পরীমনির উপর্যুপরি রিমান্ড এবং আইনের শাসনের প্রশ্ন

Posted: 12 সেপ্টেম্বর, 2021

অবশেষে দেশের বহুল চর্চিত, মথিত, কথিত ‘পরীমনি-কাণ্ডের’ এক পর্বের আপাতঃ সুরাহা হয়েছে। এই সুরাহার আলোচনায় সুরাহার চেয়ে সুরা নিয়েই আলোচনা হয়েছে বেশি। তিন দফা রিমান্ড শেষেও জামিন মেলেনি চিত্রনায়িকা শামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনির। বনানীর বাসা থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে এ প্রজন্মের এ নায়িকাকে। তবে এ-সংশ্লিষ্ট মাদকের মামলায় অন্যান্য আসামিরা বিভিন্ন সময় জামিনপ্রাপ্ত হলেও পরীমণির ক্ষেত্রে ঘটেছে ব্যতিক্রম। এরপর আইনি প্রক্রিয়ার এক পর্যায়ে মহামান্য হাইকোর্টের আদেশে জামিন পায় চিত্রনায়িকা পরীমনি। ক্ষয়িষ্ণু ঢাকাই সিনেমা জগতের এই নায়িকার মাদকের মামলায় গ্রেফতার এবং তার উপর্যুপরি রিমান্ড দেশের আইনের শাসনের প্রসঙ্গকে রাজনীতি সচেতন মানুষকে এক ভিন্ন আঙ্গিকে হাজির করেছে। বিশেষ করে, যখন মহামান্য হাইকোর্ট চিত্রনায়িকা পরীমনির দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা রিমান্ডের যৌক্তিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের রায় অনুসরণ না করে রিমান্ডে নেয়ার ঘটনায় বিচারিক আদালতের ব্যাখ্যা ও নথি (কেসডকেট সিডিসহ) তলব করে এবং একই সঙ্গে দুই তদন্ত কর্মকর্তাকে (আইও) আগামী ১৫ সেপ্টম্বর সশরীরে আদালতে উপস্থিত হতে বলে। এখানে আরও উল্লেখ করার মতো বিষয় হলো, নায়িকা পরীমনিকে তিন দফায় রিমান্ডের আদেশ দেয়ায় সংশ্লিষ্ট বিচারকের কাছে ব্যাখ্যাও চেয়েছেন উচ্চ আদালত। গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২১ বৃহস্পতিবার এক আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের মাননীয় বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম এবং মাননীয় বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। হাইকোর্টের এ জুডিশিয়াল এক্টিভিজম অথবা স্বপ্রণোদিত ভূমিকা দেশের আইনের শাসনের প্রশ্নে নাগরিকদের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অপরদিকে, চিত্রনায়িকা পরীমনির এই দফায় দফায় রিমান্ড এবং জামিন আবেদন নাকচ দেশের বিচারিক আদালতের বিরাট দুর্বলতা এবং এর ওপর দেশের লুটেরা ধনিক গোষ্ঠী ও তাদের একান্ত অনুগত আমলাতন্ত্রের বিরাট প্রভাবকে নগ্নভাবে সামনে এনেছে। এর ফলে রাষ্ট্রের ব্যাপক দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাতন্ত্র এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক শাসকশ্রেণির নোংরা চেহারা দেশের সাধারণ জনগণের সামনে আবারো প্রকটভাবে উন্মোচিত হয়েছে। যদিও অতীব নির্লজ্জ এইসব রাজনীতিকরা দেশে বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থায় জনগণের প্রতি নিপীড়নভিত্তিক উপাদানকে চিহ্নিত না করে, এই ব্যবস্থার বাই-প্রোডাক্ট এবং ভিকটিম চিত্রনায়িকা পরীমনির ওপর ‘মরাল পুলিশিং’ চালিয়েছে এবং তার ওপর বারবার পুরুষতান্ত্রিক আক্রমণ চালিয়ে তাঁকে প্রকান্তরে বিবস্ত্র করেছে। তবে গ্রাম থেকে উঠে আসা এই সম্ভাবনাময় পল্লীবালা পরীমনি জামিনে মুক্তি লাভের পর মেহেদীর রঙয়ে ‘ ডোন্ট লাভ মি-বিচ’ লেখা অভিমান ও প্রতিবাদের চিত্রে লৈঙ্গিক বিদ্বেষের বিরুদ্ধে জোরদার এক সামাজিক বার্তা দিয়েছেন। আমাদের গতানুগতিক নারী আন্দোলন কিংবা চলতি হাওয়ার রাজনীতি এই বার্তা যথাযথভাবে ধরতে না পারলেও দেশের বিরাট এক তরুণ সমাজ সেই বার্তাকে সময়মতো ধরতে পেরেছে এবং একে নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে এক স্লোগানে পরিণত করতে পেরেছে। শুধু তাই নয়, মরাল পুলিশিং এর বিরুদ্ধে এই সব প্রতিবাদী নারীরা এবং তাঁদের সহযোগী তরুণরা নিপীড়ন বিরোধী এই সংহতি আন্দোলনকে এক বিরাট নেটওয়ার্কে পরিণত করেছে। এই নেটওয়ার্ক ক্রমান্বয়ে এতোটাই সবল হয়ে উঠছিলো যে, রাষ্ট্র এক ঝাঁকুনির মধ্যে পতিত হয়েছিলো। কোভিড পরিস্থিতির কারণে রাজপথে এর উত্তাপ পুরোটা টের না পাওয়া গেলেও রাষ্ট্রের ক্ষমতা কাঠামোর কুশীলবগণ তাদের গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের সূত্রে এই উত্তাপ প্রায় সম্পূর্ণরূপেই অনুধাবন করতে পেরেছিলো। তাই বাংলাদেশের লুটেরা পুঁজিবাদী চক্রের প্রতিদিনের দুর্গন্ধ দ্রুতই ধামাচাপা দিতে তারা যথাসম্ভব তৎপরতা এবং দক্ষতা কাজে লাগায়। