বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ডিজিটাল মিডিয়া ভুয়া দুনিয়া এবং ফ্যাসিবাদ

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

একতা বিশেষ ফিচার : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দিনকে দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ব্যবহারকারীরাও নিজেদের মনের ভাব, রুচি-পছন্দ, ভাল-মন্দ শেয়ার করছে যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিয়ন্ত্রিত এসব মাধ্যম, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাতেও হস্তক্ষেপ করছে। তাই প্রশ্ন উঠছে, এগুলো কেবলই যোগাযোগমাধ্যম নাকি সাম্য ও সমাজতন্ত্রের লড়াইকে বাধাগ্রস্ত করতে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের হাতিয়ার? ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম একদা এইসব নতুন প্রযুক্তির মিডিয়াগুলো (সোশাল মিডিয়া বা সামাজিক মাধ্যম) এসেছিল মতপ্রকাশের একটা মাধ্যম হিসেবে। এর পেছনে ছিল নতুন ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসার। পুঁজি তার মুনাফার স্বার্থেই জনপ্রিয় করে তুলতে চেয়েছিল ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর এসব গণমাধ্যমকে। এবং সেই উদ্দেশ্য সফলও হয়েছিল। কিন্তু নয়া উদারবাদী জমানার পুঁজি, পুঁজিবাদের গোড়ার যুগের সঙ্গে সাযুজ্য রক্ষাকারী বুর্জোয়া গণতন্ত্রকে সেবা করে না। সেবা করে নয়া উদারবাদী পুঁজিকে, রাজনৈতিক ভাবে যা চরিত্রের দিক থেকে একচেটিয়া, ফাটকা, লুঠেরা, আধিপত্যকারী এবং প্রতিষ্ঠিত বিধিবিধান অগ্রাহ্যকারী। সেই একই বৈশিষ্ট্য বহন করে নয়া উদারবাদী মিডিয়া, যার মধ্যে পড়ে সোশাল মিডিয়াও। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক যেসব ইস্যুগুলি জনজীবনের ভালমন্দের জন্য চর্চা করা জরুরি, সেটা হতে না দেওয়াই নয়া উদারবাদী মিডিয়ার লক্ষ্য। যেমন আমাদের দেশে মূল্যবৃদ্ধি, মূদ্রাস্ফীতি, দারিদ্র্য, বেকারত্ব ইত্যাদি ইস্যুগুলিকে পাশ কাটিয়ে অধিকাংশ মূল¯্রােতের মিডিয়া ধর্মীয় বিভাজন, ক্রিকেট কিংবা বিনোদনের দিকে সাধারণ মানুষের নজর ঘুরিয়ে দিতে ব্যস্ত। এমনকী, নয়া উদারবাদী পুঁজির কেন্দ্র আমেরিকাতেও তেমনই ঘটে। তাই আমেরিকায় দুটো বিশালকায় ব্যাংকে লালবাতি জ্বললেও এবং বহু আমানতকারীর ক্ষতি হলেও সেই খবর চলে যায় ইউক্রেন যুদ্ধের অনেক পরে। যেন ব্যাঙ্কে লালবাতি জ্বললেও এবং তা নয়া উদারবাদী পুঁজির সংকট প্রমাণ করলেও, সেটা কোনও খবরই নয়। ইউক্রেনে ‘রাশিয়া হারল’ কি না সেটাই বড় ব্যাপার। এক কথায়, যতদিন যাচ্ছে এবং নয়া উদারবাদী পুঁজির সঙ্কট যত সামনে আসছে, ততই সেগুলো দৃষ্টির আড়ালে রেখে অন্য এক ভিন্ন দুনিয়ার ছবি নির্মাণে ব্যস্ত নয়া উদারবাদী মিডিয়া থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া, সকলেই। আধুনিক প্রযুক্তি ভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়ার অন্য দিকটা হল ডিজিটাল ফ্যাসিবাদ। যত দিন যাচ্ছে ততই একাধিক দেশে, যেখানে ক্ষমতায় রয়েছে গণতান্ত্রিক বা সমাজবাদী শক্তি, সেখানে খোলাখুলি দক্ষিণপন্থি ও ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলিকে মদত দিচ্ছে সোশাল মিডিয়া। এসব দেশে নির্বাচিত, প্রগতিশীল সরকারগুলিকে ক্ষমতাচ্যুত করার সপক্ষে জনমত গড়ে তুলছে সোশাল মিডিয়া। এমনকী অভ্যুত্থানেও মদত দিচ্ছে। ইদানিং বেশ কিছু দেশে এই প্রয়াস চালানো হচ্ছে একেবারে খোলাখুলি। বলিভিয়ার কথাই ধরা যাক। বলিভিয়ায় এখন ক্ষমতায় রয়েছে ইভো মোরালেসের দল বামপন্থী মুভমেন্ট টুয়ার্ডস সোশ্যালিজম দল (এমএএস)। সেদেশের স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমের খবর, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ১০৪১টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ৪৫০টি পেজ, ১৪টি গ্রুপ এবং ১৩০টি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টকে পুরোপুরি মুছে দেওয়া হয়েছে সেদেশের মিডিয়া থেকে। এইসব অ্যাকাউন্টগুলি ছিল সরকারে ক্ষমতাসীন মুভমেন্ট টুয়ার্ডস সোশ্যালিজম (গঅঝ-ওচঝচ)-এর সমর্থকদের। নিষিদ্ধ করে দেওয়া কোনও অ্যাকাউন্টকেই আর ফেরানো হয়নি। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হল, ‘কোঅর্ডিনেটেড ইনঅথেন্টিক বিহেভিয়ার’ বা ‘সমন্বিত এলোমেলো ব্যবহার’। যদিও এই অভিযোগের অর্থ কী এবং কারা এসবের মানদণ্ড ঠিক করে দিল, সে বিষয়ে কোনও ব্যাখ্যাই দেয়নি সেদেশের ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষ। সংবাদমাধ্যমের যে প্রতিবেদনে এই খবরটি প্রকাশিত হয়েছে সেটি লিখেছেন বলিভিয়ারই সাংবাদিক অস্কার অ্যালফ্রো। তিনি দেখিয়েছেন, ‘কোঅর্ডিনেটেড ইনঅথেন্টিক বিহেভিয়ার’ এমন একটা ধারণা, যাকে চিহ্নিত করা হয় সুবিধামতো ব্যবহার করা যায় অ্যালগরিদমের সাহায্যে। এরকম মেঠো গোছের অ্যালগরিদমের সাহায্যে কোনও গোষ্ঠীর সামাজিক কিংবা অন্যান্য মনোভাব বিচার করা বেশ কঠিন। অথচ মুভমেন্ট টুয়ার্ডস সোশালিজম-এর পক্ষের গোষ্ঠীগুলিকে নিষিদ্ধ করার কাজে সেই গোলমেলে অ্যালগরিদিমকেই কাজে লাগানো হয়েছে। আসলে বলিভিয়ায় মূলস্রোতের সংবাদমাধ্যমগুলি নিয়ন্ত্রণ করে দক্ষিণপন্থি গোষ্ঠীগুলি। ফলে জাতীয় সংবাদমাধ্যমের বিকল্প হিসাবে বামপন্থিরা সোশাল মিডিয়াকেই তাদের হাতিয়ার হিসাবে কাজ লাগানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ করতে বিরোধীপক্ষকে সাহায্য করার যুক্তিতে মেটার ফেসবুক হাত শক্ত করছে ‘মেম্বারস অফ অপোজিশন’-এর। যেন সর্বত্র বিরোধীদের স্বার্থ দেখাটাই ফেসবুকের কাজ। আসলে মুভমেন্ট টুয়ার্ডস সোশ্যালিজম-এর বিরোধী দক্ষিণপন্থিদের মদত দেওয়াটাই মেটার আসল লক্ষ্য যাতে তারা খোলাখুলি সরকার বিরোধী ঘৃণা-ভাষণ ছড়াতে পারে এবং জাতিগত বৈষম্যের মনোভাবে উস্কানি দিতে পারে। মেটা ও বোলসোনারোর ব্রাজিল বলিভিয়াই একমাত্র উদাহরণ নয়। ২০২১ সালে নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরাজয়ের পর, সেবছর ৬ জানুয়ারি ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে যে দাঙ্গা হয়েছিল সেখানে লোক জড়ো করার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল ফেসবুক ও হোয়াটস অ্যাপকে। যদিও সেই অপরাধে এখনও পর্যন্ত কারও শাস্তি হয়নি। ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ভুয়া খবর ছড়াতে কতটা দক্ষ তার প্রমাণ ব্রাজিল। ২০১৮ সালে ফেসবুক ব্যবহার করে যে ব্যাপক ভুয়ো প্রচার চালানো হয়েছিল ব্রাজিল, তার জেরেই ভোটে জিতে ক্ষমতায় বসতে পেরেছিলেন জাইর বোলসোনারো। এবং এবার নির্বাচনে জিতে লুলা ক্ষমতায় আসার পরও, একই কীর্তি চালিয়ে যাচ্ছে মেটা। এবার নির্বাচনের আগেও লুলার বিরুদ্ধে একই ধরনের ভুয়ো প্রচার চালিয়েছিল ফেসবুক। মেটার নীতি বদল না হওয়া পর্যন্ত এসব কলকারখানা চলবে। সেকারণে ব্রাজিলের ৯০টি সিভিল সোসাইটি সংগঠন চাইছে এমন আইন জারি করতে যাতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে অক্ষুন্ন রেখেই সোশাল মিডিয়া ভুয়ো এবং বিকৃত খবর আটকানো যায়। ফেসবুক এ ধরনের ভুয়া ও বিকৃত খবর প্রচার করে নিজেদের মুনাফার স্বার্থেও। একটা কনটেন্টের যত বেশি প্রচার, তত মুনাফা। অতএব ভুল-ঠিক বিচারের দরকার কী, এমনটাই মেটার অবস্থান। আর সেই অবস্থানের দৌলতেই দেদার সমর্থন করা যায় দক্ষিণপন্থিদের। তাদের হয়ে প্রচারেও মুনাফা। আবার তারা ক্ষমতায় এলেও মুনাফা। এভাবে মুনাফার সন্ধান মিলিয়ে দেয় দক্ষিণপন্থি রাজনীতি আর সোশাল মিডিয়ার মালিক পুঁজিপতিদের। গড়ে ওঠে ক্রোনি পুঁজি ও দক্ষিণপন্থিদের এক নতুন ধরনের জোট যা সত্যকে আড়াল করে ক্রমাগত মিথ্যার নির্মাণ করে যায়। সেকারণে ফেসবুকের প্রাক্তন কর্তা ইয়েল এইজেনস্ট্যাট মন্তব্য করেছিলেন, মিথ্যা বেচেই আংশিক লাভ হয় ফেসবুকের। তারা এমন বিপজ্জনক হাতিয়ার বিক্রি করে যাতে তথ্য যুদ্ধকে নতুন একটা স্তরে পৌঁছে দেওয়া যায়। বার্মার কথাও ধরা যেতে পারে। অ্যামেনস্টি ইন্টারন্যাশনালের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাগ্নেস ক্যালামার্ড জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে বার্মায় রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে খুন করা হয়, নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হয়, এবং হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে বার্মা ছাড়তে বাধ্য করা হয়। এই সব ঘটনার কয়েক মাস আগে থেকেই ফেসবুকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা উসকে দিয়ে লাগাতার প্রচার চালানো হয়। এর ফলেই রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা নেমে আসে। অ্যাগ্নেসের কথায়, যখন সামরিক বাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে, তখন ঘৃণা ভাষণ ও ভুয়ো খবর প্রচার করে উস্কানি দিয়ে কোটি কোটি ডলার মুনাফা করেছে মেটা। এটাকে এ্যাগ্নেস বলেছেন, ‘হেট-স্পাইরালিং অ্যালগরিম’। ২১ বছরের রোহিঙ্গা শরণার্থী সৈদুল্লাহ বলেন, ‘ফেসবুকে আমি ভয়ঙ্কর সব জিনিস দেখেছি। ভাবতাম, খারাপ লোকেরা এসব লিখেছে। পরে আমি বুঝলাম, যারা এসব লিখেছে তারাই শুধু নয়, ফেসবুক নিজেও এই ষড়যন্ত্রে জড়িত। এই সব অবাধে প্রচার করতে দিয়ে ফেসবুক ওদের সাহায্য করছে।’ মেটা তখনই মুনাফা করে যখন অনেক বেশি বেশি লোক অনেকক্ষণ ধরে ফেসবুকে থাকে। সেটা সম্ভব কৌশলে ঘৃণা ও মিথ্যা প্রচার করতে পারলে। ফলে ঘৃণা ভাষণ ও বিদ্বেষ ছড়ানোটা মেটার ব্যবসানীতির একটা অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। কারণ এসব খবরেই অনেক বেশি লোককে অনেক বেশি সময় ফেসবুকে ধরে রাখা যায়। একইসঙ্গে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নজর রাখে যাতে দ্রুত এই ধরনের খবরগুলো ছড়াতে থাকে। এটাই হল ফেবুকের নজরদারি ভিত্তিক বিজনেস মডেল। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, বার্মায় একটি পোস্টে একজন মুসলিম মানবাধিকার কর্মীকে জাতীয় বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছিল। সেই পোস্ট শেয়ার হয়েছিল ১ হাজার বার। এরপরেই কমেন্ট আসতে শুরু করে, এই সব কুকুরদের গুলি করে মারা উচিত। বুঝতেই পারা যাচ্ছে কত সহজে একজন মানবাধিকার কর্মীকে দেশদ্রোহী সাজিয়ে দিতে পারে ফেসবুক। বার্মার সেনা বাহিনীর সিনিয়র জেনারেল মিন আউঙ হ্লাইং ২০১৭ সালে ফেসবুকে যে পোস্ট করেছিলেন তাতে লেখা ছিল, ‘আমরা খোলাখুলি জানিয়ে দিচ্ছি যে আমাদের দেশে রোহিঙ্গা বলে কোনও জনগোষ্ঠী নেই।’ এই ভদ্রলোকই ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের ক্ষমতা দখল করেছিলেন। রাষ্ট্রসঙ্ঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন মায়ানমার সম্পর্কে যে সিদ্ধান্তে গিয়ে পৌঁছেছে তা হল, সেদেশে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অত্যাচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে সোশাল মিডিয়া এবং ফেসবুকই। নির্বাচনের আগে-পরে ভারতেও মেটা কীভাবে বিজেপিকে তুলে ধরে তার নজিরও আমাদের দেখা আছে। এক কথায় বললে, ফেসবুকে যত লোক যত বেশি সময় থাকবে ততই ফেসবুকের মুনাফা বাড়বে। সুতরাং, যত ঘৃণা ভাষণ বাড়বে, যত ভুয়া খবরে উত্তেজনা ছড়াবে, যত বেশি তিক্ততা ও বৈষম্য তৈরি হবে, ততই লোকে ফেসবুকে হামলে পড়বে। আর ফেসবুকের লাভ ততই বাড়বে। ঘৃণা ও মিথ্যাকে পুঁজি করে মুনাফা কামানো- এটা ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইনস্টাগ্রামের মতো কেউ পারে না। বলিভিয়া, ব্রাজিল কিংবা বার্মায় আমরা নানা ভূমিকায় ফেসবুককে দেখলাম। ট্রাম্পের হয়েও অভ্যুত্থান সংগঠিত করতে দেখা গেছে মেটাকে। আরও অনেকভাবে মেটাকে দেখা যাচ্ছে কখনও ইউক্রেনে, কখনও জর্জিয়ায়, কখনও বা ইয়েমেনে। একেক দেশে একেক রকম কৌশল নিয়ে দক্ষিণপন্থি, ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলিকে মদত দেয় মেটা। মদত দেয় অত্যাচারে। মদত দেয় অভ্যুত্থানে। মদত দেয় ফ্যাসিবাদী শক্তিকে। সোশাল মিডিয়া ততক্ষণই সোশাল, যতক্ষণ হিংসা ও ঘৃণার প্রচার ছাড়াই তার মুনাফা সুনিশ্চিত হয়। আবার মুনাফা বাড়িয়ে নিতে যখন-তখন সরাসরি ফ্যাসিবাদী ও দক্ষিণপন্থিদের হয়ে প্রচারে নেমে পড়তে পারে মেটা। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ তখন সন্ত্রাস, ঘৃণা ভাষণ ও ভুয়া খবর প্রচারের হাতিয়ার হয়ে ওঠে। মেটা কি আসলে ডিজিটাল ফ্যাসিবাদের প্রতীক হয়ে উঠছে, যা তাকে দেয় বিপুল মুনাফা। তাই শ্রেণি নিরপেক্ষ ডিজিটাল প্রযুক্তির ধারণা একটা বায়বীয় বিষয়, যা যে কোনো মুহূর্তে মিলিয়ে যেতে বাধ্য।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..