গণতন্ত্রের সংকট এখনো বিদ্যমান
Posted: 19 এপ্রিল, 2026
দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬। নির্বাচনে বিএনপি উপনির্বাচনসহ ২১১ আসন নিয়ে সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠন করে তার কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে একক ক্ষমতা কেন্দ্র মানুষ প্রত্যক্ষ করেনি। বহু কেন্দ্র থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার হচ্ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার, বিএনপি, জামাত, এনসিপি সমান্তরালভাবে ক্ষমতাকে ব্যবহার করেছে। প্রশাসন ও মানুষকে সমীহ করে চলতে হয়েছে এদেরকে। দেশে চলছিল নৈরাজ্য, মব সন্ত্রাস সরকারের কৌশলের অংশ হয়ে উঠেছিল। মানুষ জান-মালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিল। নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পর ক্ষমতার একক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। বিএনপি সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়যুক্ত হলেও ক্ষমতাকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রেক্ষিতে সংহত করতে পারছে না, পারাও কঠিন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে যে বাণিজ্য চুক্তি অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টার নেতৃত্বে হয়েছে, তা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌম, অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এই ‘এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ একটি শুধু বাণিজ্য চুক্তি নয়, এটা আমেরিকার সাথে আমাদের দেশের রণনীতিগত চুক্তি। চীন, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্যসহ-দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক করতে গেলে আমেরিকার অনুমতি নিতে হবে। যে ব্যক্তি এই গণবিরোধী চুক্তি করেছে সে নির্বাচিত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রী। বিএনপি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেও ভেতরে চূড়ান্ত আপসের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বলে মানুষের ধারণা। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তির নতুন বিন্যাস দেশের রাজনীতিতে এই অবস্থার সৃষ্টি করেছে।
ইরানের ওপর আমেরিকা-ইসরাইলের আগ্রাসন, চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধ বিশ্বে জ্বালানি সংকট তীব্র করেছে, আমাদের দেশে এ সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। জ্বালানি সংকট উৎপাদন, পরিবহন, মানুষের জীবনসহ সমগ্র অর্থনীতিকে মহাবিপদের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। আবার অন্যদিকে, রাশিয়া, ভারত থেকে তেল আমদানিতে আমেরিকার অনুমতি প্রয়োজন হচ্ছে। হামে শিশুমৃত্যু ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে ক্ষমাহীন অব্যবস্থা এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামছে না। দ্রব্যমূল্যের আরও বৃদ্ধি মানুষের জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলেছে। শ্রম বাজারে চাকরি নাই। বেকারের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের শ্রম বাজার সংকুচিত হয়ে পড়ছে। মুদ্রাস্ফীতি ৯% এর ওপরে। মব সন্ত্রাস এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। মাজার, ভাস্কর্য, উদীচী, ছায়ানট, প্রথম আলো, ডেইলি স্টারে হামলা ও আগুন দেওয়ার আসামিদের পরিপূর্ণভাবে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হয়নি। কিন্তু সংসদে দায়মুক্তির অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে। সরকার দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছে।
সংসদ চলছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩ অধ্যাদেশ নিয়ে বিতর্ক হয়েছে এবং চলছে। সংস্কার না সংশোধন–এই বিতর্ক অব্যাহত। কিছু ইতিবাচক অধ্যাদেশ বিএনপি সরকার বাতিল করেছে। যা রাষ্ট্রের গণতন্ত্রায়ণের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করবে। সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বিচার বিভাগের সর্ব পর্যায়ে বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীন সচিবালয়, যা গঠিত হয়েছিল তা বাতিল করেছে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে এর বাজেটসহ গৃহিত কার্যক্রম আইন ও বিচার বিভাগের কাছে হস্তান্তরিত হবে–এ আইন পাস করেছে বিএনপি সরকার। মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল : আগের আইনে ফেরার মধ্য দিয়ে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগের বাছাই কমিটিতে আবার সরকারের প্রভাব বাড়বে। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে কমিশন তদন্ত করার ক্ষমতা হারাবে, কিছু ক্ষেত্রে কমিশনের স্বাধীনতা কমবে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা কমবে। “নিয়োগের জন্য বাছাই কমিটিতে পরিবর্তন এনেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। অধ্যাদেশে বলা ছিল, বাছাই কমিটির সভাপতি হবেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক। সদস্যদের মধ্যে থাকবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সরকারি দলের একজন সদস্য, বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, একজন নাগরিক প্রতিনিধি, একজন সাংবাদিক প্রতিনিধি এবং একজন ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর প্রতিনিধি” (২৬ এপ্রিল ২০২৫, প্রথম আলো)। স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা সংকুচিত করছে বিএনপি সরকার। জনপ্রতিনিধিকে ইচ্ছামতো বরখাস্তের সুযোগ রেখে দিচ্ছে বিএনপি সরকারও। স্থানীয় সরকার, এমপি মূলত আমলা নিয়ন্ত্রিত সরকার হবে, যা গণতান্ত্রিক ক্ষমতায়নের অন্তরায়। স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন রাজনীতিকে তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া, নিচের থেকে রাজনৈতিক কর্মী গড়ে তোলা এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গণতন্ত্রকে সাসটেইনেবল করার জন্য জরুরি। যার ব্যত্যয় ঘটাচ্ছে বর্তমান জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকার। বিএনপির বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, মানবাধিকার কমিশনের ক্ষমতাকে সংকুচিত করা এবং স্থানীয় সরকারকে এমপি ও আমলানির্ভর করার পদক্ষেপ, সুশাসন ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। যা সরকার, রাষ্ট্র ও প্রশাসনকে অতীতের মতো স্বৈরাচারী এবং দলকে চরম জনবিচ্ছিন্ন করে তুলবে। এটা হলো লুটেরা শাসকশ্রেণির সাথে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ও ক্ষমতায়নের যে লড়াই বছরের পর বছর চলছে তারই প্রতিফলন। এটাই হলো বিএনপির শ্রেণি সীমাবদ্ধতা।
নির্বাচন হয়েছে, সংসদ ও সরকার গঠিত হয়েছে কিন্তু গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার সংকট এখনো কাটেনি। এদেশের জনগণের ভোটাধিকার, গণতন্ত্র বারবার নির্বাসনে পাঠিয়েছে লুটেরা শাসকশ্রেণির দলগুলো। দেশের গণতন্ত্রের সংকট, রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে শাসকশ্রেণির লুটেরা দলসমূহ, জনগণ নয়। জনগণ বারবার রক্ত দিয়েছে পাকিস্তান আমল থেকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সমাজের বৈষম্য মুক্তির জন্য। চব্বিশে গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে এবং নির্বাচনও হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রের শ্রেণি চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
বর্তমানে পার্লামেন্টে যে শক্তিগুলো আছে তারা প্রকৃত গণতান্ত্রিক শক্তি নয়। সংসদে যারা গিয়েছে তারা সবাই মুক্তবাজারপন্থী দল। মুক্তবাজারের প্রশ্নে, সাম্রাজ্যবাদের প্রশ্নে তাদের মধ্যে কোনো নীতিগত বিরোধ নেই। আর সংসদের বিরোধী দল ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক, মধ্যযুগীয় ধ্যান-ধারণায় বিশ্বাসী। ভাবাদর্শিকভাবে স্বাধীনতাবিরোধী দল। আর্থ-সামাজিক-রাষ্ট্রের শ্রেণি স্বার্থের বিরোধীতা করে এমন কোনো বিরোধী দল সংসদে নেই। নীতিগত বিরোধী দল আছে, সংসদের বাইরে। কিন্তু সেই বাম গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল শক্তি, মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে আপসহীন শক্তি আছে সংসদের বাইরে। তারা আপাতত বিচ্ছিন্ন, বিক্ষিপ্ত ও দুর্বল। দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক মুক্তি, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারে বাম গণতান্ত্রিক ও মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে আপসহীন শক্তির সুদৃঢ় ঐক্য ও লড়াই সংগ্রাম। যেই ঐক্য গড়ে তোলা খুবই প্রয়োজন এবং জরুরি। নাহলে এর সুযোগ নেবে শাসকশ্রেণির দলগুলোর আরও প্রতিক্রিয়াশীল, ধর্মান্ধ ও সাম্প্রদায়িক শক্তি ও দল।
