বিসিবি নির্বাচন ঘিরে ক্রীড়াঙ্গনে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

একতা প্রতিবেদক : এশিয়া কাপের ফাইনালে যাওয়ার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেল, এ নিয়ে যেন কোনো আলোচনা নেই ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের মাঝে। ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি নিদারুণ ব্যর্থতার পরও মাঠের ক্রিকেট নিয়ে নেই তেমন কোনো কথা। এই মুহূর্তে দেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার বিসিবি নির্বাচন। দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থার পরিচালক নির্বাচন নিয়ে ঘটনার ঘনঘটায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছেন তামিম ইকবাল, লড়াইয়ে আছেন ফারুক আহমেদও। তিনজনই দেশের সাবেক অধিনায়ক। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নাজমুল হাসান পাপন আত্মগোপনে চলে যান। পরে তিনি পদত্যাগ করলে বোর্ডে এসে সভাপতি হয়ে যান ফারুক। একগাদা অভিযোগ মাথায় নিয়ে পরে সরে যান তিনিও। এরপর থেকে বোর্ড সভাপতি হিসেবে কাজ করছেন আমিনুল। শুরুতে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান বলেছিলেন, টি-টোয়েন্টি খেলতে এসেছেন তিনি। পরে ভাবনায় পরিবর্তন এনে লম্বা সময়ের জন্যই থাকতে চাইছেন তিনি। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘অসমাপ্ত’ কাজ শেষ করতে তাকে সভাপতির দায়িত্ব চালিয়ে যেতে বলেছে জাতীয় ক্রীড়া সংস্থা (এনএসসি)। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া দেশের সফলতম ওপেনার তামিমও বিসিবি সভাপতি হতে চাইছেন। ক্রীড়াঙ্গনে আমিনুলকে সরকারের প্রার্থী এবং তামিমকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দেখা যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে সেই ৬ সেপ্টেম্বর। এরপর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। তফসিল বরখেলাপ করা হয়েছে। সংশোধিত তফসিল প্রকাশ করা হয়েছে। অনেক প্রশ্ন ও বিতর্কের জন্ম হয়েছে। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, নির্বাচন কমিশনের কোনো সদস্য বা তাদের মুখপাত্র কেউ এখনও সংবাদম্যাধ্যমের মুখোমুখি হননি। বিসিবিতে নির্বাচন কমিশনের অফিসে তথ্য সংগ্রহের জন্য নিয়ে প্রবল বাধার মুখোমুখি হচ্ছেন সংবাদকর্মীরা। বিসিবির নির্বাচনের ইতিহাসের এমন লুকোচুরি নজিরবিহীন। জটিলতার শুরু যেখান থেকে নির্বাচনের জন্য বিসিবিতে কাউন্সিলরদের নাম জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল গত ১৭ সেপ্টেম্বর। কিন্তু ১৮ সেপ্টম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার প্রধান সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি যায়। এতে বলা হয়, বিসিবির কাউন্সিলর হিসেবে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে নাম প্রেরণের বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা যথাযথভাবে মানা হয়নি। আগের ফরম বাতিল করে তাই বিসিবি থেকে পাঠানো নতুন ফরম যথাযথভাবে পূরণ করে ২২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে কাউন্সিলরের নাম পাঠাতে হবে। বিসিবির বর্তমান পরিচালনা কমিটির শেষ সভা শুরু হওয়ার কথা ছিল গত ২৩ সেপ্টম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়। নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট পর পরিচালকদের জানানো হয়, সভাটি শুরু হবে রাত সাড়ে ৯টায়। স্রেফ অল্প সময়ের কিছু আনুষ্ঠানিক আলোচনা হওয়ার কথা থাকলেও সেই সভা শেষ হয় প্রায় মধ্যরাতে। এরপর জানানো হয়, সভার মূল যে উদ্দেশ্য, বিসিবি নির্বাচনের কাউন্সিলর বা ভোটার তালিকার খসড়া অনুমোদন, সেটি হয়নি এ দিনও! দুই দফা বাড়িয়ে কাউন্সিলর চূড়ান্ত করার শেষ সময় নির্ধারিত হয়েছিল সোমবার সন্ধ্যা ৬টা। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় জানানো হয়েছিল, বোর্ড সভায় অনুমোদনের পর সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রকাশ করা হবে খসড়া ভোটার তালিকা। তফসিলের বরখেলাপ তাই হয়ে যায় শুরুতেই। এর আগেও দিনজুড়ে নির্বাচন ঘিরে হয় নানা নাটক। কাউন্সিলরদের নাম পাঠাতে দ্বিতীয় দফায় সময় বৃদ্ধি করে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত যে চিঠি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর পাঠানো হয়, সেটি স্থগিত করে দেন হাই কোর্ট। এই চিঠির কার্যকারিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন কয়েকজন। তবে ঘণ্টা দেড়েক পরই হাইকোর্টের এই আদেশ ২৮ পর্যন্ত স্থগিত করে দেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। দ্বিতীয় দফা সময় বাড়ানো নিয়ে বিতর্কের ঝড় চলছে তখন থেকেই। সাবেক জাতীয় অধিনায়ক, বিসিবি নির্বাচনের কাউন্সিলর ও সম্ভাব্য পরিচালক পদপ্রার্থী তামিম ইকবাল গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, কোনো পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা না করেই বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম দ্বিতীয় দফায় সময় বাড়িয়েছেন। আমিনুলকে নিয়ে প্রশ্ন একটি সংবাদ সম্মেলনের এক বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমানকে উদ্দেশ্য করে একজন সংবাদকর্মী বলেন, “আন্দোলনে এত লোক প্রাণ দিয়েছে কোনো স্বৈরাচার তৈরি করার জন্য নয়। এই যে একক ক্ষমতা বা ঈশ্বরতুল্য ক্ষমতা তৈরি করেছেন, এই ক্ষমতার অপব্যবহার তো হচ্ছে। আমরা আশা করব, ভবিষ্যতে এটা খর্ব করে আপনারা গণতান্ত্রিক সভাপতি করবেন। এরকম একনায়ক প্রেসিডেন্ট না বানানো উত্তম। কারণ এত লোক প্রাণ দিয়েছে স্বৈরাচার হটানোর জন্য।” কথাগুলো বলা হয় এই জন্য যে, বিসিবি নির্বাচনের আগে তুমুল আলোচিত সঙ্কট প্রসঙ্গে এই বিসিবি পরিচালকই বলেছেন, ‘সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে’ বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এককভাবেই সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন। শঙ্কায় তামিম “খেলোয়াড়ি জীবনে একসময় ‘ফিয়ারলেস’ ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত ছিল আপনার, বিসিবি নির্বাচনে কি চাপ অনুভব করছেন?”, তামিম ইকবালের কাছে প্রশ্নটি করা হলো তার ব্যাটিংয়ের ধরনকে মিলিয়ে। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক অকপটেই বললেন, “আমি তো ফিয়ারলেসভাবে চেষ্টা করছি। আমার ওপরে অনেক চাপ আছে। কালকে আমার কাউন্সিলরশিপ বাতিলও হয়ে যেতে পারে। কেন হতে পারে, এটা আপনারা খুব ভালো করেই বোঝেন।” তামিমের ক্ষোভ ও হতাশার শেষ নয় এখানেই। কয়েকদিন আগে একটি সংবাদ সম্মেলনে যে অভিযোগগুলো করেছিলেন তিনি, সেগুলোই যে এখন হচ্ছে, তা মনে করিয়ে দিলেন দেশের সফলতম ওপেনার। বিসিবি নির্বাচনে সরকারের একটি অংশের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ আবার তুলে ধরে ধরলেন তিনি। তার শঙ্কা, বিসিবি নির্বাচনে তাকে অংশ নিতে নাও দেওয়া হতে পারে। “আমার বয়স হয়তো কম, কিন্তু আমি সিনিয়রদের (সংগঠক) থেকে শুনেছি, ক্রিকেট বোর্ডের ইতিহাসে কোনদিন এত নোংরামি তারা দেখেননি। যে জিনিসটা আপনারা করে যাচ্ছেন, করছেন, এটা কিন্তু একটা ইতিহাস হয়ে যাবে এবং পরবর্তীতেও কিন্তু এই জিনিসগুলোই অনুসরণ করা হবে। কাজেই আমার বিনয়ী অনুরোধ, এই জিনিসগুলো আপনারা করবেন না। সৎভাবে নির্বাচন আয়োজন করুন।” কাউন্সিলর মনোনয়ন নিয়ে বিরোধ কাউন্সিলর মনোনয়নে গঠনতন্ত্রের দুই রকম ব্যাখ্যা মিলেছে। বর্তমান বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও তাকে সমর্থন দেওয়া পক্ষ বলছে, ক্রীড়া সংস্থাগুলোর জায়গায় যেহেতু এখন অ্যাডহক কমিটি কাজ করছে, কাউন্সিলরও অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকেই হতে হবে। কিন্তু তামিমের পক্ষ অ্যাডহক কমিটিকেই বৈধ বলতে রাজি নয়। তাদের মতে, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার প্রধান হিসেবে ক্রিকেট– সংশ্লিষ্ট যে কাউকে কাউন্সিলর করতে পারেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার। বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা সূত্রে গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, গঠনতন্ত্রের দুই রকম ব্যাখ্যা দিয়ে দুই পক্ষই নিজ নিজ পক্ষের লোকদের কাউন্সিলর করতে বিভিন্ন জায়গায় চাপ প্রয়োগ করেছে। প্রথমে পাঠানো কাউন্সিলর তালিকায় এমন অনেকের নামই দেখা গেছে, যাদের ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আসার পর অবশ্য দেশের সব জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা বিলুপ্ত করে প্রতিটি জেলা ও বিভাগে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। বর্তমান গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিসিবির নির্বাচন মূলত তিনটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ও বিভাগ থেকে ১০ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন নিজ নিজ বিভাগের কাউন্সিলরদের ভোটে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগ থেকে দু’জন করে এবং বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর থেকে একজন করে পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এই ক্যাটাগরিতে মোট কাউন্সিলর ৭১ জন। ক্লাব ক্যাটাগরিতে ১২ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন ৭৬ জন কাউন্সিলরের ভোটে। সাবেক ৫ অধিনায়ক, সাবেক ১০ ক্রিকেটার এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থা নিয়ে গঠিত তৃতীয় ক্যাটাগরির ৪৫ জন কাউন্সিলরের ভোটে পরিচালক হবেন একজন। পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন শেষে এনএসসি মনোনীত দুই পরিচালকসহ ২৫ পরিচালকের ভোটে হবে সভাপতি নির্বাচন। নির্বাচনে বিতর্কিত ১৫ ক্লাব নাজমুল হাসানের সময় অন্যায় সুবিধা নিয়ে তৃতীয় বিভাগ বাছাই ক্রিকেট থেকে উঠে আসা বিতর্কিত ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলরদের রেখেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে বিসিবির নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার বিকালে বিসিবির ওয়েবসাইটে এবং সংবাদ বিজ্ঞপ্তি আকারে দেওয়া চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নেই শুধু নরসিংদী জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোনো কাউন্সিলর। নাজমুল হাসান বিসিবি সভাপতি থাকার সময় বিতর্কিত ১৮টি ক্লাব তৃতীয় বিভাগ বাছাইয়ের বৈতরণী পার হয়েছিল লিগ না খেলেই। তিনটি ক্লাব পরে আবার তৃতীয় বিভাগ বাছাইয়ে নেমে যাওয়ায় এদের মধ্যে কাউন্সিলর হওয়ার মতো ক্লাব ছিল ১৫টি। এসব ক্লাবের তৃতীয় বিভাগ বাছাই পার হওয়ার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ছিল না বলে দুদকের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়। দুদক বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্য অনুসন্ধানেরও সুপারিশ করে। এ কারণে বিসিবির নির্বাচন কমিশন ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় বিতর্কিত ১৫টি ক্লাবকে রাখেনি। তবে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ ছিল ক্লাবগুলোর। গত দুই দিন সেসব আপিল গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করে শুক্রবার প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় বিতর্কিত ১৫টি ক্লাবকেই রেখেছে নির্বাচন কমিশন। অবশ্য ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে, অভিযুক্ত হলেই কাউকে শাস্তি দেওয়া যায় না। অভিযোগ প্রমাণিত হতে হয়। বিতর্কিত ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ যেহেতু এখনো প্রমাণিত হয়নি, তাদের যেন নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনও সেটি বিবেচনা করেই তাদের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় রেখেছে। ১৪০০ কোটি টাকার বিসিবি বিসিবির কোষাগারে অর্থের পরিমাণ নিয়ে নানা সময় নানা অঙ্ক শোনা যায় নানা মাধ্যমে। এবার আনুষ্ঠানিক একটি সংখ্যা জানা গেল। বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব ছাড়তে যাচ্ছে ১৩৯৮ কোটি টাকা রেখে। এছাড়াও আরও প্রায় ৪০ কোটি টাকা পাওনা আছে বিভিন্ন পক্ষের কাছে। সোমবার সভা শেষে মধ্যরাতে সংবাদ সম্মেলনে বোর্ডের আর্থিক অবস্থার হালনাগাদ তথ্য জানান বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান। “১৩৯৮ কোটি টাকা আমরা রেখে যাচ্ছি- এফডিআর, ইন হ্যানড ক্যাশ, ক্যাশ ইন ব্যাংক, সবকিছুসহ এই প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা রেখে যাওয়া হচ্ছে। এছাড়াও আমাদের অনাদায়ী অর্থ আছে সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ কোটি।” বিপুল অর্থের মালিক বিসিবির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৬ অক্টোবর। সেদিনই পরিচালকদের ভোটে নির্বাচিত হবেন সভাপতি ও সহ-সভাপতি।
শেষের পাতা
জনস্বাস্থ্যের চেয়ে নিজেদের স্বার্থ নিয়েই ব্যস্ত ছিল অন্তর্বর্তী সরকার
জন্মজয়ন্তীতে নেত্রকোনার সন্ধ্যাটি ছিল রবীন্দ্রমুখর
দাবি আদায়ে শ্রমিকদের লড়াই অব্যাহত থাকবে
কমরেড রেহানা মল্লিক
বরেণ্য সমাজবিজ্ঞানী এ কে এম সাদ উদ্দিনের প্রয়াণে শোক
‘দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন-যুদ্ধ বন্ধ কর’
বন্ধ কলকারখানা রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে চালু করার আহ্বান স্কপের
শিশুর নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে পারলেই উন্নত দেশ গড়া সম্ভব
৭ দিনের সংবাদ...
‘শ্রমজীবী মানুষই সমাজ বদলের কারিগর’
ধানের মণ ১৫০০ টাকাসহ আট দফা দাবিতে কৃষকদের বিক্ষোভ
সিপিবি নেতা জালাল হাওলাদারসহ ইউনিক ডিজাইনের শ্রমিকদের ওপর হামলার নিন্দা
ফসলের লাভজনক দামের দাবিতে কৃষক সমাবেশ

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..