গার্মেন্ট শ্রমিকদের মজুরি যৌক্তিক হতে হবে

নজরুল ইসলাম

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিকদের অভূতপূর্ব আন্দোলন দেখা গিয়েছে। এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল মজুরি বৃদ্ধি। শ্রমিকরা ২৩,৫০০ টাকার নিম্নতম মজুরি দাবি করেছেন। পক্ষান্তরে মালিকপক্ষ দিতে রাজি হয়েছেন ১২,৫০০ টাকা। তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সর্বশেষ ২০১৮ সালে ৮,০০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল। ২০১৮-২০২৩ সময়কালে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির (মুদ্রাস্ফীতির) যোগমূলক পরিমাণ ছিল আনুমানিক ৪৬.৬%। সুতরাং, শুধুমাত্র দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিবেচনাতেই ২০২৩ সালে মজুরির সমমান হওয়ার কথা ১১,৭২৯ টাকা। ২০১৮-২০২৩ সময়কালে গড় বার্ষিক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির হার ছিল ৬%। যদি ধরে নেয়া হয় যে, মজুরি নির্ধারণের পরবর্তী বছর পর্যন্ত এই হার বজায় থাকবে তাহলে ২০২৬ নাগাদ এই মজুরি হওয়ার কথা ১৩,৯৬৯ টাকা। কিন্তু ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রক্ষাই মজুরি নির্ধারণের একমাত্র বিবেচ্য বিষয় হতে পারে না। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সাথেও এটাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। সামগ্রিকভাবে দেশের শ্রম উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার প্রমাণ হলো মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি। এই বৃদ্ধির ফলেই বাংলাদেশ নিম্নআয়ের দেশ হতে বর্তমানে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। সুতরাং, তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকেরা এই উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কিছু সুফলের ভাগিদার হওয়ার প্রত্যাশা করতে পারে। দেশের গড় আয় বৃদ্ধি পাবে আর শ্রমিকদের প্রকৃত আয় বৃদ্ধি পাবে না এটা ন্যায়সঙ্গত নয়। ২০১৮-২০২৩ সময়কালে বাংলাদেশের গড় আয় যোগমূলকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে আনুমানিক ৩৬.৬%। তৈরি পোশাকশিল্পে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির হার দেশের গড় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির হারের চেয়ে বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু যদি ৩৬.৬% ধরে হিসাব করা হয় তাহলেও ২০২৩ নাগাদ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি হওয়ার কথা ১৬,০২১ টাকা। ২০১৮-২০২৩ সময়কালে বাংলাদেশের গড় আয়ের বার্ষিক বৃদ্ধির হার ছিল আনুমানিক ৫.৩৪%। যদি ধরে নেয়া হয় যে, মজুরি নির্ধারণের পরবর্তী বছর পর্যন্ত এই হার বজায় থাকবে তাহলে ২০২৬ নাগাদ এই মজুরি হওয়ার কথা ২৩, ৩৫০ টাকা। সুতরাং, তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের কর্তৃক প্রস্তাবিত ১২,৫০০ টাকার মজুরি পর্যাপ্ত নয়। এটা ন্যায্যও নয়, কারণ এই মজুরিতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সুফলে শ্রমিকদের কোনো হিস্যা দেয়া হচ্ছে না। অথচ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে শ্রমিকদের ভূমিকা কম নয়। উপর্যুক্ত ব্যাষ্টিক পর্যবেক্ষণ থেকে এখন আমরা বিষয়টিকে কিছু সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের আলোকেও দেখতে পারি। প্রথম প্রশ্ন হলো, আসলেই কি তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের পক্ষে শ্রমিকদের আরও বেশি মজুরি দেয়া সম্ভব নয়? এই প্রশ্নের বিচারে আমরা লক্ষ্য করতে পারি যে, এই শিল্পের উৎপন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হয়; ফলে মালিকেরা আয় করেন বৈদেশিক মুদ্রায়, মূলত ডলারে। লক্ষণীয়, ডলারের মূল্য ২০১৮ সালের ৮৩.৯০ টাকা থেকে ২০২৩ সালে সরকারি হিসাবেই ১১০.৫০ টাকায়, অর্থাৎ ৩১.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। সুতরাং, শুধুমাত্র টাকার দরপতনের কারণেই ২০১৮ সালের ৮,০০০ টাকার পরিবর্তে মালিকেরা ২০২৩ সালে ১০,৫৩৬ টাকা দিতে পারেন। তদুপরি বিশ্বব্যাংকের একটি লেখায় (ব্লগে) অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন লক্ষ্য করেছেন যে, উন্নয়নশীল দেশসমূহে প্রস্তুতকৃত তৈরি পোশাকের মোট উপাদন খরচে মজুরি বাবদ খরচের পরিমাণ মাত্র ১ থেকে ৩ শতাংশ। সুতরাং, টাকার দরপতনের কারণে মালিকদের যে আয়াসহীন বাড়তি লাভ (ইংরেজিতে, উইন্ডফল গেইন) হচ্ছে তা শ্রমিকদের প্রাপ্য অংশের প্রায় ৫০ গুণ। সুতরাং, এই বাড়তি লাভ দিয়ে মালিকেরা অনায়াসেই উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে শ্রমিকদের যে হিস্যা প্রাপ্য হয়েছে তা প্রদান করতে পারেন। আরও লক্ষ্যণীয়, টাকার দরপতনের প্রবণতা শেষ হয়ে যায়নি এবং আগামীতে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকার সমূহ সম্ভাবনা। সেক্ষেত্রে মালিকেরা আগামীতেও টাকার দরপতনজনিত আয়াসহীন বাড়তি লাভের অধিকারী হবেন, কিন্তু শ্রমিকদের পক্ষে এই লাভের কোনো অংশ পাওয়া সম্ভব হবে না; কারণ এখন যে মজুরি নির্ধারিত হবে তা মজুরি সংক্রান্ত পরবর্তী রাউন্ডের আলোচনার আগ পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকবে। সুতরাং, বর্তমান মজুরি হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে আগামী বছরগুলোতে টাকার সম্ভাব্য দরপতনের বিষয়টিও বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন। দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো, মজুরি বৃদ্ধি পেলে কি বাংলাদেশ বিশ্ব তৈরি পোশাকের বাজার হারাবে? এ প্রসঙ্গে বলা দরকার যে, এখনো সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশের মজুরি হার সর্বনিম্নের মধ্যে পড়ে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) সংগৃহীত তথ্যে দেখা যায় যে, যখন শ্রমিকদের মাসিক মজুরি চীনে ৩০০, ইন্দোনেশিয়ায় ২৪৩, কাম্পুচিয়ায় ২০০, ভারতে ১৭২ এবং ভিয়েতনামে ১৭০ ডলার, সেখানে বাংলাদেশে তা মাত্র ৭২ ডলার। তদুপরি উপরোল্লিখিত লেখায় জাহিদ হোসেন আরও জানান যে, মোট উৎপাদন খরচে মজুরির অংশ অত্যন্ত কম হওয়ায় মজুরি যদি দ্বিগুণ হয় এবং এই সমস্ত বৃদ্ধি ক্রেতাদের ওপর চাপানো হয় (অর্থাৎ মালিকেরা এর কোনো অংশ বহন না করে), সেক্ষেত্রেও তৈরি পোশাকের খুচরা মূল্য বৃদ্ধি পাবে মাত্র ১ থেকে ৩%; একইভাবে, মজুরি যদি তিনগুণ হয় তাহলেও খুচরা মূল্য বৃদ্ধি পাবে মাত্র ২ থেকে ৬%। এসব পরিসংখ্যান দেখায় যে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে মজুরি বৃদ্ধির যথেষ্ট সুযোগ আছে। যদি মালিকেরা অন্যান্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা প্রদর্শন করে, তাহলে মজুরি বৃদ্ধির কারণে আন্তর্জাতিক বাজার হারানোর আশঙ্কা অমূলক। উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, মজুরি বৃদ্ধির প্রতি মালিকদের বিরোধিতার মূল উৎস সম্ভবত অর্থনৈতিক বিবেচনা নয়, বরং এর উৎস বহুলাংশে বাংলাদেশে উদ্ভূত সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে নিহিত। ১৯৭১ সালে যখন বাংলাদেশ স্বাধীন হয় তখন সে ধরনের কোনো পুঁজিপতি শ্রেণি ছিল না। বিগত দশকগুলিতে পুঁজিবাদী ধারার উন্নয়নের ফলে দেশে পুঁজিপতি শ্রেণির আবির্ভাব ঘটেছে এবং তা এখন দেশের রাজনীতিকেও করায়ত্ত করেছে। যখন সাইফুর রহমান কিংবা আবুল মাল আবদুল মুহিত অর্থমন্ত্রী ছিলেন তখন পর্যন্তও দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণে সরকারের কিছুটা হলেও “আপেক্ষিক স্বাধীনতা” ছিল। বর্তমানে সেই স্বাধীনতা আর নেই বললেই চলে। দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে এখন ৭০ শতাংশই সরাসরিভাবে ব্যবসায়ী-শিল্পপতি। মন্ত্রিসভারও প্রায় একই অবস্থা। দেশের রাজনীতিতে এখন পুঁজিপতি শ্রেণির দুই অংশের বিরোধ আধিপত্য বিরাজ করে আছে। সেখানে শ্রমিক শ্রেণির কোনো স্বতন্ত্র উপস্থিতি নেই। বাংলাদেশের পুঁজিপতি শ্রেণির মধ্যে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরাই সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। ফলে তাঁরা সরকারের ওপর তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছা চাপিয়ে দিতে পারে। সে কারণেই দেখা যায় প্রায় ৪০ বছরের অব্যাহত বিকাশের পরও তাঁরা এমন সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে যাচ্ছেন যেগুলোর প্রবর্তন করা হয়েছিল একটি শিশু-শিল্পকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দেয়ার জন্য (যে কারণে উন্নয়ন অর্থনীতি শাস্ত্রে এসব সুবিধাকে “শিশু-শিল্প রক্ষামূলক সুবিধা” বলে আখ্যায়িত করা হয়)। এসব সুযোগ-সুবিধার বহু উদাহরণ দেয়া সম্ভব। যেমন, তৈরি পোশাকশিল্প খাতে আয়করের হার ১৫% (এই খাতের পরিবেশ বান্ধব কারখানাসমূহের জন্য এই হার ১০%)। অথচ অন্যান্য শিল্পের জন্য এই কর ২০ থেকে ৪৫%। তদুপরি, রপ্তানি করার সময় তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা যে ১% হারে উৎস-কর প্রদান করেন সেটা তাদের আয়কর থেকে বিয়োগ করা হয়, যার ফলে তারা প্রায়শ কোনো আয়কর দেন না। দ্বিতীয়ত, তাঁরা এখনও “বন্ডেড ওয়্যারহাউজ” সুবিধা ভোগ করেন, যার ফলে তাঁরা আমদানিকৃত শিল্প-উপকরণের ওপর কোনো আমদানি শুল্ক প্রদান করেন না। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী- “বন্ডেড ওয়্যারহাউজ” ব্যবস্থার কারণে ২০১৯-২০ সালে মোট ১,৫১,৭৩৮ কোটি টাকার আমদানি শুল্ক রেয়াত হয়েছিল এবং এর প্রায় ৮০ শতাংশ পেয়েছিল বস্ত্রখাত, যার সিংহভাগ হচ্ছে তৈরি পোশাকশিল্প। তৃতীয়ত, তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা এখনো তাদের রপ্তানির ওপর ১৫% হারে “নগদ প্রণোদনা” ভোগ করছেন। চল্লিশ বছর পরও এসব সুবিধাদি গ্রহণ দেখায় যে, তৈরি পোশাকশিল্প তাঁর নিজের বোঝা নিজে বহন না করে বহুলাংশে তা দেশের বাকি অর্থনীতি ও সমাজের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে এবং তার মধ্য দিয়ে একটি পরজীবী বৈশিষ্ট্য অর্জন করছে। অতি সাম্প্রতিককালে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের ভর্তুকিযুক্ত মূল্যে অত্যাবশ্যক খাদ্যসামগ্রী পাওয়ার জন্য টিসিবি কার্ড দেয়ার যে প্রস্তাব করেছেন সেটাও এই শিল্পের পরজীবীসুলভ আচরণের আরেকটি উদাহরণ। যদি দেশের সবচেয়ে অগ্রসর শিল্পখাতের শ্রমিকদের বেঁচে থাকার জন্য সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভর করতে হয় তাহলে নিঃসন্দেহে তা একটি নিন্দনীয় বিষয়। লক্ষণীয় যে, দেশের রাজনীতি এবং নীতি নির্ধারণের ওপর পুঁজিপতি শ্রেণির একক আধিপত্য এখন দেশের ব্যাষ্টিক-অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মানের অবনতি ডেকে আনছে। সাম্প্রতিক ডলার সংকট তার একটি উদাহরণ। পুঁজিপতিদের মধ্যে যারা মূলত আমদানিকারক তারা ডলারের সাথে টাকার মূল্যমানের যে অব্যাহত সামঞ্জস্য সাধনের প্রয়োজন ছিল তা হতে দেয়নি। অন্যদিকে মূল রপ্তানিকারক পুঁজিপতি গোষ্ঠী, তথা তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা অব্যাহত “শিশু-শিল্প রক্ষামূলক সুবিধা”র প্রতি এতই আসক্ত যে, তারাও ডলারের সাথে টাকার মূল্যমানের সামঞ্জস্য সাধনের জন্য চাপ দেয়ার প্রয়োজনীয়তা বোধ করেননি। ফলে টাকার মূল্যমানের অযৌক্তিকতা বহু বছর ধরে পুঞ্জিভূত হয়েছে এবং অবশেষে তা বিস্ফোরিত হয়ে বর্তমান সংকটের সৃষ্টি করেছে। পরিতাপের বিষয় যে, সরকার এখনও এই সংকটের কোনো কার্যকর সমাধান খুঁজে পেয়েছে বলে মনে হয় না। যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দিন দিন কমছে। ব্যাষ্টিক-অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মানের এ ধরনের অবনতির আরও উদাহরণ দেখা যায় সুদের হার নির্ধারণ, অর্থায়ন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, পুঁজি-পাচার রোধ, উপযুক্ত প্রকল্প বাছাই, বৈদেশিক ঋণ নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে। সুতরাং, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমীকরণে কিছু ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা আবশ্যক হয়ে পড়েছে। এই সমীকরণে শ্রমিক শ্রেণির ভূমিকা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। অন্যথায়, দেশের অর্থনৈতিক নীতিমালার মানের আরও অবনতি ঘটার সমূহ সম্ভাবনা এবং বিগত সময়কালে অর্জিত সাফল্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অগ্রগতি সম্পর্কে যে প্রতিশ্রুতির সৃষ্টি হয়েছে তা বাস্তবায়িত না-ও হতে পারে। তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের বুঝতে হবে যে, শ্রমিকদের মজুরি যথাসম্ভব কম দেয়ার মধ্যে বিশ্ববাজারে তাদের অব্যাহত সাফল্যের চাবিকাঠি নিহিত নয়। এই চাবিকাঠি বরং নিহিত উৎপাদনশীলতার অব্যাহত বৃদ্ধির মধ্যে। সেকারণে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সুফলে শ্রমিকদেরও অংশীদার করতে হবে। অযৌক্তিক নিম্ন মজুরি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য সহায়ক নয়। মজুরি হতে হবে যৌক্তিক। লেখক : জাতিসংঘের উন্নয়ন গবেষণা বিভাগের সাবেক প্রধান

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..