নতুন সংবিধানের নাম করে তার অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল মূলনীতিকে বাদ দেয়ার যে পাঁয়তারা চলছে চব্বিশ্বের জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদের নামে, তা দেশ ও জাতিকে ভাবাদর্শিকভাবে বিভক্ত ও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ও দিয়েছে। তাই আমরা বামপন্থীরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করিনি এবং এটা চূড়ান্তভাবে কর্তৃত্ববাদী এবং স্বৈরাচারী সনদ। ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে জুলাই জাতীয় সনদের খসড়ার অঙ্গীকার অংশে কিছু পরিবর্তন এনেছে জাতীয় ঐক্যমত কমিশন। নতুন সমন্বিত খসড়ায় জুলাই সনদকে বিশেষ মর্যাদা ও আইনে ভিত্তি দেয়ার কথা বলা হয়েছে। খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, জনগণের সর্বজনীন অভিপ্রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। তাই এই সনদ প্রচলিত আইন বা আদালতের রায়ের ওপর প্রাধান্য পাবে; এজন্য একটি বিশেষ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সূত্র জানায়, খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, জুলাই সনদের কোনো শব্দ, বাক্য ও নীতিমালা বিদ্যমান সংবিধান বা অন্য কোনো আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে সেক্ষেত্রে সনদই প্রাধান্য পাবে। সনদের বৈধতা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না’ (১৪ আগস্ট ২০২৫, প্রথম আলো)। এই নিয়ে তথাকথিত গণভোট হয়েছে, যা ছিল অপ্রয়োজনীয়। এটার কার্যকারিতা নিয়ে সংসদে বিতর্ক চলছে। জামাত-এনসিপি ও ১১ দলীয় ইসলামী জোট এটা (জুলাই সনদ) কার্যকরি করার জন্য হুমকি দিয়ে রাজপথেও নেমেছে।
একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হয়েছে। বিএনপির সরকার গঠন করেছে। কিন্তু ক্ষমতা সংহত করতে পারেনি, পারছে না। বিশেষ করে নির্বাচনের পূর্বে ৯ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার সাথে দেশ ও গণবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি গলার কাটা হিসেবে বিরাজ করছে। যদিও পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, এই চুক্তি সম্পর্কে বিএনপি ও জামাত জানত। নানা আন্তর্জাতিক শক্তির তৎপরতা অব্যাহত আছে। লুটেরা ‘অলিগার্কিক’ শক্তির সাথে আপস করছে বিএনপি। এতে তার জনবিচ্ছিন্নতা বাড়ছে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান মাঠে মারা যাচ্ছে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-যার প্রত্যাশা জনগণের মধ্যেও রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ভূ-রাজনীতির কারণে তা সুদূর পরাহত বলে মনে হয়।
এখনো জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বিপদমুক্ত নয়। দেশে উগ্র সাম্প্রদায়িক, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রবিরোধী শক্তির অপতৎপরতা ও মব সন্ত্রাস অব্যাহত আছে, লুণ্ঠিত অস্ত্র এখনো পরিপূর্ণভাবে উদ্ধার হয়নি। তাই দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ার লড়াইয়ে বাম গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল শক্তিকে সমাজ ও রাজনীতির বিকল্প শক্তি সমাবেশ এবং বিকল্প ক্ষমতাকেন্দ্র গড়ে তুলতে রাজপথে নামতে হবে। সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইকে জোরদার করতে হবে। আওয়াজ তুলতে হবে :
আমেরিকার সাথে অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক সম্পাদিত দেশবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিহত-প্রতিরোধ, সংস্কারে নিজস্ব বক্তব্য উত্থাপন, স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা সংকুচিত করার পাঁয়তারা বন্ধ, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানরে সময় সকল ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিচার, সরকার ও বিরোধী দল এবং সামাজিক দুর্বৃত্তদের চাঁদাবাজি-লুটপাট-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা, বিদ্যুৎ, সার সরবরাহের নিশ্চয়তা প্রদান, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ-ইসরায়েলের মধ্যপ্রাচ্যে হামলা ও আগ্রাসী তৎপরতা, পৃথিবীব্যাপী সাম্রাজ্যবাদের আগ্রাসন, জনজীবনের সংকট, ডিপস্টেটের তৎপরতা উন্মোচন, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডের শ্বেতপত্র প্রকাশের আন্দোলনে রাজপথে নামা আজ সময়ের দাবি।
লেখক : সাবেক সভাপতি, সিপিবি, কেন্দ্রীয় কমিটি