ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে
একতা প্রতিবেদক :
দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১০। গত ২১ আগস্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। চলতি বছর খবর লেখা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৭ হাজার ৭৮২।
এ বছর ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি ৫১ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে বরিশাল বিভাগে।
২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে জুলাই মাসে। আর আগস্টের ২১ তারিখ পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এ ছাড়া জুন মাসে ১৯ জন, জানুয়ারিতে ১০, ফেব্রুয়ারিতে ৩, এপ্রিলে ৭ ও মে মাসে ৩ জন মারা যান। মার্চে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় এখন প্রায় এমন কোনো এলাকা নেই, যেখানে এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব বা ব্রুটো ইনডেক্স ২০-এর নিচে। এমন অবস্থা চট্টগ্রাম, বরগুনা, কুমিল্লা, কক্সবাজার শহরেরও। দেশে এডিস মশা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে এ মশার কামড়ে হওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।
এ মাসের শুরুতে ঢাকার বাইরে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি হলেও প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ঢাকার হাসপাতালগুলোতে রোগী ভর্তি বেড়েছে।
ডেঙ্গুতে এবারের মৃত্যু বেড়ে যাওয়ার পেছনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাফিলতি, স্থানীয় সরকারের সঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়হীনতা, পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য সরঞ্জামের অভাব এবং ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক প্রচারের অভাবকেই দায়ী করছেন ভুক্তভোগীরা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধাণ কারণ হলো, সময়মতো বিপদচিহ্ন শনাক্তে ব্যর্থ হয়ে সঠিক সময়ে হাসপাতালে না আসা এবং সর্বোপরি ডেঙ্গু মশা নিধনে অব্যবস্থাপনা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। ২০০০ সালের পর থেকে গত দুই দশকে ২০২৪ সালে এবং চলতি বছরে বেড়েছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এবং সংক্রমিত হয়ে মৃত্যুহার। বিগত কয়েক বছরে জুলাই মাস থেকেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং কমতে শুরু করে পরের বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে। কিন্তু, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত, অন্য বছরের তুলনায় সারা বছরই হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির খবর পাওয়া যায়।
স্বাস্থ্য অধিদফতর বারবার সতর্ক করে বলছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সবচেয়ে বড় অস্ত্র। বাসা-বাড়ি ও আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন মশা জন্মানোর সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিষ্কার করতে হবে। পাশাপাশি জ্বর দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
প্রথম পাতা
সংশোধনী
পীর-ফকির-বাউলদের ওপর হামলায় পুলিশকে সন্ত্রাসের পক্ষে ব্যবহার করছে সরকার
পোল্যান্ডের কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে নিবর্তনমূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে যৌথ বিবৃতি
লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে চা-শ্রমিকদের অধিকার আদায় করে নিতে হবে
বন্দর ইজারার সিদ্ধান্ত না পাল্টালে ৪ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে বিক্ষোভ
দেশের সংকট-নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থান
আরপিও’র অগণতান্ত্রিক সংশোধনী এবং নির্বাচনী ব্যয় বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল কর
শোষণ-বৈষম্যবিরোধী গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান
‘রাষ্ট্রের চরিত্র বদল না হওয়ায় শ্রমিক হত্যাকাণ্ডের বিচার হচ্ছে না’
অগ্নিকাণ্ডের কারণ উদঘাটন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করুন
‘মেহেরবানি’
Login to comment..








প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন