চির বিদ্রোহী কর্নেল
আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন
ভাষাসংগ্রামী কর্নেল (অব.) শরফুদ্দিন আহমদ (এস ডি আহমদ) গত ২৬ সেপ্টেম্বর, শনিবার, সন্ধ্যা ৭-১০ মিনিটে ৯৩ বছর বয়সে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৯৫১-৫২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। ভাষা আন্দোলনের মূলকেন্দ্র ছিল মেডিকেল কলেজ হোস্টেল। তিনি ছিলেন ১৯৫২ সালে ২৩ ফেব্রুয়ারি নির্মিত প্রথম শহীদ মিনারের অন্যতম পরিকল্পক ও নির্মাণে তত্ত্বাবধায়ক। ১৯৮৭ সালে পার্টির তৎকালিন সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোহাম্মদ ফরহাদের সাথে সাক্ষাত করে তিনি কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। কমরেড এস ডি আহমদ দীর্ঘ দিন পার্টির উত্তরা থানার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
সংক্ষিপ্ত জীবনী
ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, কর্নেল (অব:), অ্যাডভোকেট, ভাষাবিদ, ভাষা সংগ্রামী, কমরেড শরফুদ্দিন আহমদ বি.এ, বি.এস.সি, এল.এল.বি ১৯২২ সালের ১ আগস্ট (১৭ শ্রাবণ ১৩২৯ বঙ্গাব্দ) ঢাকা জেলার কেরাণিগঞ্জ উপজেলার চুনকুটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মরহুম কাজিম উদ্দিন আহমদ ও ইয়ারিন নেসার পাঁচ সন্তানের সর্বকনিষ্ঠ।
তিনি ১৯৪১ সালে ম্যাট্রিক, ১৯৪৩ সালে ঢাকা কলেজ হতে আই.এস.সি, ১৯৪৭ সালে বেঙ্গল-আসাম রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট থেকে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৯৫৪ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হতে এমবিবিএস, ১৯৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বি.এ, ১৯৭০ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বি.এস.সি, ১৯৭৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এল.এল.বি ডিগ্রি লাভ করেন।
তিনি ১৯৪৭-৪৮ সালে জুনিয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে রেলওয়েতে, ১৯৫৪ সালে হেলথ অফিসার হিসেবে গোপালগঞ্জে, ১৯৫৬-৭৩ সালে পাকিস্তান আর্মি মেডিকেল কোর-এ, ১৯৭৩-৮০ সালে বাংলাদেশ আর্মি মেডিকেল কোর-এ, ১৯৮০-৮৬ সালে মিলিটারি হাসপাতাল, ত্রিপলি, লিবিয়ায় কর্মরত ছিলেন। ১৯৮৮ সাল হতে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা জজ কোর্ট ও হাইকোর্টে আইনজীবি হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়াকালীন সময়ে ১৯৫২ সালে ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ভাষা আন্দোলনের নেতৃস্থানীয় সংগঠক ছিলেন। প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখেন।
১৯৮৭ সালে কর্নেল এস ডি আহমদ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন।
তিনি ‘ত্রিকাল ত্রিগুণ’ নামে আত্মজীবনী রচনা করেন। বাংলা ভাষার উপরও একটি বই লিখেন।
শৈশবেই ভাষা নিয়ে বিদ্রোহ
কর্নেল এস ডি আহমদের শিক্ষাজীবন সে আমলে মুসলমান শিশুদের যেভাবে শুরু হতো সেভাবে শুরু হয়নি। স্কুলে ভর্তি হয়ে পরে তিনি মক্তবে পাঠ গ্রহণ করতে গিয়েছিলেন। তিনি এক মাসের মধ্যে কায়দা শেষ করলে হুজুর পরীক্ষা নিতে গিয়ে তাঁর উপর ভীষণ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। কারণ তিনি মিঞা ভাইয়ের ফাউন্টেন পেন দিয়ে কায়দার উপরে ইংরেজিতে নিজের নাম লিখেছিলেন। এ অপরাধে হুজুর তাঁর পিঠে চার ঘা বেত মেরেছিলেন। তিনি বুঝতে পারেন নি কী ছিলো তাঁর অপরাধ। সেই ক্ষোভে তিনি আর কোনো দিন মক্তবে যান নি।
১৯৩৪ সালে তিনি যখন সরকারি মোসলেম হাই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র নতুন প্রধান শিক্ষক বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের এরশাদ আলী সাহেব ঐচ্ছিক উর্দু বিষয়কে সকল ছাত্রের জন্য বাধ্যতামূলক করলে তিনি উর্দু পড়তে অস্বীকৃতি জানান। এ অবাধ্যতার শাস্তি হয়েছিল হাতের পাতায় সজোরে তিনটি বেত্রাঘাত।
চাকুরীতে পাঞ্জাবী আধিপত্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ
দেশবিভাগের পর ১৯৪৭ সালে কর্নেল এস ডি আহমদ রেলওয়ের সৈয়দপুর কারখানায় জুনিয়ার ইঞ্জিনিয়ার পদে যোগ দেন। ইংরেজ কর্মকর্তা অপশন দিয়ে চলে গেলে দায়িত্ব নিয়েছিলেন উগ্র বাঙালি বিদ্বেষী পাঞ্জাবী আব্দুল হামিদ খান। খান সাহেব বাংলা ভাষা, রবীন্দ্রনাথ, বাঙালি সংস্কৃতি এবং বাঙালিদের সবসময় হেয় চোখে দেখেতেন। খান সাহেব বাঙালিদের সাথে উর্দুতে কথা বলতে চেষ্টা করতেন। কিন্তু এস ডি আহমদ কোন দিনও তার উর্দু প্রশ্নের জবাব দিতেন না। তিনি সবসময় বলতেন, আমি উর্দু জানি না ইংরেজিতে বলুন। পাকিস্তান আর্মিতে চাকুরীরত অবস্থায় প্রশিক্ষণ ক্লাশেও তিনি উর্দুর পরিবর্তে ইংরেজি বলতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করতেন। হামিদ খান সাহবের প্ররোচনায় রেলওয়ের শিক্ষানবিশ মোহাজের কর্মীরা এস ডি আহমদের আবাসস্থলে অনধিকার প্রবেশ ও দখল নিতে চাইলে তিনি অনাকাংখিত মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ তাঁকে অন্যদের সাথে ধরে নিয়ে গেলেও উপযুক্ত অভিযোগ দাঁড় করাতে ব্যর্থ হয়ে ছেড়ে দেয়। পরে তাঁর বিরুদ্ধে খান সাহেবের আবেদনের প্রেক্ষিতে রেলওয়ের তৎকালীন চট্টগ্রাম প্রধান কার্যালয়ে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সামনে টেস্টিমনি দেয়ার জন্য তাঁকে ডাকা হয়। প্রধান কার্যালয় এস ডি আহমদকে চাকুরী থেকে অপসারণের আবেদন উপেক্ষা করে তাঁকে চাকুরীতে বহাল রাখে। কিন্তু তিনি সৈয়দপুরে ফিরে এসে কয়েক দিনের মাথায় ‘উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছা’ দেখিয়ে চাকুরীতে ইস্তফা দেন। আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে কয়েক দিন স্নাতক ক্লাশ করলেও তাঁর প্রকৌশলী জীবনের সমাপ্তি ঘটে এখানেই।
উর্দু ভাষার প্রতি অনীহা
কর্নেল এস ডি আহমদ আত্মজীবনী ‘ত্রিকাল ত্রিগুণ’ এ বিভিন্ন পর্যায়ে উর্দু ভাষা নিয়ে তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নির্দ্বিধায়। তাঁর চাকুরী জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে উর্দুভাষী পদস্থের অধীনে কাজ করেছেন। কিন্তু কথোপকথনের মাধ্যম উর্দু হতে দিতেন না। চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র থাকাকালীন সময় হেড মাস্টারের প্রশ্ন ছিল ‘তুমি কেন উর্দু পড়বে না বলেছ, তুমি মুসলমানের ছেলে নও?’ জবাবে তিনি বলেছিলেন ‘... স্যার, আমি বড় ভাইদের মুখে শুনেছি দুনিয়ার বহু দেশে মুসলমান আছে, এক এক দেশে মুসলমানদের এক এক ভাষা, কোথাও উর্দু পড়তে বাধ্য করা হয় না।’
