোর সভায় লেখা দিতে চান না; কি করার বলুন?
কিশোরবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা আপাতত আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। রসিদ বই ফুরিয়ে গেছে।
অভিনন্দনসহ
সুকান্ত ভট্টাচার্য
হুগলি জেলার কৃষককর্মী পরিতোষ চট্টোপাধ্যায়ের বন্ধু মদন সাহাকে লেখা চিঠিতে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসারত অসুস্থ অবস্থায় প্রিয় সহকর্মী সুকান্ত ভট্টাচার্য তাঁর সেবাযত্ন ও যে অকৃত্রিম দরদি ও সহমর্মিতার ছাপ রেখেছিলেন, তার খানিকটা এখানে উদ্ধৃত করা হলো।
...এরপর দেশজোড়া কালা দিন ১৭ আগস্ট দেশে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার বীভৎসতা কলকাতা জুড়েই শুরু। এসব পার করে দিয়ে আমার যখন জ্ঞান হল তখন পাশেই পেলাম সুকান্তকে। আমার নড়াচড়া বন্ধ, কাগজপত্র পড়া বন্ধ, বেশি কথা বলা বন্ধ–এই অবস্থায় পাশে সুকান্ত সঙ্গী সহায়ক। স্বাধীনতা পত্রিকা পড়ে শোনানো, চিঠি লিখে দেওয়া সব কাজেই সহায়ক সঙ্গী। কিশোরবাহিনীর সংগঠক নেতা, বিপ্লবী কবি। এই সময়েরই তুমি সুকান্তের হাতে লেখা আমার চিঠি পেয়েছ।
সুকান্ত ভট্টাচার্যের জীবন, কর্ম ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট নিয়ে অনেকেই মূল্যায়ন করেছেন। তবে এখানে প্রিয় সাথী পরিতোষ চট্টোপাধ্যায়ের মূল্যায়নটি আমার কাছে অনেক বেশি যথার্থ বলে মনে হয়েছে। নিম্নে তা উল্লেখিত হল–
তীব্র অনুভূতির সুকান্ত দরদি, নিষ্ঠা, কর্তব্যেও কঠিন দৃঢ়তা অথচ কত দরদি মন, কবি কিন্তু সমগ্র সত্তায় বিপ্লবী চিন্তায়, ব্যবহারিক জীবনে ও কর্মক্ষেত্রে–তার সান্নিধ্যে দুই মাস ব্যাপী অনুভব করেছি। সুকান্ত তাই এ যুগেও আগামী দিনে অমর, শুধু প্রতিক্রিয়াশীলদের চক্ষুশূল।
সুকান্তের জন্মশতবর্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি রক্তিম অভিবাদন। কিশোরবাহিনীর চেতনা অমর হোক। য়
তথ্য নির্দেশ
সুকান্ত বিচিত্রা, সম্পাদনা–বিশ্বনাথ দে, বিপ্লবীদের কথা (২০১৪), ঢাকা। পৃ. ৫৭–৫৮
সুকান্ত সমগ্র–সম্পাদনা–ড. উজ্জ্বল কুমার মজুমদার, পারুল। প্রকাশনী, কলকাতা (২০১২), কলকাতা। পৃ. ৪১২-৪১৩১,
৪১৩২, ৪২৫-৪২৭৩, ২৯১-২৯২৪,
৪২৯৫ ও ৪২৯-৪৩০৬।
ক্ষুধার্ত বাংলা–সম্পাদনা–মধুময় পাল,
দীপ প্রকাশন, পৃ. ১৪০।
সুকান্তের জীবন ও কাব্য–ড. সরোজমোহন মিত্র, কলকাতা।
লেখক : শিক্ষক আন্দোলনের নেতা ও সাহিত্যিক