‘বাঁশ’
একতা প্রতিবেদক :
আমাদের ছোটোবেলায় দেখতাম স্যারেরা বেত নিয়ে ক্লাসে আসতেন। পড়া না পারলে যে খুব একটা মারধর করা হতো তা নয়। দুষ্টামির জন্য বেশিরভাগ ছেলেপেলের পিঠে-পাছায় দু’ঘা পড়তো বৈকি। কিন্তু স্যারদের কোনোদিন ক্লাসে রড নিয়ে আসতে দেখিনি। কারণ, রড ভালো ছাত্র তৈরির জন্য উপযুক্ত উপাদান না। কঞ্চি বা বেত সেক্ষেত্রে ভালো।
তবে এখন প্রকৌশলীরা এ থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। তারা সেতু-টেতু বানায়, তারা মনে করছেন, বাঁশের কঞ্চি দিয়ে যদি ভালো ছাত্র তৈরি করা যায়, তাহলে ভালো সেতু তৈরি করা যাবে না কেনো? রডতো সেতুর স্বাস্থ্যের জন্য খারাপও হতে পারে। ফলে তিনি হয়তো, ঠিকাদারকে বলে দিয়েছেন সেতু তৈরির জন্য বাঁশ উত্তম। আর মানুষ তো এতো কিছু বোঝে না। ফলে বাঁশ দিলেও ধরতে পারবে না। তখন ঠিকাদার নিজে প্রকৌশলী হয়ে বিশ্বের প্রথম অভিনব ও অবিশ্বাস্য কায়দায় বাঁশ দিয়ে সেতু বানানোর একটা প্রকল্প শুরু করে দিলেন।
টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভার সরাঙ্গা নদীর ওপর যে সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে, সেখানে সেই ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ১০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১১ কোটি টাকা। সেতুর ফুটপাতের স্লাব তৈরিতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই শুরু হয়েছে।
এলজিইডি অফিস বলছে, এতে নাকি তাদের ভাবমূর্তি অনেক ক্ষুণ্ন হয়েছে। এই কারণে, তারা তাদের প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।
এছাড়া নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি সেতুর কাজেও রাতের অন্ধকারে ব্রিজের ফুটপাতের স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে তার এবং নিম্নমানের সিমেন্ট দিয়ে কাজ করে চলে যান ঠিকাদারের লোকজন। স্লাবে পথচারীদের পা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো ভেঙে পড়ে। এ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে।
প্রথম পাতা
এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না
ডেঙ্গু ও হাম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা ও বিপুল প্রাণহানির দায় সরকারের
জাতিসংঘে ট্রাম্পের যুদ্ধংদেহী বক্তব্যের নিন্দা সিপিবির
‘আমরা তো আমরণ প্রগতির পক্ষে, গড়বই বিশ্বতো সাম্যের’
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অক্ষম হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা শ্রেয়
সার সংকটসহ কৃষকের সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে হবে
ছাত্র ইউনিয়ন কর্মীসহ মিথ্যা মামলায় বন্দি তিন কিশোরের মুক্তি দাবি
বহু পাক্ষিক উদ্যোগ ছাড়া বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়
প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন বাতিলের দাবি
শ্রমিকের জীবিকার সংকট সৃষ্টি করে সরকার ক্ষমতায় টিকতে পারবে না
Login to comment..








প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন