সুকান্ত সাহিত্যে জীবনদর্শন ও আজকের বাংলাদেশ
অমিত রঞ্জন দে

সুকান্ত বাংলা সাহিত্যের অনন্য সাধারণ প্রতিভা। তিনি এমন এক সময়ে বেড়ে উঠেছিলেন, যখন উপমহাদেশ ঔপনিবেশিক শাসন, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, দারিদ্র্য, বৈষম্য ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। কৈশোরেই তিনি উপলব্ধি করেছিলেন—সাহিত্য কেবল সৌন্দর্যচর্চার বিষয় নয়; মানুষের জীবন, ক্ষুধা, বঞ্চনা, শোষণ ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষার সঙ্গেও সাহিত্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
সুকান্তের জন্ম ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট। তাঁর কৈশোর ও যৌবন কেটেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ফ্যাসিবাদ, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ’৪৩-এর দুর্ভিক্ষ এবং শ্রমিক-কৃষকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের উত্তাল সময়ে। সেই সময়ের বাস্তবতা তাঁর কবিতা ও সাহিত্যে গভীরভাবে..
বিস্তারিত
মানবিক বাস্তবতার নিরিখে শিল্প
লুৎফর রহমান
প্রকৃতি, মানুষের জীবন ও সমাজ শিল্পের উৎস। মানুষ তার আবেগ দিয়ে চিরকাল প্রকৃতির বিপুল সৌন্দর্যকে নিজের মতো করে প্রকাশ করতে চেয়েছে। প্রকৃতির রূপকে সে নিজের মধ্যে নিয়ে বিমূর্ত করে। তারপর আপন মনের রঙ মিশিয়ে বাইরে এনে মূর্ত করে। তখন সেটা আর প্রকৃতির থাকে না তার নিজের হয়ে যায় এবং তা যখন সকলের হয়ে ওঠে তখনই শিল্প হয়। মানবজাতির প্রগতির ধারায় সৌন্দর্য সৃষ্টি ও ক্ষণকালের সৌন্দর্যকে চিরকালের করাই শিল্পের কাজ।
শিল্পে মানুষের জীবন-বিরুদ্ধ কিছু থাকার সুযোগ নেই। মানবিকতাই শিল্পের আকর। সেটাই..
বিস্তারিত
কবিতা...
নিঃশব্দের বারুদ
মিনু রানী পাল

বেনিয়া দাসত্বের শৃঙ্খল
ভাঙবে বলে
মার্ক্সের ধ্রুবক ভাবনা
সবই নিয়েছিলো মননে।
সামন্তবাদের ফ্যাসিস্ট আগ্রাসন
আর বৃটিশ বেনিয়ার কালো থাবা
পড়েছিলো খাবার বাসনে।
কিশোর দ্রোহের কবি
যুবার ক্ষমতা পেল না বলে,
লেখনির ঝর্ণাধারায়
প্লাবিত করলো সেদিন
সাহিত্যের সভ্যতায়।
রবির কিরণে আর
নজরুলের দ্রোহের আগুনে
ম্লান হয়নি তার
ক্ষুধার রাজ্যের গদ্যময় কবিতা,
নিপীড়িত, নিরন্ন মানুষের
যাতনাহীন অভাবশুন্য রাত্রি
উপহার দেব বলে,
নিরন্তর কমিউনিস্টের কর্মযজ্ঞে
সামিল হয়েছে প্রতিপদে।
মিল্কি ওয়ের মত শারদ রাতে
নির্মল আকাশের এক শাশ্বত ধ্রুবতারা,
ক্ষণজন্মা দু’দিনের পথিক
কাব্যে, সাহিত্যে সমাজ বদলানোর
দোর্দন্ড..
বিস্তারিত