বিপ্লব কোন পথে আসবে

কল্লোল বনিক

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
রুশ সাহিত্যিক চের্নিশেভস্কির একটি বৈপ্লবিক রোমান্টিক উপন্যাসের নাম ছিল ‘কী করতে হবে’। রুশ বিপ্লবের নেতা লেনিনকে কৈশোরে প্রেরণা জুগিয়েছিল ঐ উপন্যাস। পরবর্তীকালে ১৯০২ সালে মার্ক্সবাদী শ্রমিকশ্রেণির পার্টি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক একটি বই প্রকাশ করেন লেনিন। যার নাম ছিল ‘কী করতে হবে’। বইটির শিরোনামের সাথে একটা উপশিরোনামও (সাব-টাইটেল) ছিল ‘আমাদের আন্দোলনের যেসব প্রশ্ন তীব্রভাবে আলোড়িত হচ্ছে’। বইয়ের ভূমিকায় লেনিন সংযোজন করেন মার্ক্সের কাছে শ্রমিকনেতা লাসালের লেখা চিঠির কিছু অংশ, যেখানে লাসালে বলেন “কোনো পার্টির দুর্বলতার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো সেটার বিক্ষিপ্ততা এবং স্পষ্ট সীমারেখাগুলো লেপে মুছে যাওয়া। পার্টি আরও শক্তিশালী হয় নিজেকে বিশোধিত করে। ” সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে লেনিন মনে করতেন সারা রাশিয়া জুড়ে একটি সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল ও কেন্দ্রীভূত পার্টি গড়ে তুলতে হবে, জনগণের সাথে যার বজায় থাকবে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ এবং যা শ্রমিকশ্রেণিকে বৈপ্লবিক সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষমতা রাখে। পার্টিকে চলতে হবে স্বতঃস্ফূর্ত শ্রমিক আন্দোলনের আগে আগে। এই ধরনের পার্টি কীভাবে গড়ে তোলা সম্ভব, তার জন্য কোন কোন পথ গ্রহণ করা প্রয়োজন - ‘কী করতে হবে’ বইয়ে লেনিন মূলত এইসব বিষয়ে বিশদ বর্ণনা করেছেন। লেনিনের এই চিন্তার সূত্রপাত পরিলক্ষিত হয় ১৯০০ সালে ইস্ক্রা পত্রিকায় প্রকাশিত ‘কোথায় শুরু করতে হবে’ নামক একটি প্রবন্ধে। যা পরবর্তী কালে ‘কী করতে হবে’ বইয়ে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়। এই বইয়ের মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হচ্ছে বিপ্লবী পার্টির মধ্যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কীরকম হওয়া উচিত; আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্ততা ও সচেতন সংগঠিত নেতৃত্বের মধ্যে সম্পর্ক কীরকম হওয়া উচিত; শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে ট্রেড ইউনিয়নিজম, অর্থনীতিবাদ ইত্যাদি বিকৃতি কেন আসে এবং কীভাবে এগুলির বিরুদ্ধে লড়তে হবে; ‘প্র্যাক্টিকাল ওয়ার্ক’ এর ধুয়া তুলে থিওরি কে অবজ্ঞা করার তাৎপর্য কী; বিপ্লবী পার্টি কেন পেশাদার বিপ্লবীদের পার্টি হওয়া উচিত; পার্টি সংগঠনে যথার্থ গণতন্ত্রের রূপ কেমন হওয়া উচিত; পার্টিতে পার্টি পত্রিকার গুরুত্ব ও সংগঠক হিসেবে পার্টি পত্রিকার ভূমিকা ইত্যাদি। পরবর্তীকালে এই বই সম্পর্কে লেনিন বলেন- তৎকালীন রাশিয়ার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে বিচ্ছিন্ন করে এই বইকে বিচার করলে ভুল হবে। ১৯০৩ সালে জুলাই মাসে রুশ সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির দ্বিতীয় কংগ্রেসে এই বইয়ের সমালোচনায় লেলিন বলেন- “অর্থনীতিবাদীরা একদিকে ঝোঁক দিয়ে একবারে শেষপ্রান্তে চলে