ট্রেড ইউনিয়ন কী এবং কেন?
মৃণাল চৌধুরী
ট্রেড ইউনিয়ন সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমে শ্রম সম্পর্কে আমাদের সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। শ্রম হলো মানুষের শারীরিক ক্ষমতা যা মানুষ উৎপাদনের কাজে ব্যয় করে। পুঁজিবাদী সমাজে অন্যান্য পণ্যের মতো শ্রমও বাজারে কেনা বেচা হয়। পুঁজিপতিরা উৎপাদনের প্রয়োজনে জমি, কারখানা ও কাঁচামালের মতো শ্রম শক্তিকেও কেনে। পুঁজিবাদী সমাজে শ্রম শক্তি বিক্রি করার মতো যেমন লোক থাকে তেমনই ক্রয় করার লোকও থাকে। জমি, কারখানা, কাঁচামাল কোন পণ্যই মালিকের জন্য মুনাফা সৃষ্টি করতে পারে না। তাই পুঁজিপতিরা শ্রমিকের শ্রম নির্দিষ্ট মজুরি দিয়েই ক্রয়..
বিস্তারিত
জনগণের স্বার্থের পক্ষে সম্মতি তৈরি
করবে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য
জামসেদ আনোয়ার তপন
বাংলাদেশের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, দেশ ও জনগণের প্রতিটি গভীর সংকটের মুহূর্তে শিল্পী, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। অন্যায়, শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চারণ করেছেন প্রতিবাদের ভাষা, হয়ে উঠেছেন জনগণের কণ্ঠস্বর। কিন্তু চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সেই ঐতিহ্যের এক বেদনাদায়ক ব্যত্যয়ও আমরা প্রত্যক্ষ করেছি।
সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতিনিধিত্বকারী প্রধান ধারা হিসেবে পরিচিত সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নেতারা আন্দোলনকারী জনতার পাশে না দাঁড়িয়ে শাসক দলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। শেখ হাসিনার সরকার যখন কারফিউ জারি করে দেশের মানুষকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল, যখন ‘দেখামাত্র..
বিস্তারিত
বিচ্ছিন্নতার নতুন পাঠ : নয়া-উদারবাদী
বাংলাদেশে শ্রম, শ্রেণি ও রাজনৈতিক সম্ভাবনা
কাজী মারুফুল ইসলাম
১. ভূমিকা : রূপান্তরের সন্ধিক্ষণ ও একটি রাজনৈতিক প্রশ্ন
বাংলাদেশ এই মুহূর্তে একই সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। অর্থনীতির দিক থেকে দেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের দোরগোড়ায়, যা একদিকে অগ্রগতির স্বীকৃতি, অন্যদিকে শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা হারানোর ঝুঁকি ও তীব্র বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার চাপ। তৈরি পোশাকশিল্প-নির্ভর একমুখী রপ্তানি-কাঠামো, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল ব্যাংকিং খাত এবং আইএমএফ-নির্দেশিত সংস্কার (বিনিময় হার নমনীয়করণ, রাজস্ব সম্প্রসারণ, ভর্তুকি হ্রাস, আর্থিক শৃঙ্খলা) মিলিয়ে নয়া-উদারবাদী পুনর্গঠনের চাপ আজ সবচেয়ে তীব্রভাবে এসে পড়ছে সেই বিপুল অনানুষ্ঠানিক ও অনিশ্চিত শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর..
বিস্তারিত
এখনই সময় মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াবার
শ. ম. কামাল হোসেন
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে দেখে থাকে। এই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি ফ্যাসিবাদী কর্তৃত্ববাদী শাসনের যেমন পতন ঘটেছে, তেমনই রাজনীতিতে এসেছে গুণগত পরিবর্তন। পাশাপাশি রাজনীতিতে একটি শূন্যতাও তৈরি হয়েছে। এই অভ্যন্তরীণ শূন্যতা বাম-গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো কাজে লাগাতে পারেল একটি নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ সম্ভব হবে। নয়তো এই জায়গা দখল করে নেবে চরম ফ্যাসিবাদী উগ্র সাম্প্রদায়িক দক্ষিণপন্থি শক্তি।
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটে শ্রমিক, কৃষক ও মেহনতি মানুষের অধিকার রক্ষা এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে বামপন্থি ও কমিউনিস্ট শক্তিগুলোর..
বিস্তারিত