চিকিৎসায় চীনের যুগান্তকারী সাফল্য

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

একতা বিদেশ ডেস্ক : কাটাছেঁড়া না করেই মায়ের গর্ভে এক শিশুর বুকের মারাত্মক টিউমার সংকুচিত করতে সক্ষম হয়েছেন চীনের একদল চিকিৎসক। এ যুগান্তকারী চিকিৎসাপদ্ধতি চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে, যা আগামী দিনে হাজারো শিশুর প্রাণ বাঁচাতে ভূমিকা রাখবে। গর্ভস্থ শিশুটি ফুসফুসের একটি জন্মগত ও জিনগত ত্রুটিতে ভুগছিল। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘সিপিএএম’ (সিপাম)। চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত প্রতি ২৫ থেকে ৩৫ হাজার গর্ভধারণের মধ্যে এমন ঘটনা মাত্র একটিতে দেখা যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ত্রুটি বা টিউমার মারাত্মক রূপ নেয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে টিউমারটি খুব দ্রুত এবং অত্যন্ত বড় হয়ে ওঠে। ফলে শিশুটির হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে গর্ভেই শিশুর মৃত্যুর আশঙ্কা তৈরি হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ত্রুটি বা টিউমার মারাত্মক রূপ নেয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে টিউমারটি খুব দ্রুত এবং অত্যন্ত বড় হয়ে ওঠে। ফলে শিশুটির হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুস মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে গর্ভেই শিশুর মৃত্যুর আশঙ্কা তৈরি হয়। বর্তমানে এ রোগের নির্দিষ্ট কোনো আদর্শ চিকিৎসা পদ্ধতি নেই। কিছু কিছু ক্ষেত্রে টিউমার ছোট করার উদ্দেশ্যে গর্ভবতী মাকে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়। আবার বিরল কিছু ক্ষেত্রে যখন এ টিউমারে তরল পদার্থে ভরা বড় সিস্ট বা থলি তৈরি হয়, তখন চিকিৎসকেরা মায়ের পেট ও জরায়ুর ভেতর দিয়ে সুই ফুটিয়ে একটি ড্রেনেজ টিউব বা নল যুক্ত করেন। এ নলের মাধ্যমে সিস্টের তরল বাইরে বের করে দেওয়া হয়। তবে যেসব ক্ষেত্রে এ নল ব্যবহার করা হয়, তাদের এক বড় অংশে সময়ের আগে শিশুর জন্ম নেওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর বাইরে ‘ফিটাল লোবেক্টমি’ নামের আরেকটি পদ্ধতি রয়েছে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..