তাই পরে আমরা দেখি তরুণ এস ডি আহমদ ১৯৫১ সালের মে মাসে ভাগ্নে তোফাজ্জলকে নিয়ে বর্তমান ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের নিকটবর্তী কোন এক জায়গায় বিহারীদের দ্বারা মঞ্চস্থ উর্দু নাটক ‘শিরি-ফরহাদ’ এর মঞ্চে ঢিল ছুঁড়ে বন্ধ করে দিয়েছিলেন।
দ্বিতীয়বার উর্দু নাটকের মঞ্চ ভেঙ্গে ছিলেন একই বছর। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের উর্দুভাষী ছাত্রদের দ্বারা মঞ্চস্থ ‘নাজমা-ই-নূরী’র মঞ্চ ভেঙ্গে দিয়েছিলো বাঙালি ছেলেরা। উর্দুভাষী ছাত্রদের ভাড়া করা গুন্ডাদের সাথে ব্যাপক সংঘর্ষে সাত দিনের জন্য কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ছিলো।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণ ক্লাশে উর্দু না জানার ভান করায় সহকর্মী বাঙালি অফিসার সিরাজ জান্নাত সাহেব প্রশ্ন করেছিলেন তিনি কেন উর্দু না জানার অভিনয় করেছিলেন। তখন এস ডি আহমেদ সগর্বে বলেছিলেন- ‘সিরাজ, তুমিও তো আমার সঙ্গে ১৯৫১-৫২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র সংসদে ছিলে; একুশে ফেব্রুয়ারির সে অপরাহ্নে কলেজের হোস্টেলের কাঁটাতারের বেড়ার কাছে আমার পাশেই ছিলে, যখন পুলিশের গুলিতে আমাদের কয়েক ফুট দূরে রফিকের মাথার খুলি উড়ে গেলো। সে দৃশ্য আর সেই সময় তো ভুলার নয়। আমি আমার ক্ষীণ শক্তিতে যেখানেই সম্ভব পশ্চিম পাকিস্তানিদের বুঝাবার চেষ্টা করব যে উর্দু ভাষার সঙ্গে আমাদের কোনো পরিচয় নেই, যেমন ওরা আমাদের বাংলা ভাষা মোটেই জানে না বলে বুক ফুলিয়ে বলে।”
স্বাধিকার আন্দোলনে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ
১৯৬৮ সালে রংপুর সেনানিবাসে ফিল্ড হাসপাতালে মেজর পদে কর্মরত অবস্থায় এস ডি আহমদ একজন পাঞ্জাবী ল্যান্সনায়ককে কোয়ার্টার গার্ড শাস্তি দেন পার্শ্ববর্তী বালিকা বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার জন্য। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ষোল জন পাঞ্জাবী সৈনিক বিদ্রোহ করে সশস্ত্র অবস্থায় ট্রেনে করে ঢাকায় চলে আসে। কুর্মিটোলা স্টেশনে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। কমান্ডিং অফিসার হিসাবে তাঁর বক্তব্য না নিয়েই ষোল জন সৈনিককে চাকুরীচ্যুত ও এক বছরের সশ্রম কারাদ- দেয়া হয়েছিল। অপরদিকে এস ডি আহমদকে তিন বছর প্রমোশন স্থগিত করে দিয়ে নন-ফ্যামিলি স্টেশন আজাদ কাশ্মীরে গিলগিটে পোস্টিং দেয়া হয়। এতে তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন।
অন্যদিকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তখন উত্তপ্ত। ৬৯’র ছাত্র-গণ অভ্যুত্থান ঘটে গেছে। আন্দোলনের চাপে ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমান মুক্ত। এমতাবস্থায় সেনাবাহিনী থেকে পদত্যাগ করে স্বাধিকার আন্দোলনে যোগ দেয়ার চিন্তা করেছিলেন এস ডি আহমদ। তিনি বন্ধু ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বোরহান উদ্দিন আহমেদ গগনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর কাছে তাঁর ইচ্ছার কথা জানান। বঙ্গবন্ধু গগন সাহেবের মারফত শিগগিরই এ ধরনের অফিসারদের প্রয়োজন হবে জানিয়ে তখনই সেনাবাহিনী পরিত্যাগ না করার জন্য পরামর্শ দেন। তারপর তিনি গিলগিট চলে যান।
মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে না পারার আক্ষেপ
এস ডি আহমদ ’৬৯ সালে শাস্তিমুলক ট্রান্সফার মাথায় নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে যান এবং বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন মুক্তিযুদ্ধ শেষে ’৭৩ সালে। ওয়াজিরিস্থানের খাজুরি দুর্গে বন্দী অবস্থায় তিনি ভাবছেন- ‘ছাত্রাবস্থায় কলকাতায় পাকিস্তান আন্দোলনের মিটিং মিছিলে থেকেছি। তারপর পাকিস্তানের প্রায় শুরুতে ১৯৪৯ সালের প্রথম দিকেই একজন বাঙালি হিসাবে পাকিস্তানের প্রতি নির্মোহ হয়েছি এবং তা থেকে বাঙালির মুক্তি কামনা করেছি। সেনাবাহিনীর অফিসার হয়ে পাকিস্তানের অখ-তার বিরুদ্ধে কানে কানে প্রচার অভিযান (হুইস্পারিং ক্যামপেইন) চালিয়েছি। এক সময়ে এমনকি কমিশনে রিজাইন দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সহযোগী হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিজেকে উৎসর্গ করতে চেয়েছি। কিন্তু ভাগ্যের কী পরিহাস, সেই আমি-ই অবস্থার শিকার হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিতে পারলাম না।’
আমি এ মাটির সন্তান, আমি বাঙালি
একাশি বছর বয়সে আত্মজীবনী লিখতে বসে বংশ পরিচয়ের আত্মতৃপ্তির পরিবর্তে তাঁর মধ্যে জেগে উঠে এক ধরনের বিদ্রোহ। তাই তিনি সহজে লিখতে পারেন- ‘বিজ্ঞান এই বলে যে, বৈশিষ্ট্যগুলো সন্তানে পাচার হয় পুরুষের শুক্রকোষ আর নারীর ডিম্বকোষের জিন এর মাধ্যমে; রক্তের মাধ্যমে নয়। যদিও আমরা প্রচলিত কথায় বলি-‘পূর্বপুরুষের রক্ত’। এ হিসাবে পিতার জিন থেকে পাই অর্ধেক. পিতামহর পাই এক-চতুর্থাংশ, প্রপিতামহর পাই এক-অষ্টমাংশ এবং উর্ধ্বতন সপ্তম পুরুষের পাই একশত আটাশ ভাগের মাত্র এক ভাগ। বাকি একশত সাতাশ ভাগই আসে অন্যান্য ফ্যামিলি বা বংশ থেকে।
কাজেই, পিতার দিক থেকে সপ্তম উর্ধ্বতন পিতৃপুরুষ মোহাম্মদ মিয়াজানকে (তিনি ১৬৬০ সালে পাঞ্জাবের মুলতান থেকে আওরঙ্গজেবের সেনাপতি মীরজুমলার সাথে এসেছিলেন বলে কথিত) নিয়ে গর্ব করার তো কোন হেতু খুঁজে পাই না। বাঙালি মুসলমানরা একটি মিশ্র মানবগোষ্ঠি। হিন্দুদের মত জাতিভেদ প্রথা না থাকায় মুসলমান যে কোনো বংশে বিয়ে করে। অতএব কোনো মুসলমানের এবং বিশেষ করে কোনো বাঙালি মুসলমানের পক্ষে ‘আমি মোঘল’ বা ‘আমি পাঠান’ এরূপ বলে লাফঝাঁপ মারা অর্থহীন।
আমার সগর্ব পরিচয়, আমি এ মাটির সন্তান, আমি বাঙালি।” য়
লেখক : সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি, সিপিবি
Login to comment..








প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন