‘সফল মব’

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : ‘মব’ হচ্ছে একটা ‘প্রেশার গ্রুপ’। সমাজের যারা ভাল চায়, তারাই কিন্তু প্রেশার তৈরি করে। এটা আর কেউ নয়, এই সরকারের দায়িত্বশীল লোকেরাই প্রতিদিন ও প্রতিনিয়ত বলে আসছেন। ফলে মবের নতুন একটা সংজ্ঞাও এই সময়ে তৈরি হয়ে গেছে। নিজ নিজ স্বার্থে বহু লোককে একত্রিত করিয়া অন্যের ক্ষতিসাধন, হত্যা, হাত-পা ভেঙে দেওয়া, টাকা আদায় করাসহ নানা আইনবিরোধী কাজ করার পরও সরকার কর্তৃক বাহাবা অর্জন করে তাহাই আসলে মব। ফলে যাহা সরকার কর্তৃক অনুমোদিত তাহা কেন আর পথেঘাটে এমন করে পড়ে রবে। এবার তাই মবকে তুলে আনা হল একেবারে আইন-অঙ্গনে। হাজার হোক প্রেশার গ্রুপের কাজ, এটাকে একটু পবিত্রতম স্থানে এবার ব্যবহার করা হল আরকি! সম্প্রতি মব তৈরি করে ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয় থেকে সাংবাদিক মনজুরুল আলমের পান্না, লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জনসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেদিন আদালতে লতিফ সিদ্দিকী ও সাংবাদিক পান্নার জামিন শুনানির তারিখ ছিল। লতিফ সিদ্দিকীতে আদালতে হাজির করা না হলেও সাংবাদিক পান্নাকে আদালতে হাজির করা হয়। তখন আইনজীবী এ কে এম মহিউদ্দিন আদালতের মধ্যেই সাংবাদিক আসিফ হোসাইন সিয়ামকে মারধর শুরু করেন। তার কান বরাবর ঘুষি মারেন আইনজীবী। তখন সেই আইনজীবীর সঙ্গে আরও অনেকে যুক্ত হন। তখন আদালত চলছিল। বিচারক এজলাসে ছিলেন। সাংবাদিক আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। বিচারক মারামারি দেখে এজলাস ছেড়ে খাস কামরায় চলে যান। এভাবে আরেকটি সফল মবের পরিসমাপ্তি হয়।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..