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশের একশ্রেণির সুবিধাবাদী গণমাধ্যম এবং বিবৃতিজীবী বুদ্ধিজীবীর চরিত্রও জাতির সামনে উন্মোচিত হয়। সুতরাং চিত্রনায়িকা পরীমনির এই গ্রেফতারকে রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বিচার করলে বিরাট ভুল হবে। বরং তাঁর এই পুনঃ পুনঃ রিমান্ড আদেশ এবং জামিনের আবেদন নাকচ বাংলাদেশে বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থায় নাগরিকের আইনগত সুরক্ষা পাবার অধিকারকে সাংবিধানিক নাগরিক অধিকার এবং বিশ্বজনীন মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে নতুন করে বিচার করার দরজাকে খুলে দিয়েছে। আমি এই লেখার মাধ্যমে ধন্যবাদ জানাতে চাই পরীমনির জামিনের আবেদনের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেয়া বিজ্ঞ আইনজীবী অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, মো. মুজিবুর রহমান ও সৈয়দা নাসরিনকে। যারা এই মামলাকে নিছক গতানুগতিক ও পেশাগত বিষয় হিসেবে বিবেচনা না করে এই মামলার আইনগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক তাৎপর্যকে ভেতর থেকে অনুধাবন করেছিলেন। তাঁদের এই অনন্য ভূমিকা আগামীদিনে তরুণ আইনজীবীদের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে দারুণভাবে উৎসাহিত করবে এবং এ মামলার ফলাফল আইনপেশার ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য রেফারেন্স হয়ে রইবে। একইসঙ্গে ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র। যারা রাষ্ট্রের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের জন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালতে নিষ্ঠার সাথে তৎপর ছিলেন। উল্লেখ্য গত ২৯ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের রায় না মেনে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার চিত্রনায়িকা পরীমনিকে বারবার রিমান্ডে নেয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে স্বপ্রণোদিত আদেশ প্রার্থনা করে একটি আবেদন করা হয়। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও শালিস কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন এ আবেদন জানান। এরপর হাইকোর্টের আদেশের পরে জামিন শুনানি করে গত ৩১ আগস্ট পরিমনির জামিন দেন আদালত। জামিনাদেশের পর গত ১ সেপ্টেম্বর কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন পরীমনি। রিমান্ডের অপব্যবহার এবং বারবার রিমান্ডে নেয়ার বৈধতার প্রসঙ্গ: চিত্রনায়িকা পরীমনিকে তিন দফায় রিমান্ডের আদেশ দেয়ায় সংশ্লিষ্ট বিচারকের কাছে উচ্চ আদালতের ব্যাখ্যা চাওয়া রিমান্ডের অপব্যাবহার এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে বারবার রিমান্ডে নেয়ার বৈধতার পুরনো প্রসঙ্গকে নতুন করে জনগণের সামনে এনেছে। দেশের জনগণের আইনগত ও সাংবিধানিক অধিকারের বিবেচনায় এই প্রশ্নের ফয়সালা হওয়া আজ খুবই জরুরি। ২০০৩ সালে মহামান্য হাইকোর্ট ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ এবং ১৬৭ ধারায় গ্রেফতার এবং রিমান্ডের ক্ষেত্রে ১৫টি নির্দেশনা প্রদান করেন। যা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাসহ ফৌজদারি বিচার ব্যাবস্থার সাথে যুক্ত সকলের জন্য অবশ্য পালনীয়। মহামান্য হাইকোর্টের উল্লেখিত নির্দেশনা প্রদানের ১৮ বছর পরে এসেও পরীমনিকে দেয়া তিন দফায় রিমান্ডের আদেশে সেই নির্দেশনার ঘোরতর লঙ্ঘনই দেশের জনগন নিজের চোখে দেখলো। এখানে সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন আসে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাসহ ফৌজদারি বিচার ব্যাবস্থার সাথে যুক্ত কর্মকর্তারা মহামান্য হাইকোর্টের উল্লেখিত নির্দেশনা উপেক্ষা করার স্পর্ধা কোথা থেকে এবং কিভাবে পায়? এই প্রশ্নের নির্ভুল তথ্যসমৃদ্ধ এবং একাডেমিক উত্তরের মধ্যেই নিহিত রয়েছে বাংলাদেশে আইনের শাসনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার পথরেখা। এখন আমাদের দেখা দরকার কি ছিলো মহামান্য হাইকোর্টের উল্লেখিত ১৫ দফা নির্দেশনায়? উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড ট্রাস্টসহ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা রিমান্ড প্রশ্নে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করে। এটি করা হয় সন্দেহজনক গ্রেফতার সংক্রান্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং রিমান্ড সংক্রান্ত ১৬৭ ধারার অপব্যবহার চ্যালেঞ্জ করে। ২০০৩ সালের ২৭শে