প্রীতি উরাংয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু নিরাপত্তাহীন গৃহকর্মী

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : গৃহকর্মী প্রীতি উরাং এর মৃত্যু অবহেলাজনিত মৃত্যু, দুর্ঘটনা, নাকি হত্যাকাণ্ড তা এখনো তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করা হয়নি। ইতোমধ্যে এই ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার দাবি করে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূডঢ় অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য যে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে শাহজাহান রোডের একটি বহুতল ভবন থেকে পড়ে চা-শ্রমিকের সন্তান প্রীতি উরাং (১৫) নিহত হয়েছেন। তিনি ভবনটির নয়তলা থেকে পাশের দোতলা টিনশেডের ওপর পড়েন। প্রীতি ঐ ভবনের নয় তলায় ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হকের বাসায় কাজ করতেন। ঘটনার পর আশফাকুল হক এবং তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকারসহ ছয় জনকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে হক এবং খন্দকারকে আসামী করে মামলা করেন প্রীতি উরাং এর বাবা লোকেশ উরাং। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৬ আগস্ট একই বাসা থেকে পড়ে ৯ বছর বয়সী এক গৃহকর্মী গুরুতর আহত হন, এবং ঐ গৃহকর্মীর অভিভাবক সৈয়দ আশফাকুল হক, তানিয়া খন্দকার, ও শিল্পী নামের এক মহিলার নামে মামলা করেন, কিন্তু অভিযোগ আছে আশফাকুল হক প্রভাবশালী সাংবাদিক হওয়ায় তখন কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় নি। মিরতিংগা চা-বাগানের লোকেশ ওরাং এবং নমিতা ওরাং এর দুই ছেলে, দুই মেয়ে। প্রীতি সবার ছোট। বড় ছেলে আগেই অসুখে মারা যান। ছোট মেয়েটার রহস্যজনক (!) মৃত্যুতে মা-বাবা দিশেহারা। পরিবারের অভাব অনটনের কারণে ছোট মেয়েকে ঢাকার মোহাম্মদপুরে সৈয়দ আশফাকুল হকের বাসায় কাজে পাঠিয়েছিলেন। চা-শ্রমিকের ১০ দফা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির উপদেষ্টা আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন, সমন্বয়ক এস এম শুভ এবং আহ্বায়ক সবুজ তাঁতী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, অবিলম্বে প্রীতির রহস্যজনক মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। তদন্তকালীন সময়ে প্রীতির পরিবার যাতে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর চাপের মুখে না পরে সে ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে প্রীতির পরিবারের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..