গিয়েছে; এটা ঠিক করতে হলে কোনো একজনের উল্টাদিকে টান দেয়া দরকার ছিল- আমি সেটুকুই করেছি।” বিপ্লবী পার্টি গঠন প্রক্রিয়ায় লেনিনের দিকনির্দেশনার গভীরে প্রবেশ বর্তমান রচনার আপাত লক্ষ্য নয়, আপাত লক্ষ্য আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে করণীয় নির্ধারণে একজন রাজনৈতিক আন্দোলনের কর্মীর চিন্তা বিনিময়। বাংলাদেশ বর্তমানে একটা গভীর সংকটে নিমজ্জিত। এই সংকটের স্রষ্টা মূলত শাসকগোষ্ঠী। বিগত যেকোনো সময়ের তুলনায় দেশে গণতান্ত্রিক চর্চার পরিবেশ খারাপের দিকে। পাবলিক সার্ভিস কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, নির্বাচন কমিশন, মানবাধিকার কমিশনের মতো স্বায়ত্তশাসিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করা হয়ে গেছে। ধন বৈষম্য, আয় বৈষম্য সকল মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে আশিভাগ মানুষের প্রকৃত আয় কমে গেছে। সাধারণ মানুষের খাবারের মান এবং পরিমাণ উভয়ই কমে গেছে। প্রয়োজনের তুলনায় কম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের ৭১% পরিবার। বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রতিনিয়ত দেশের বাইরে পাচার হয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্র এখনো সবার জন্য মানসম্মত আধুনিক শিক্ষার নিশ্চয়তা দিতে পারে নাই। স্বাস্থ্যখাত যে কতটা ভঙ্গুর সেটা করোনা মহামারি এসে আমাদের দেখিয়ে দিয়ে গেছে কিন্তু সেখানেও উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নাই। সনাতনী আইনকানুন আধুনিকীকরণ তো দূরের কথা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে মতপ্রকাশের অধিকারকে হরণ করা হচ্ছে। সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে ভারতকে, মার্কিন কোম্পানি পাচ্ছে সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানের সুযোগ। অথচ এই সকল চুক্তি কাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করছে দেশবাসী জানে না। অনেকেই বলছে সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারের এই ধরনের চুক্তির প্রবণতা ঊর্ধ্বগামী। সরকারের নেওয়া বড় বড় প্রকল্পগুলোর নির্মাণ ব্যয় অস্বাভাবিক রকম বেশি। তার সাথে রয়েছে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রকল্প পরিকল্পনার সমস্যা। একে একে দখল হয়ে যাচ্ছে নদী, খাল, বিল। বড় বড় কোম্পানিগুলো নদী দখল করে স্থাপনা গড়ে তুলছে। কারখানার দূষিত বর্জ্যে নদীগুলো সয়লাব। কৃষকরা ফসলের ন্যায্য দাম পাচ্ছে না। বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে সিন্ডিকেট। দেখার কেউ নাই। শহরে এক একটা বড় দুর্ঘটনা বা বিস্ফোরণের পর বের হয়ে আসে দুর্নীতির তথ্য। এই পরিস্থিতিতে সবচাইতে সংকটে আছে শ্রমজীবী মানুষ। প্রতিবছর কর্মক্ষেত্রে অসংখ্য শ্রমিককে জীবন দিতে হচ্ছে। প্রতিবছর বাঁচার জন্য জীবন বাজি রেখে অনেক মানুষ দেশের বাইরে পাড়ি দিচ্ছে। অনেককেই দেশে ফেরত আসতে হয় লাশ হয়ে। রাষ্ট্রীয় কলকারখানাগুলো বন্ধ করে নামমাত্র মূল্যে তুলে দেয়া হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে। এভাবে বলে শেষ হওয়ার নয়। মুনাফা আর লুটেরাদের ক্ষমতা লিপ্সার কাছে বলি হচ্ছে অসংখ্য মানুষের জীবন আর প্রকৃতি। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশে কীভাবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা যায়? এর জন্য আজকে কী করতে হবে? এর অনেক উত্তরই অনেকে দিতে পারবে। কিন্তু একজন রাজনৈতিক আন্দোলনের কর্মী হিসেবে যেটা সাধারণ বোঝাপড়া তা হলো শোষিত শ্রেণির নেতৃত্বে একটা বিপ্লবই কেবল পারে বাংলাদেশকে একটি মানবিক রূপ দিতে। এ ভিন্ন বিকল্প কোনো রাস্তা খোলা নাই। যে কোনো ধরনের সংস্কার হয়তো সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে কিন্তু সেটা কোনো স্থায়ী সমাধান হবে না। আমরা আমাদের চোখের সামনে দেখলাম ৯০-এর গণআন্দোলন, জনগণের আত্মত্যাগ কীভাবে ম্লান করে দিলো শাসকগোষ্ঠী। আমাদের চারপাশের হাজারটা সঙ্কটের মূলে রয়েছে শোষণমূলক ব্যবস্থা। আমাদের মনোজগতে, রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে এখনো সামন্ততান্ত্রিক চিন্তাভাবনার প্রভাব প্রকট। স্বাধীনতাত্তোর যারাই ক্ষমতায় গেছে তারাই নিজেদের সর্বেসর্বা মনে করেছে। জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন তাদের কাছে কখনোই প্রাধান্য পায় নাই। ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, জাতিগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিনিয়ত জনগণকে বিভক্ত করে রাখার তৎপরতা শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে বিরাজমান। মুনাফার কাছে মানবিকতা সর্বক্ষেত্রে বিপর্যস্ত। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কাছে এই সমাজ এক দম বন্ধ করা পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বিদ্যমান ব্যবস্থার আইন কানুন রীতিনীতি, ক্ষমতা কাঠামো ভেঙে নতুন মানবিক ব্যবস্থা বিনির্মাণ ব্যতীত সাধারণ মানুষের মুক্তি নাই। ইতিহাস আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়। কমরেড জসিমউদ্দিন মণ্ডল বলেছিলেন “চল্লিশের দশক থেকে আজ পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা বড় লোকের, জোতদারের ও মহাজনের সরকার। এরা শ্রমিকের স্বার্থরক্ষা করবে না। শ্রমিকের রাজনীতি বুঝে, অঙ্ক করে জীবন বাজি রেখে লড়াই করে এই সমাজ ভাঙ্গতে হবে। এবং ভাঙ্গিতেই হবে। শ্রমিককেই লড়াই ও বিপ্লবের মাধ্যমে এই বড় লোকের সমাজ ভেঙ্গে তার নিজের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” এর চাইতে সঠিক উপলব্ধি আর হতে পারে না। শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে একটি বিপ্লব ভিন্ন সাধারণ মানুষের সামনে মুক্তির কোনো পথ খোলা নাই। এঙ্গেলস বলেছেন যে, কেউ বিপ্লব চাইলে, বিপ্লব করার জন্য কী কী করা দরকার সেটাও তাকে চাইতে হবে। আমরা জানি বিপ্লবের জন্য বিপ্লবী তত্ত্বায়ন জরুরি। কমরেড লেলিন আমাদের দেখালেন এবং শিখালেন যে বিপ্লবের জন্য একটা বিপ্লবী পার্টি অপরিহার্য। যেই পার্টির জনগণের সাথে থাকবে নিবিড় যোগাযোগ এবং যারা শ্রমিকশ্রেণিকে নেতৃত্ব দিবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে। যারা প্রতিষ্ঠা করবে বুর্জোয়া একনায়কতন্ত্রের জায়গায় শ্রমিকশ্রেণির একনায়কতন্ত্র। ব্যক্তিমালিকানার