যশোরে সিপিবি নেতা রহিমের ওপর হামলায় ক্ষোভ ও প্রতিবাদ

Posted: 19 এপ্রিল, 2026

একতা প্রতিবেদক : সিপিবি যশোর জেলার নেতা, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং যশোর ফুল উৎপাদক ও সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিমের ওপর সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। গত ১৫ এপ্রিল এক বিবৃতিতে সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর মানুষের আকাক্সিক্ষত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলেও সেই ফ্যাসিস্ট আমলের দখলদারিত্ব এখনো বন্ধ হয়নি। সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়ন শুরু করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসে সারাদেশে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, মব সন্ত্রাসে মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ছিল। এর ধারাবাহিকতায় মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। অবিলম্বে চাঁদাবাজ, দখলবাজ সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসীদের দমন করতে না পারলে সাধারণ মানুষ দ্রুতই বিগত দিনের মত সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। কৃষক নেতা কমরেড আব্দুর রহিম দীর্ঘদিন ধরে উন্নত মানের ফুল উৎপাদন, ফুল চাষীদের আধুনিক প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ, সারাদেশে ফুল উৎপাদন একটি অন্যতম খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই কর্মকাণ্ডে স্বার্থান্বেষী মহল দীর্ঘদিন ধরেই ষড়যন্ত্র করে আসছে। তারই অংশ হিসেবে গত ১৩ এপ্রিল সরকার দলীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা হামলা করে তাকে ব্যাপক মারধর করেন। কমরেড আব্দুর রহিম ঝিকরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এই ঘটনায় স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলেও সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে কমরেড আব্দুর রহিমের ওপর হামলাকারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি কৃষক সমিতির পৃথক এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অ্যাড. এস এম এ সবুর ও সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন কৃষক নেতা আব্দুর রহিমের ওপর সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানান ও সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসে সারাদেশে চাঁদাবাজি, দখলদারত্ব, মব সন্ত্রাসে মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ছিল। মানুষের আকাক্সিক্ষত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলেও সেই ফ্যাসিস্ট আমলের দখলদারিত্ব এখনো বন্ধ হয়নি। সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়ন শুরু করেছে। এর ধারাবাহিকতায় আব্দুর রহিমের ওপরও সন্ত্রাসীরা হামলা করে তাকে ব্যাপক মারধর করে। নেতৃবৃন্দ এই হামলাকারীদের চিহ্নিত করে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।