গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্টের প্রাথমিক বাজেট প্রতিক্রিয়া

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্ট-এর কেন্দ্রীয় নেতা ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মাহবুব) সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশীদ ভূইয়া, সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, জাতীয় গণফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা, সোনার বাংলা পাটির সভাপতি সৈয়দ হারুনুর রশীদ গত ১১ জুন সংবাদপত্রে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে এক প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি দেখানো হচ্ছে। এই ঘাটতি বাজেট পূরণ করা হবে দেশি-বিদেশি ঋণ থেকে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, এই বিশাল বাজেটে নতুন কর্মসংস্থান সম্পর্কে কোন সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। এবারও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিসহ জনকল্যাণ খাত অবহেলিতই রয়ে গেছে। অন্যদিকে সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক কালো টাকা সাদা করার পুরোনো প্রক্রিয়া এবারও বহাল রাখা হয়েছে। রাজস্ব আয়ের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে কীভাবে? চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ধনিক শ্রেণির স্বার্থে উৎস কর কমানো হয়েছে, কিন্তু সাধরণ মানুাষের উপর পরোক্ষ করের বোঝা বহাল তবিয়তেই রয়েছে। লুটেরা ধনিক শ্রেণির স্বার্থে বাজেট প্রণয়ন না করে লুটেরা ধনিক শ্রেণি, কালো টাকার মালিক ও আমলা তোষণের নীতির অতীতের ধারা থেকে বেরিয়ে এসে গণমানুষের গণআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী শোষণ-বৈষম্যমুক্ত সমাজের লক্ষাভিমুখী জনকল্যাণের জাতীয় বাজেট প্রণয়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান গণতান্ত্রিক যুক্ত ফ্রন্টের নেতারা।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..