সরকার কেন মালিকের হয়ে
শ্রমিকস্বার্থ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়?
আবু তাহের খান
এ দেশের শিক্ষিত-সচেতন মানুষদের অনেকেই ইংরেজবিরোধী ‘স্বদেশী আন্দোলনে’র কথা জানেন। তাদের অনেকে এ নিয়ে কখনো কখনো কথাও বলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেসব কথা ও আলোচনায় এ তথ্য খুব কমই ওঠে আসে যে, উক্ত স্বদেশী আন্দোলনে শ্রমিক শ্রেণির ভূমিকাই ছিল সবচেয়ে বেশি সংগঠিত। একইভাবে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদসহ ইংরেজবিরোধী অন্যান্য আন্দোলন-সংগ্রামেও এ দেশের শ্রমিকেরা সামনের সারিতে থেকে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। কিন্তু উপমহাদেশের ইতিহাস ও রাজনীতির আলোচনায় তাদের সেসব অবদানের কথা খুব সামান্যই ওঠে এসেছে। আর সে কারণেই বর্তমান প্রজন্মের অধিকাংশের কাছে এ বিষয়টি..
বিস্তারিত
ব্যবস্থা বদলের সংগ্রামের মধ্য দিয়েই কৃষকের মুক্তি
আবিদ হোসেন
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় কৃষিপণ্য বিক্রিতে ধলতা নেওয়া বন্ধ করা, ফসলের লাভজনক মূল্য নিশ্চিত, ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র ও শস্য বিমা চালুসহ মোট আট দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা।
সার-ডিজেল-বীজ-কীটনাশক-বিদ্যুতের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। যা পেঁয়াজ, রসুন, ধান, পাট, আলুসহ অন্যান্য ফসলের দাম বৃদ্ধির অনুপাতের চেয়ে বেশি। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষকসহ সাধারণ মানুষ।
ধান, পাট, আলু, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ফসল হাটবাজারে বিক্রি করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত কৃষককে প্রতারণার শিকার হতে হচ্ছে। হাটে পেঁয়াজসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য বিক্রি করতে গেলে মণপ্রতি অঞ্চলভেদে দুই থেকে..
বিস্তারিত
অভিজ্ঞতা থেকে শেখা
হায়দার আকবর খান রনো
[বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক উপদেষ্টা, বিশিষ্ট মার্কসবাদী তাত্ত্বিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড হায়দার আকবর খান রনো ২০২৪ সালের ১১ মে মারা যান। তার মৃত্যুবার্ষিকীকে সামনে রেখে ২০১৪ সালের ২৩ র্মাচ সাপ্তাহিক একতায় প্রকাশিত তার একটি লেখা পুনঃপ্রকাশ করা হলো।]
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা কমরেড মনজুরুল আহসান খানের একটা চমৎকার গুণ হচ্ছে এই যে, তিনি কোনো কোনো জটিল বিষয় সহজবোধ্যভাবে বোধগম্য উদাহরণ দিয়ে কখনো বা ব্যাঙ্গাত্মক ভাষায় প্রকাশ করতে পারেন। তিনি বলেছেন, ওয়ার্কার্স পার্টি কমিউনিস্ট পার্টির জায়গা..
বিস্তারিত
মুখরক্ষাও কি করতে পারবেন ট্রাম্প?
মীর মোশাররফ হোসেন

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধে গিয়ে ঘরে-বাইরে এমন তুমুল চাপের মুখে শেষ কবে কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট পড়েছিলেন, তা বলা মুশকিল। কিন্তু ট্রাম্পকে এখন এমন এক পরীক্ষা দিতে হচ্ছে, যাতে তার টেনেটুনে পাস মার্ক তোলাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সামনে মধ্যবর্তী নির্বাচন, সেখানে দুই কক্ষই হারানোর মুখে রিপাবলিকানরা। সিনেটে যদি অবস্থা বেশি খারাপ হয়, তাহলে তো অভিশংসিতই হতে হবে মুখরা প্রেসিডেন্টকে। এদিকে যে যুদ্ধ নিজেরা শুরু করার পর নিজেদেরই যুদ্ধবিরতি চাইতে হয়, সেটা ‘পরাজয়’ ছাড়া যে আর কী হতে পারে, তা সমাজবিজ্ঞানীরা ভালো বলতে..
বিস্তারিত