ময়মনসিংহ সদরে এমদাদুল হক মিল্লাত

Posted: 25 জানুয়ারী, 2026

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪, সদর আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-র প্রার্থী হয়েছেন অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত। কমরেড মিল্লাত এর আগেও দুইবার ময়মনসিংহ পৌরসভায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিলেন। তাঁর জন্ম ১৯৬১ সনের ১২ জুন ময়মনসিংহে। গ্রামের বাড়ি নান্দাইল উপজেলার রাজাপুর গ্রামে, তবে বেড়ে উঠা ও বসবাস শহরেই। স্কুলে থাকার সময়ই ১৯৭৩ সালে তিনি নান্দাইলে খেলাঘর ও ছাত্র ইউনিয়নের কাজে জড়িয়ে পড়েন। তিন বছর পর মিল্লাত বাংলাদেশ সোভিয়েত-মৈত্রী সমিতি, নান্দাইলের খারুয়া শাখার প্রচার সম্পাদক হন। সংগঠনের কাজ করার সময়ই ১৯৭১ সালে তিনি প্রথমবার কারারুদ্ধ হন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় বেশ কয়েকবারই হুলিয়া মাথায় নিয়ে আত্নগোপনে চলে যান মিল্লাত। ১৯৭৬ সনে গ্রেফতার হন তিনি। ১৯৭৯ সালে তিনি ছাত্র ইউনিয়ন আনন্দমোহন কলেজের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিও হন। ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদকও। আনন্দমোহন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর শেষে তিনি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সার্বক্ষণিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এর আগে ১৯৮১ সালে তিনি সিপিবির সদস্যপদ লাভ করেন। মিল্লাত ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৩ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি, ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদকেরও দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময়েই তিনি সিপিবি জেলা কমিটিতেও নির্বাচিত হন। এরপর ময়মনসিংহ ল’কলেজ থেকে এলএলবি সমাপ্ত করে আইন পেশায় যোগদান এবং পাশাপাশি রাজনীতিতে নেতৃত্ব গ্রহণ করে সক্রিয়ভাবে পার্টি গড়ার কাজে আত্ননিয়োগ এই কমরেডের। ১৯৯৩ সালেই তিনি জেলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে হন সভাপতি। সিপিবির হয়ে তিনি ১৯৮৫ সালে মস্কোতে ১৫ দিন এবং একই বছর কিউবাতে ১০ মাস প্রশিক্ষণ নেন। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির হয়ে ২০১৬ সালে তিনি ১৮ দিনের জন্য চীন যান। এর বাইরেও তিনি ভারত ও নেপাল সফর করেছেন। এর বাইরেও তিনি মুসলিম ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, নাগরিক আন্দোলন, গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, খগেশকিরণ তালুকদার স্মৃতি ট্রাস্ট ও গৌতম ব্রহ্ম স্মৃতি ট্রাস্টসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।