বন্ধ সকল পাটকল রাষ্ট্রীয় মালিকানায় চালুর দাবি

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
খুলনা সংবাদদাতা : লিজ বা ব্যক্তি মালিকানায় নয়, বন্ধ সকল রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল অবিলম্বে রাষ্ট্রীয় মালিকানায় চালু এবং ৫মিলের শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনাসহ সকল শ্রমিকের সমুদয় বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে গত ১১ নভেম্বর বেলা ১২টায় অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক ও বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ কেন্দ্রীয় সদস্য মোজাম্মেল হক খান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাগরিক পরিষদের সদস্য সচিব এস এ রশীদ। নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২০২০ সালের ২জুলাই সরকার ২৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের উৎপাদন বন্ধ করার নোটিশ দিয়ে কার্যত মিল বন্ধ করে দিয়েছে। মিল বন্ধের ২মাসের মধ্যে সকল পাওনা পরিশোধের অঙ্গীকার করলেও অদ্যাবধি খুলনার খালিশপুর জুট মিল ও দৌলতপুর জুট মিল, সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল এবং চট্টগ্রামের কেএফডি ও আরআর জুট মিলের শ্রমিকরা বকেয়া কোন টাকা পায়নি। এছাড়াও সকল মিলের শ্রমিকদের ৮টি উৎসব বোনাসের ডিফারেন্স, ২০২০ সালের ঈদুল আযহার বোনাস, ২০২০ সালের জুলাই মাসের ২ দিনের ইনক্রিমেন্টসহ মজুরি, লকডাউনকালিন ভাতা পরিশোধ করা হয়নি। ফলে শ্রমিকরা নিদারুন যন্ত্রণা ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। বর্তমানে জীবনযাপন ব্যয় অত্যধিক বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্মহীন এবং বকেয়া পাওনা থেকে বঞ্চিত শ্রমিকরা তাদের পরিবার পরিচালনা করতে হিমশিম খাচ্ছে। এমতাবস্থায় অবিলম্বে সকল মিল রাষ্ট্রীয় মালিকানায় চালু করে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা এবং সকল বকেয়া পাওনা পরিশোধ করা জরুরী। নাগরিক পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেন, বন্ধকৃত ২৬টি পাটকলের মধ্যে ৫টি পাটকলের শ্রমিকদের এরিয়ারসহ ন্যায্য পাওনা এখনো পরিশোধ করা হয়নি। পাওনা পরিশোধের দাবিতে শ্রমিকরা নানা কর্মসূচি পালন এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে তাদের বক্তব্য লিখিতভাবে পৌঁছে দেওয়ার পরেও সরকার তাদের পাওনা পরিশোধ করছে না। এ সকল পাওনা শ্রমিকদের ন্যায্য। সরকারের পক্ষ থেকে কোন যুক্তিতেই এসব পাওনা পরিশোধ না করার সুযোগ নেই। সংবাদ সম্মেলনে ৬দফা দাবি পেশ করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা আহ্বায়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক অ্যাড বাবুল হাওলাদার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) খুলনা মহানগর সভাপতি মিজানুর রহমান বাবু, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) খুলনা জেলা কমিটির সদস্য সচিব কোহিনুর আক্তার কনা, সিপিবি খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক অ্যাড নিত্যানন্দ ঢালী, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা সভাপতি আবদুল করিম, কে এস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা খ.ম. শাহীন হোসেন, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা সভাপতি আফজাল হোসেন রাজু, ছাত্র নেতা আল আমিন শেখ, যশোর-খুলনা আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক ইলিয়াস হোসেন, প্লাটিনাম জুটমিল বদলী কমিটির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক তালুকদার প্রমুখ।
শেষের পাতা
ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার দাবি কৃষক সমিতির
চলতি বাজেটেও গুরুত্ব পায়নি স্বাস্থ্য খাত
শ্রমিকদের রেশন নিশ্চিত করতে বাজেটে বরাদ্দ চাই
বাজেট নিয়ে বগুড়ায় সিপিবির সমাবেশ
কমরেড আব্দুল রশিদের হত্যাকারীদের বিচারের দাবি
বরিশাল শ্রমিক কর্মচারী সংগঠনগুলোর ১১ দফা দাবি
কমরেড বজলুর রহমানের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
কমিউনিস্ট পার্টির পতাকাতলে সমবেত হওয়ার আহ্বান
কামাল হায়দারের মৃত্যুতে শোক
বাজেট ও যুব সমাজের ভাবনা শীর্ষক সভা
সাতক্ষীরার আম ফ্রান্স ও ইতালিতে
কমরেড রনো বেঁচে থাকবেন আমাদের মুক্তি সংগ্রামে
৭ দিনের সংবাদ...
দেশের মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় কমিউনিস্ট পার্টির উত্থান জরুরি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..