মুক্তিযুদ্ধের স্মারক সম্বলিত দেয়াল ভেঙে ফেলায় বামপন্থিদের ক্ষোভ

Posted: 06 জুলাই, 2025

একতা প্রতিবেদক : রাজধানীর বিজয় সরণিতে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মারক সম্বলিত দেয়াল ভেঙে ফেলায় নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোটে। গত ৩০ জুন এক যৌথ বিবৃতিতে বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, সিপিবি সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, বাসদ (মার্কসবাদী)-এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মাসুদ রানা, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী বলেন, ২০২৪ এর গনঅভ্যুত্থানের স্মৃতি স্মারক নির্মাণ করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া ও রাজধানীতে উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। কিন্তু রাজধানীর বিজয় স্মরণীতে ‘মৃত্যঞ্জয়ী প্রাঙ্গন’ এ বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের থেকে শুরু করে ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে তৈরি সাতটি স্মারক দেয়াল ভেঙে ফেলে ঐ স্থানে ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের স্মারক নির্মাণ কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অন্যতম ভিত্তি, এটা একদিনে সংগঠিত হয়নি। ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রাম থেকে শুরু করে ৫২ ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় অসংখ্য সংগ্রামের শেষ পর্বে ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ। নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই আগস্ট ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান ১৯৭১ সালের চেতনারই ধারাবাহিকতা। মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এই ধারাকে অগ্রসর করা যাবে না। বিবৃতিতে বিজয় সরণিতে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক রক্ষা এবং অন্য স্থানে ‘২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের স্মারক নির্মাণ এর দাবি জানান হয়। বিবৃতিতে ‘সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সম্বলিত সকল স্মারক যথাযথ যোগ্যতায় সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের আহ্বান জানান হয় সিপিবি : বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স আজ ৩০ জুন ২০২৫, সোমবার এক বিবৃতিতে রাজধানীর বিজয় সরণিতে ‘মৃত্যঞ্জয়ী প্রাঙ্গন’-এ বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের থেকে শুরু করে ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে তৈরি সাতটি স্মারক দেয়াল ভেঙে ফেলায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অন্যতম ভিত্তি ও অহংকার। এটা একদিনে সংগঠিত হয়নি। বৃটিশবিরোধী সংগ্রাম থেকে শুরু করে ‘৫২-এর ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় অসংখ্য সংগ্রামের শেষ পর্বে ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ। ঐ মুক্তিযুদ্ধের স্মারক মুছে ফেলে সেখানে জুলাই অভ্যুত্থানের স্মারক নির্মাণের যে কথা শোনা যাচ্ছে তা অত্যন্ত বিব্রতকর এবং তা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাবিরোধী। জুলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পথে উত্তরণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তা শুধু বাংলাদেশে নয় সারা পৃথিবীর গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য স্মরণীয় এবং ফ্যাসিস্ট স্বৈরশাসকদের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে থাকবে।