বর্তমান বিশ্বের দ্বন্দ্ব ও ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশের গুরুত্ব এবং ক্ষমতার রাজনীতি

লুৎফর রহমান

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
সোভিয়েত আমলে বিশ্ব দুই মেরুতে বিভক্ত ছিলো, সমাজতান্ত্রিক ও সাম্রাজ্যবাদী বিশ্ব। সোভিয়েতের পতনের পর হয় একক নেতৃত্বের বিশ্ব। সেটা সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার একক নেতৃত্ব। কিন্তু বস্তুময় পৃথিবী এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকার নয়। গতিশীল দ্বন্দ্বময় বিশ্বে সাথে সাথে সূচনা হয় নতুন দ্বন্দ্বের। পরস্পর বিপরীতমুখী এই দ্বন্দ্বের উপাদান দুই দেশ, আমেরিকা ও চীন। বাণিজ্য ও সামরিক দিক থেকে আজ চীনের ব্যাপক উন্নতি, গতি আমেরিকাকে টপকানোর দিকে। চীন তার বিকাশের প্রয়োজনে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রকল্পটির নাম ‘বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বা বিআরআই’। বিআরআই প্রায় বছর দশেক আগে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ‘বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ বা বিআরআই ঘোষণা করেন। সমুদ্র ও সড়কপথে চীনের সাথে এশিয়া ও ইউরোপকে বাণিজ্যসূত্রে গাঁথার প্রকল্প হচ্ছে এই ‘বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’। চীনের বক্তব্য হচ্ছে, বিআরই চীনের সাথে বিশ্ব অর্থনীতির সরাসরি সংযোগ। এই প্রকল্প চীনের বিনিয়োগ মঞ্চ। ভূরাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উদীয়মান বাজারে অবকাঠামো প্রকল্পের মাধ্যমে পুঁজি বিনিয়োগ। বিআরআই-এর উদ্দেশ্য সারা বিশ্বকে বাণিজ্য প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট করা। এটা বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলকে সংশ্লিষ্ট করে, উন্নয়নের বিভিন্ন ধাপকে সম্পর্কিত করে, বিভিন্ন ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ধর্মকে সম্পর্কিত করে এবং বিভিন্ন প্রথা ও জীবনাচারকে সম্পর্কিত করে। এটা উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহযোগী ও শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের উদ্যোগ। এটি মানবজাতির সহযোগী একটি কমিউনিটি গঠনের উপায়, সমৃদ্ধ বিশ্বব্যবস্থা গঠনের উপায়। বিস্তর পরামর্শ, যৌথ ভূমিকা ও সুবিধা বণ্টনের নীতি হচ্ছে এর ভিত্তি। পাঁচটি বৃহৎ ক্ষেত্রে যেমন- ১. নীতি সমন্বয় ২. অবকাঠামো ও সুবিধাবলির সংযুক্তি ৩. বাধাহীন বাণিজ্য ৪. নিবিড় নাগরিক বন্ধন ৫. সমৃদ্ধি অর্জন ও বণ্টনের পথ নির্ণয় বিআরআই-এর লক্ষ্য। বর্তমানে ১৫০টিরও বেশি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন চীনের সাথে বিআরআই সহযোগিতা দলিলে স্বাক্ষর করেছে। বিষয়টি আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারাও এর বিকল্প একটি প্রকল্পের অবতারণা করেছে, নাম ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্রাটেজি বা আইপিএস। আইপিএস এবার আমরা ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্রাটেজি বা আইপিএস নিয়ে আলোচনা করবো। ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে যে সব দেশ আছে সেগুলোকে নিয়েই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল। চীনকে প্রতিরোধ করার লক্ষ্য থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তাঁর প্রশাসন ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্রাটেজি বা আইপিএস কৌশল ঘোষণা করেছেন। তাঁর ঘোষণায় তিনি এক অবাধ, মুক্ত, সংযুক্ত, সমৃদ্ধ এবং সুরক্ষিত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের কথা বলেছেন। এটি করতে হলে চীনকে ঠেকাতে হবে এটাই এই কৌশলের মুদ্দা কথা। এই নীতি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসোসিয়েশান অফ সাউথ-ইস্ট এশিয়ান নেশনস্ (আশিয়ান), কোয়াড্রিল্যাটারাল সিকিউরিটি ডায়লগ (কোয়াড), অস্ট্রেলিয়া ও বৃটেনের মতো মিত্র দেশ ও জোটকে নিয়ে এগুতে চায়। বিশ্লেষকদের ধারণা চীনের অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রভাব ঠেকানোই এই কৌশলের মূল লক্ষ্য। যে সব দেশ মার্কিন এই কৌশলের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে, তাদের বেশিরভাগের সাথে চীনের নানা বিষয়ে বিরোধ রয়েছে। বাস্তবে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থরক্ষাই এই কৌশলের মূল লক্ষ্য। ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশের গুরুত্ব বর্তমান বিশ্বের এহেন দ্বন্দ্বের প্রেক্ষিতে ভূরাজনৈতিক দিক থেকে বাংলাদেশের গুরুত্বের কথা বিবেচনা না করে উপায় নেই। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি সাধন করেছে, তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। দূরত্ব বিবেচনায় পরাশক্তি চীন আমাদের কাছের দেশ। তার বিআরআই প্রকল্পের প্রয়োজনে মিয়ানমার হয়ে আমাদের জলপথ, স্থলপথ এবং অর্থনৈতিক পরিকল্পনা চীনের সহায়ক। ভারত আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী দেশ। ভারতের সাথে আমাদের দীর্ঘ সীমানা রয়েছে। এছাড়া ভারতের সাত প্রদেশের সাথে তার যোগাযোগের বেলায় বাংলাদেশের স্থলপথ এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ভারত-চীন বিরোধ বিবেচনায় দুদেশেরই বাংলাদেশ প্রয়োজন। তারপর আসা যাক রাশিয়ার কথায়। ভারত ও রাশিয়া আমাদের মুক্তিযুদ্ধকালীন বন্ধু। রাশিয়া আমাদেরকে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে দিচ্ছে, দেশটি আমাদের বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে রাশিয়ার ওপর রয়েছে পশ্চিমাদের স্যাংশন। সুতরাং সে এখন বাংলাদেশে তার নানা পণ্য ও জ্বালানির বাজার সম্প্রসারণ করতে আগ্রহী। এছাড়া আমেরিকা ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্রাটেজি বাস্তবায়নে অর্থাৎ চীনকে ঠেকানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশকে জল-স্থল ও অর্থনৈতিক দিক থেকে নিজেদের কব্জায় চায়। তারা চায় বাংলাদেশের সরকার তাদের ইচ্ছায় ও স্বার্থে পরিচালিত হোক। তারা চাপ সৃষ্টি করে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের কথা বলে এবং নানা ক্ষেত্রে স্যাংশন আরোপ করে, আসলে যার মূলে রয়েছে তার সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থ। এক্ষেত্রে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ভারতকে সাথে রাখতে প্রয়াস পায়। এসব বিবেচনায় বর্তমানে বাংলাদেশ ভূরাজনীতিতে একটি অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ দেশ। ক্ষমতার রাজনীতি বঙ্গবন্ধুর সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হলো। গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ ও সমাজতন্ত্র হলো রাষ্ট্রের মূলনীতি সংবিধানে যা লেখা হলো। আওয়ামী লীগের একাংশ যারা স্বাধীন দেশে দ্রুত ধনী হতে চেয়েছিলো তারা মানতে পারলো না। অন্তর্ঘাত করতে লাগলো। জাসদ এবং পরাজিত প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি মিলে সরকারবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুললো। সরকার জনগণকে সাথে নিয়ে মোকাবিলার পথে গেলো না। ঘোষণার মাধ্যমে বাকশাল করা হলো, মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বদলিয়ে করা হলো রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার। সব দল বাতিল করা হলো। কাটাছেঁড়া করা হলো সংবিধান। বিচার বিভাগের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ আরোপিত হলো। সবই করা হলো ক্ষমতায় টিকে থাকার মানসে। সূচনা হলো গণতন্ত্রের পরিবর্তে ক্ষমতার রাজনীতি। জেনারেল জিয়ার সরকার বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করলো মোশতাক। মোশতাককে সরিয়ে সামরিক আইন জারি করলো জেনারেল জিয়া। ক্ষমতার রদবদলে জনগণের ভূমিকা রহিত হলো। সামরিক শাসনের ভেতরই বিএনপি পার্টি গঠিত হলো এবং প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচন করে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করা হলো। সংবিধানের মূলনীতিগুলো বদলিয়ে সাম্রাজ্যবাদের সহযোগিতায় বাজার অর্থনীতি চালু করা হলো। মুক্তিযদ্ধের চেতনা থেকে সরে দেশ চলে গেলো পাকিস্তানি ধারায়। বহু মুক্তিযোদ্ধাকে সামরিক ট্রায়ালে হত্যা করা হলো। সবই করা হলো ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য। জেনারেল এরশাদের সরকার রাতের অন্ধকারে জেনারেল জিয়া নিহত হলেন চট্টগ্রামে। নির্বাচনের মাধ্যমে বিচারপতি সাত্তার সাহেবের সরকার গঠিত হলো। তারপর জেনারেল এরশাদ তাকে বন্দুকের নল দিয়ে গুঁতো মেরে সরিয়ে সামরিক শাসন জারি করে ক্ষমতা দখল করলেন। তিনিও সামরিক শাসনের মধ্যেই জাতীয় পার্টি গঠন করলেন এবং একটানা নয় বছর প্রহসনের নির্বাচন করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রইলেন। ক্ষমতার রাজনীতি আরো উন্মুক্ত হলো। গণঅভ্যুত্থানে তাঁর পতন হলো। বেগম খালেদা জিয়ার সরকার ১৯৯০ সাল পর্যন্ত শাসনকাল পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে দলীয় সরকারের অধীনে ফেয়ার নির্বাচন হয় না। তাই ২২ দলের ফর্মুলা অনুসারে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে বেগম খালেদা জিয়া সরকার গঠন করেন। ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারণাকে নাকচ করেন। বিরোধীরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুললে বিএনপি ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী একাই ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে। আন্দোলন আরো তীব্র হলে বিএনপি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন দিতে বাধ্য হয় এবং পরাজয় বরণ করে। ১ অক্টোবর ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলে আবার বিএনপি জয়লাভ করে এবং বেগম জিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। শেখ হাসিনার সরকার ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনা প্রথম ক্ষমতায় যান। তারপর দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় যান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে। ক্ষমতায় গিয়ে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পরিকল্পনা করেন এবং পার্লামেন্টে আইন পাস করে বাতিলই করেন সুপ্রিম কোর্টের রায় দেখিয়ে। তারপর তাঁর সরকারের অধীনেই ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিরোধীরা যা বর্জন করেন। এই নির্বাচনে ১৫৩ টি আসনে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়। তারপর ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় দলীয় সরকারের অধীন এবং ভোট হয়ে যায় আগের দিন রাতেই। এবার ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিরোধীরা সেখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে অনড়। এই নির্বাচনকে ঘিরে বিদেশিরা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নগ্ন হস্তক্ষেপ করেই চলেছে। গণতন্ত্র, সুশাসন, মানবাধিকার এসব তাদের এজেন্ডা। আমাদের আলোচনা থেকে নিম্নে বর্ণিত বিষয়সমূহ বেরিয়ে এসেছে। যথা- ১। আমাদের শাসকগোষ্ঠী মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা আদর্শ থেকে সরে পড়েছে। ২। দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয় না। দীর্ঘ বায়ান্ন বছরেও শাসকগোষ্ঠী শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতাবদলের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারেনি। ক্ষমতার রাজনীতিই তাদের একমাত্র লক্ষ্য যে জন্য তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী না, স্বৈরতন্ত্র, কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ তাদের লক্ষ্য। ৩। বায়ান্ন বছরে বাংলাদেশের প্রভূত উন্নতি হয়েছে যার প্রকৃত দাবিদার মেহনতি জনতা। আরো ব্যাপক উন্নতি হতো যদি লুটপাট, বিদেশে অর্থপাচার, কর্তৃত্ববাদ, অগণতান্ত্রিকতা ও সাম্রাজ্যবাদের নগ্ন হস্তক্ষেপ এসব তিরোহিত হতো। দেশ আজ পাঁচ ও পঁচানব্বই এই ভাগে বিভক্ত। বলা যায় বৈষম্য পাহাড় সমান। ৪। আমাদের শাসকরা যদি জনগণের ওপর নির্ভর করতো, গণতন্ত্র প্র্যাক্টিস করতো তাহলে বিদেশি কোনো শক্তি এখানে জায়গা পেতো না। তারা একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে পারতো যা এখন তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। ৫। আমাদের এই লুটেরা শাসকদের দ্বারা আর জাতীয় সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সুতরাং মেহনতি মানুষদেরকে আজ ক্ষমতা দখলের জন্য বিকল্প দেশপ্রেমিক প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির সমাবেশ ঘটাতে হবে, মাঠে নেমে রুটিরুজির লড়াইয়ের ভেতর দিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের যা চেতনা বা দাবি। বিষয়টি কঠিন এবং সময় সাপেক্ষ, তবু ধৈর্যের সাথে এবং দৃঢ়তার সাথে তা-ই করতে হবে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..