জায়গায় ধীরে ধীরে সর্বক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হবে সামাজিক মালিকানা। এটা অস্বীকার করার কোনো কারণ নাই যে বর্তমানে দেশে গণভিত্তিসম্পন্ন বিপ্লবী পার্টি অনুপস্থিত। বাংলাদেশের সংকটের একটা অন্যতম কারণ হচ্ছে এমন বিপ্লবী রাজনৈতিক দলের অনুপস্থিতি যারা জনগণের স্বার্থবিরোধী যে কোনো রাষ্ট্রীয় তৎপরতা রুখে দেবার ক্ষমতা রাখে। কোনো বিপ্লবী পার্টি যদি ধারাবাহিকভাবে জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুতে কার্যকরী লড়াই সংগ্রাম পরিচালিত করতে পারে তাহলে অবশ্যই জনগণ তাদের পাশে এসে দাঁড়াবে। বিপ্লব কোন পথে আসবে তা অনেকাংশে নির্ভর করে বিপ্লবী পার্টির সঠিক রাজনৈতিক লাইন, সেটা কার্যকর করার সক্ষমতা এবং বিপ্লবকে যারা প্রতিহত করতে চায় তাদের শক্তি সামর্থ্য সঠিকভাবে যাচাই করে তা প্রতিহত করার উপর। নিকট অতীতে দেশে বামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলো একত্রিত হয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেছে যার মধ্যে ধর্মঘটের মতো কর্মসূচিও ছিল। কিন্তু এইসকল কর্মসূচি সফল করার জন্য যেই পরিমাণ কর্মীবাহিনী রাজপথে থাকা জরুরি ছিল তার অনুপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠার কোনো বিকল্প নাই। প্রতিকূলতাগুলো সুনির্দিষ্ট করে সেগুলো অতিক্রম করা শিখতে না পারলে এই সমাজ ভাঙা যাবে না। রাজনৈতিক কর্মসূচিগুলো সফল করার জন্য যথাযথ সংখ্যক নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যে শ্রেণির মধ্যে, নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর মধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বিস্তৃত করতে হবে। যারা রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের শিকার হবে তাদের এবং তাদের পরিবারের দেখাশোনার দায়িত্ব বিপ্লবী পার্টিকে নিতে হবে। বিপ্লবী পার্টিতে এমন কোনো তৎপরতা বা কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না যাতে করে পার্টি শৃঙ্খলায় ফাটল ধরে। শ্রেণির স্বার্থ এবং বিপ্লবের স্বার্থই হবে পার্টি ও প্রতিটা পার্টি সদস্যের স্বার্থ। জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জনসম্পৃক্ত সফল ধর্মঘটের মতো রাজনৈতিক কর্মসূচি যেমন পার্টি ও তার সদস্যদের মনোবল চাঙ্গা করবে, সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা যোগাবে তেমনি পার্টিও সাধারণ জনগণের ভরসার কেন্দ্রে চলে আসবে। শাসক গোষ্ঠীও সেক্ষেত্রে বসে থাকবে না। জনগণকে সাথে নিয়ে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস ও নির্যাতন প্রতিহত করা পার্টিকে রপ্ত করতে হবে। এক একটা ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর হতে হবে। লড়াই সংগ্রামের অভিজ্ঞতা ও জনগণের সক্রিয়তাই হয়তো নির্ধারণ করে দিবে বিপ্লবের সঠিক পথ ও সময়। ঠিক যেভাবে এই অঞ্চলে ৭১ এর জন্ম হয়েছিল। কমরেড মাও সে তুংয়ের ভাষায় আমরাও বলতে চাই যে, আমাদের এমন কি আছে যেটা আমরা বিপ্লবের স্বার্থে ত্যাগ করতে পারি না? লেখক: সাবেক ছাত্রনেতা ও ক্ষেতমজুর আন্দোলনের কর্মী

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..