মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবে দাসত্বের
ও দেশ বিক্রির গোলামি চুক্তি
Posted: 14 জুন, 2026
একতা প্রতিবেদক :
আমেরিকার সঙ্গে অসম বাণিজ্য চুক্তিকে দাসত্বের ও দেশ বিক্রির গোলামি চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানিয়েছে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট।
এ চুক্তি বাতিলসহ দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে ১০ জুন সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোটের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল আলোচনায় এ দাবি জানান হয়।
জোটের শীর্ষ নেতা ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল আলোচনায় আলোচনা করেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, সিপিডি’র সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, বিজিএমইএ’র সহসভাপতি ইনামুল হক খান, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ‘চর্চা’ নিউজ পোর্টালের সম্পাদক সোহরাব হোসেন, বিসিকের সাবেক পরিচালক ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু তাহের খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা।
গোলটেবিল আলোচনায় জোটের পক্ষ থেকে সূচনা বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, এটা বাণিজ্য চুক্তির নামে বাস্তবে ট্রাম্পের আদেশপত্র। এখানে একতরফা মার্কিন স্বার্থ রক্ষিত হয়েছে।
তিনি বলেন, চুক্তি তো হয় দুই পক্ষে, এই চুক্তি দুটি পক্ষ সাজিয়ে স্বাক্ষর হলেও বাস্তবে তারা উভয়েই এক পক্ষ, মার্কিন স্বার্থ রক্ষার পক্ষের লোক। বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার কোনো লোক ছিল না। এখনও যারা সরকারে আছে এবং বিরোধী দলে বিভক্ত হয়ে আছে সেই বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি তারা সংসদে প্রতি মিনিটে ২ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা খরচ করে অপ্রয়োজনীয় অনেক বিষয় নিয়ে হৈ-চৈ করলেও বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনার ফুসরত পাচ্ছে না। এ থেকে বুঝা যায় তারা সবাই মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় একমত। জনগণের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে বিএনপি সরকারকে চুক্তি বাতিল করে প্রমাণ করতে হবে, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এর পক্ষে তারা।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে বাজার অর্থনীতিরও একটা নিয়ম আছে; চাহিদা অনুযায়ী যেখানে কমদামে পাবে সেখান থেকে পণ্য কিনবে আবার উদ্বৃত্ত পণ্য যেখানে বেশি দাম পাবে সেখান রপ্তানি করবে। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের আচরণে দেখা যায় অন্য দেশের জন্য খোলা বাজার নীতি, আমেরিকার জন্য না। তারা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার যে ভারসাম্যের নীতি তারও তোয়াক্কা করছে না।
তিনি আরও বলেন, আমেরিকা সারা দুনিয়ায় দস্যুবৃত্তি করে বেড়াচ্ছে। এর বিরুদ্ধে জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সরকারকে চুক্তি বাতিলে বাধ্য করতে হবে।
ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চুক্তির নাম দিয়েছে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক বাণিজ্য চুক্তি, বাস্তবে এটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে একতরফা চুক্তি। ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকা বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর নামে একপাক্ষিকভাবে ৫৭ দেশের উপর পালটা শুল্ক আরোপ করে। বাংলাদেশও তার মধ্যে রয়েছে।
তিনি বলেন, কিন্তু মার্কিনের কোনো মিত্র দেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেনি। বাংলাদেশসহ মাত্র ৯টি দেশ ঐ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। তাও আবার বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন শর্ত। বাংলাদেশের মতো আর কোন দেশ নতজানু হয়ে জাতীয় স্বার্থ বিকিয়ে আগ্রহী হয়ে চুক্তি করেনি। ২০ ফেব্রুয়ারি সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট শুল্ক আরোপ অবৈধ ঘোষণা করে। এর পর মালয়েশিয়া চুক্তি বাতিল করে।
তিনি বলেন, গার্মেন্টস শিল্পে লাভ হবে বলে অনেক কথার ফুলঝুরি থাকলেও বাস্তবে চুক্তি পোশাক শিল্পের জন্য অশনি সংকেত। শ্রমিক বেকার হবে। এই চুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির করার আগে ধারার শর্ত ঠিক করার জন্য অনেক অর্থনীতিবিদ, বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী নিয়োগ করেছিল। কিন্তু বাংলাদেশ কারো সাথে কথা বলেনি, গোপনীয়তার অজুহাতে।
মোশাহিদা সুলতানা বলেন, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট যে শুল্ক আরোপ অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করলো সেটা মার্কিন ব্যবসায়ীরা শুল্ক নীতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সেজন্য পালটা মামলা করেছিল বলে। বাংলাদেশ সরকার জুন ২০২৫ সালে গোপনীতার চুক্তি করে, সেটা ফাঁস করে দেওয়ায় এনবিআরের একজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত ও জেলে পুরেছিল। এর অজুহাতেই সরকার চুক্তি জনসম্মুখে প্রকাশ করছে না। চুক্তি এখনও রেটিফাই হয়নি; তার আগেই ক্রয় চুক্তি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ভারতীয় আধিপত্য বন্ধ করার দাবিতে মানুষ শ্লোগান দিয়েছে এখন মার্কিন আধিপত্য তৈরি হয়েছে। জ্বালানি বিষয়ে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে তাতে মার্কিনের জ্বালানি আধিপত্য রক্ষার কথা বলা হয়েছে। এখন নতুন করে সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান-উত্তোলনের জন্য টেন্ডার হয়েছে, ১৫ মে যে জ্বালানি সমঝোতা স্মারক সই করেছে তার মাধ্যমে বিদেশি কোম্পানি লাভবান হবে।
তিনি বলেন, প্রথমে চুক্তি বাতিল করতে হবে। নীতি প্রণয়নে আমাদের বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করতে হবে।
সোহরাব হোসেন বলেন, অনেকে মনে করেন বামেরা বিভক্ত, শক্তি নাই, সংসদে নাই। কিন্তু জনগণের পক্ষে জাতীয় স্বার্থে বামেরাই রাজপথে সোচ্চার আছে। অতীতেও ছিল, এখনও আছে।
তিনি বলেন, এই চুক্তি অধিনতার, দাসত্বের, এটা মানা যাবে না। বর্তমানে সরকারি দল বিরোধী দল সবাই এক, সেটা হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অখুশী হবে এমন কিছু করা যাবে না। প্রমাণ এক বেসরকারি ব্যাংক নিয়ে মুলতবী প্রস্তাবে সংসদে ১ ঘণ্টা আলোচনা হয় অথচ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বাঁচা-মরার সমস্যা যেখানে সেই বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিএনপি, জাতায়াত, এনসিপি কেউ কথা বলছে না।
তিনি বলেন, একজন উপদেষ্টা বলেছেন চুক্তির আগেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়া হয়েছিল আমেরিকা থেকে গম কেনার জন্য। আমেরিকা তো চীনের উপরও ১৪৫% শুল্ক আরোপ করেছিল। কিন্তু পরে তা কমাতে বাধ্য হয়েছে।
আবু তাহের খান বলেন, এইটাকে বাণিজ্য চুক্তি না বলে কর্পোরেট পুঁজি চালিত রাজনৈতিক চুক্তি বলাই ভাল। এই চুক্তির ফলে আমাদের কৃষি ধ্বংস হবে, শিল্প গড়ে উঠবে না। বিদেশি পণ্যের বাজারে পরিণত হবে দেশ। বাণিজ্যের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র আসলে বঙ্গোপসাগরে তার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
তিনি বলেন, তুরস্কের লোকজন ঘন ঘন বাংলাদেশে আসছে। তারা এখানে সমরাস্ত্র কারখানা করতে চায়। ছোট দেশ এখানে অনেক দেশের ইপিজেড গড়ে তোলা হচ্ছে যা সংকট তৈরি করবে।
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে গত ১০ বছরে যে বিমান দুর্ঘটনা হয়েছে তার বেশির ভাগ বোয়িং; ফলে বোয়িং কোম্পনির বিমান কিনে আমাদের বাংলাদেশ বিমান তথা বাংলাদেশকে বিপদে ফেলার পাঁয়তারা ঠেকাতে হবে।
তিনি বলেন, কেউ কেউ বলছেন চুক্তি হয়েছে এখন কি করা যাবে। কিন্তু চুক্তির ৬নং ধারায় আছে ২ মাস পূর্বে নোটিশ দিয়ে যে কোন পক্ষ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে। বাংলাদেশ সরকার সেই পথ অনুসরণ করুক এটা আমাদের প্রত্যাশা।
ইনামুল হক খান বলেন, আমি বিজিএমইএ’র প্রতিনিধি হিসেবে এখানে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছি। আমরা ব্যবসায়ী, বুঝতেই পারেন, আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। ব্যক্তিগতভাবে হলে হয়তো চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে কিছু বলতে পারতাম। বিজিএমইএ’র প্রতিনিধি হিসেবে সেটা বলতে পারছি না।
তবে এইটুকু বলতে চাই, গার্মেন্টস দেশের প্রধান রপ্তানিমূলক শিল্প খাত। ৪০ লক্ষ শ্রমিক এখানে নিয়োজিত যার মধ্যে ৭০% নারী শ্রমিক। বছরে ৮ থেকে ৯ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় হয় এখাত থেকে। আমাদের প্রতিযোগি আছে ভারত, চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া প্রভৃতি দেশ।
তিনি বলেন, চুক্তি সমর্থন বা বিরোধীতা নয় জাতীয় স্বার্থ, জাতীয় শিল্প ও দেশের শ্রমিকদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। এ জন্য এককভাবে না সকল বিশেষজ্ঞ ও স্টেক হোল্ডারদের সাথে আলোচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।
সভাপতির বক্তব্যে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের সর্বনাশ করে গেছে। তারা দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করেছে এবং বিদেশিদের স্বার্থ রক্ষা করেছে।
তারা এক সাম্রাজ্যবাদের কবল থেকে আরেক সাম্রাজ্যবাদের হাতে দেশকে সঁপে দিয়েছে। শ্রম আইন সংশোধন করে বিদেশি কোম্পানির স্বার্থ রক্ষা করেছে। মুনাফার ৫% শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে দেওয়ার কথা ছিল শ্রম আইনে, সেটা সংশোধন করে ১.৫% শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে দেওয়ার আইন করেছে।
ফিরোজ বলেন, উপদেষ্টাদের অনেকেই বলছে বাণিজ্য চুক্তি সম্পর্কে তারা জানে না। কিচেন কেবিনেটে সিদ্ধান্ত হতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে। সবকিছুতেই তাদের ছিল অত্যন্ত গোপনীয়তা, জনগণ জেনে গেলে তারা সেটা করতে পারবে না। তাই তাদের যারা ক্ষমতায় বসিয়েছিল তারা গোস্যা করলে বিপদ হতে পারে এজন্যই তারা জনগণকে তো নয়ই এমনকি কেবিনেট সদস্যদেকেও জানায়নি।
ফিরোজ বলেন, মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবে দাসত্বের চুক্তি; দেশ বিক্রির গোলামী চুক্তি। এই চুক্তি বাতিলের এর সাথে নিউ মুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার পাঁয়তারা বন্ধ এবং জাতীয় স্বার্থ বিরোধী পিএসসি বাতিলের দাবিতে সকল বাম-প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সংগঠকনকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শুধু নয়, সারা দুনিয়াই চলছে পুঁজিবাদী মুক্তবাজারী অর্থনীতির নিয়মে। ফলে পুঁজির তো ধর্ম মুনাফা, যেখানে মুনাফা সেখানেই যাবে পুঁজি। বাজার দখলের জন্য ২টি বিশ্বযুদ্ধ হয়েছে। আমেরিকার অর্থনীতি এখন সামরিক অর্থনীতি ফলে তা টিকিয়ে রাখতে রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতেই আজ দখল, আগ্রাসন, লুণ্ঠন, খণ্ডযুদ্ধ, আঞ্চলিক যুদ্ধ তাকে করতে হচ্ছে।
যে জন্য মাদুরোকে সস্ত্রীক অপহরণ, ফিলিস্তিনে গণহত্যা, ইরানে হামলা, চীনকে ঠেকাতে বঙ্গোপসাগর নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশকে তার পক্ষে চাই। ফলে একদিকে অর্থনীতির ক্ষতি, অন্যদিকে সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে এই চুক্তির ফলে।
তিনি গোলটেবিল থেকে নিম্নোক্ত দাবি তুলে ধরেন এবং সরকারকে মানতে বাধ্য করতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
(১) সংবিধানের ১৪৫ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অবিলম্বে^ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনা করে চুক্তি বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হোক। একই সাথে দেশ বিক্রির গোলামি চুক্তির সাথে জড়িত ড. ইউনূস, ড. খলিলুর রহমানসহ সকলকে বিচারের আওতায় আনা হোক।
(২) অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কার্যক্রমের শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হোক।
(৩) বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি জনসম্মুখে প্রকাশ করে জাতীয় স্বার্থ বিরোধী সকল চুক্তি বাতিল করতে হবে।
(৪) নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ড বা কোনো বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়ার পাঁয়তারা বন্ধ কর। লালদিয়া ও পানগাঁও টার্মিনাল ইজারা চুক্তি বাতিল কর।
(৫) দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা চুক্তি এঝঙগওঅ, অঈঝঅ এর নামে বাংলাদেশের বন্দর, বিমান ঘাটি মার্কিনীদের ব্যবহার করতে দেওয়ার পাঁয়তারা বন্ধ কর। বাংলাদেশেকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ঘাঁটি করতে দেওয়া হবে না।