ক্ষেতমজুর সমিতির বিক্ষোভ সমাবেশ

গ্রামীণ মজুরদের রেশন-পেনশন চালুর জন্য বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিতে হবে

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

আসন্ন বাজেটে ক্ষেতমজুরদের বরাদ্দ বৃদ্ধি ও পেনশন চালুর দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির বিক্ষোভ সমাবেশ ছবি [ ছবি: রতন কুমার দাস ]
একতা প্রতিবেদক : আসন্ন জাতীয় বাজেটে ক্ষেতমজুরসহ গ্রামীণ মজুরদের জন্য রেশনিং, পেনশন চালু ও কর্মসৃজন কর্মসূচি, বিধবা ভাতা, টিসিবি, স্বাস্থ্য, সন্তানের শিক্ষা এবং গ্রামীণ প্রকল্প ও কর্মসূচিতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির নেতৃবৃন্দ। গত ৩০ মে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এসব দাবি জানান। এসময় বক্তারা বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে গরিব মানুষ দিশেহারা। তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেও পরিবার-পরিজন নিয়ে তিনবেলা খেতে পায় না। স্বাস্থ্য, সন্তানের শিক্ষা থেকেও তারা থাকে বঞ্চিত। নেতৃবৃন্দ রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে সকল গরিব মানুষকে চাল, ডাল, তেল, লবন, চিনিসহ নিত্যপণ্য দেওয়া ও ষাটোর্ধ্ব মজুরদের জন্য বিনা জমায় মাসিক ১০ হাজার টাকা পেনশনের জন্য আসন্ন জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখার দাবি জানান। ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন রেজা, সাধারণ সম্পাদক অর্ণব সরকার, সহ সাধারণ সম্পাদক কল্লোল বণিক, নির্বাহী কমিটির সদস্য অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন, মোতালেব হোসেন, রমেন্দ্র চন্দ্র বর্মন, সুখেন্দ সুত্রধর, সদস্য ফিরোজ আলম মামুন প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক নেতা আব্দুল কাদের, সাদেকুর রহমান শামীম, আব্দুস সাত্তার, দীপক শীল প্রমুখ। ফজলুর রহমান বলেন, প্রতিবছর লক্ষ কোটি টাকার বাজেট হয় কিন্তু গরিব মানুষের দুঃখ আর যেন ঘুচে না। এবার গরিববান্ধব বাজেটের দাবি করে বলেন, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত ও লাখ লাখ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের জন্য শোষণ-বৈষম্যমুক্ত একটি দেশ, সে আকাঙ্ক্ষা পূরণ আজো হয়নি। বিগত ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানেও অতীতের মতোই সাধারণ মানুষ বেশি রক্ত দিয়েছে। অথচ তাদেরকেই তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। তিনি গ্রাম-শহরে ক্ষেতমজুর সমিতির নেতৃত্বে শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। আনোয়ার হোসেন রেজা ধনী-গরিবের বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার সংগ্রামকে অগ্রসর করার আহ্বান জাানিয়ে বলেন, ক্ষেতমজুররা এবার বঞ্চিত হলে আবার রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। গণআন্দোলন গণসংগ্রামের মধ্য দিয়েই অধিকার আদায় করতে হবে। অর্ণব সরকার বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে লক্ষ কোটি বরাদ্দ হলেও তার মধ্যে শুভংকরের ফাঁকি রয়ে গেছে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দে বয়ষ্ক ভাতা-বিধবা ভাতা যেমন রয়েছে তেমনি সরকারি চাকুরিজীবীদের পেনশন, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ইত্যাদিও যুক্ত করা হয়েছে। ফলে যে বাজেট হয় তার অল্পই গরিব মানুষের জন্য ব্যয় হয়। বয়ষ্ক ভাতা বর্তমানে ৬০০ টাকা দেওয়া হয় এবং বর্তমানে তা ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৬৫০ টাকা করার কথা শুনেছি। একজন বয়ষ্ক মানুষের মাসে এ টাকা দিয়ে কি হয়? একই দাবিতে ৩১ মে দেশব্যাপী জেলা-উপজেলায় ক্ষেতমজুর সমিতির উদ্যোগে মিছিল, সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার কেন্দ্রীয় সমাবেশ শেষে একটি মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শেষের পাতা
মাদারীপুর-১ এ আব্দুল আলী
মৌলভীবাজার সদর-রাজনগরে জহর লাল
সিপিবি’র ‘ডায়েরি ২০২৬’ সংগ্রহ করুন
সিপিবির কাস্তে মার্কার প্রার্থীদের গণসংযোগ
যশোর সদরে রাশেদ খান
ঝিনাইদহ সদর-হরিণাকুণ্ডুতে আবু তোয়াব অপু
নওগাঁ সদরে শফিকুল ইসলাম
সিলেট সদরে আনোয়ার হোসেন সুমন
শেরপুর-ধুনটে শিপন কুমার রবিদাস
ভৈরব-কুলিয়ারচরে হাবিল বাঙালি
আড়াইহাজারে হাফিজুল ইসলাম
মবের মুখে ইউএপি’র দুই শিক্ষককে বহিষ্কারের ঘটনায় ছাত্র ইউনিয়নের নিন্দা ও প্রতিবাদ
মেহেরপুর সদর-মুজিবনগরে মিজানুর রহমান
শ্রীনগর ও সিরাজদিখানে আব্দুর রহমান
গফরগাঁওয়ে সাইফুস সালেহীন
দুর্গাপুর-কলমাকান্দায় আলকাছ উদ্দিন মীর
নবীনগরে শাহীন খান
দেবীগঞ্জ-বোদায় আশরাফুল আলম
ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ায় সোহাগ হোসেন
শোক

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..