এপ্রিল হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ ঐ দু’টি ইস্যুতে প্রচলিত আইন সংশোধনের নির্দেশ দেয়। এ নির্দেশনা আপিল বিভাগ স্থগিত করেনি। হাইকোর্টের নির্দেশনায় বলা হয়- ১। আটকাদেশ (ডিটেনশন) দেয়ার জন্য পুলিশ কাউকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে পারবে না। ২। কাউকে গ্রেফতার দেখানোর সময় পুলিশ তার পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য থাকবে। ৩। গ্রেফতারের কারণ একটি পৃথক নথিতে পুলিশকে লিখতে হবে। ৪। গ্রেফতারকৃতদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকলে তার কারণ লিখে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ডাক্তারি সনদ আনবে পুলিশ। ৫। গ্রেফতারের তিন ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে পুলিশকে। ৬। বাসা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো স্থান থেকে যদি কাউকে আটক করা হয় তাহলে আটক ব্যক্তির নিকট আত্মীয়কে এক ঘণ্টার মধ্যে টেলিফোন বা বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে বিষয়টি জানাতে হবে। ৭। আটক ব্যক্তিকে তার পছন্দসই আইনজীবী ও নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে পরামর্শ করতে দিতে হবে। ৮। পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদনসহ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করবেন। অন্যথায় অপারগতার কারণ ১৬৭(১) ধারা অনুযায়ী লিখিত ভাবে ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন। ৯। গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তিকে আদালতে উপস্থাপনের সাথে প্রদত্ত ফরওয়ার্ডিং এবং এজাহারে আনীত অভিযোগের যথার্থতায় যদি ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হন তাহলে তিনি তাঁকে কারাগারে প্রেরণ করার আদেশ দেবেন। অন্যথায় তৎক্ষণাৎ মুক্তি দেবেন। ১০। জিজ্ঞাসাবাদের (রিমান্ড) প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে কারাগারের কাঁচনির্মিত বিশেষ কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। কক্ষের বাইরে তার আইনজীবী ও নিকটাত্মীয় থাকতে পারবেন। ১১। কারাগারে জিজ্ঞাসাবাদে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া না গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে সর্বোচ্চ তিনদিন পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে উপযুক্ত কারণ থাকতে হবে। ১২। জিজ্ঞাসাবাদের আগে ও পরে ঐ ব্যক্তির ডাক্তারি পরীক্ষা করতে হবে। ১৩। পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে ম্যাজিস্ট্রেট সঙ্গে সঙ্গে মেডিকেল বোর্ড গঠন করবেন। বোর্ড যদি বলে, ঐ ব্যক্তির ওপর নির্যাতন করা হয়েছে তাহলে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং তাকে দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারায় অভিযুক্ত করা হবে। ১৪। পুলিশ হেফাজতে বা কারাগারে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মারা গেলে সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে। ১৫। পুলিশ বা কারা হেফাজতে কেউ মারা গেলে ম্যাজিস্ট্রেট সঙ্গে সঙ্গে তা তদন্তের ব্যবস্থা করবেন। মৃত ব্যক্তির ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্তে বা তদন্তে যদি মনে হয়, ঐ ব্যক্তি কারা বা পুলিশ হেফাজতে মারা গেছে তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট মৃত ব্যক্তির আত্মীয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তা তদন্তের নির্দেশ দিবেন। মহামান্য হাইকোর্টের উল্লেখিত ১৫ দফা নির্দেশনা আজ স্পষ্টভাবেই জানান দিচ্ছে গুম-খুন, বিচার বহির্ভূত হত্যা, পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের বিবেচনায় বাংলাদেশ আজ এক ভয়ানক মানবাধিকার সঙ্কটের সময় অতিক্রম করছে। এই সঙ্কট সবচেয়ে বেশি বিপন্ন করে তুলেছে দেশের নিপীড়িত নারীসমাজ, শ্রমজীবী মানুষ, দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক শক্তি এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে। এই সঙ্কটকে জিইয়ে রেখে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং গণতন্ত্রের কোনো অর্থ হয় না। কোনো কিছুর বিনিময়েই এ সংকটকে আর বরদাশত করা যাচ্ছে না। তাই ন্যায়ের এ লড়াইয়ে তারুণ্যের জাগরণের কোনো বিকল্প নাই। লেখক : সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য