ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা, রেশন, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা দাবি

টিইউসির শ্রমিক সমাবেশ

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

একতা প্রতিবেদক মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রচিত সংবিধানে বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে ন্যায্য মজুরি এবং সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও সস্তা শ্রম ও লুটপাটের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা নব্য ধনিক শ্রেণি অবৈধ পুঁজির দাপটে তা না করে উপরন্তু একচেটিয়াভাবে শোষণ নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রায়াত্ত্ব কল-কারখানা বন্ধ এবং লুটপাট করা হচ্ছে। সরকার এবং এ সকল পুঁজিপতিরা শ্রমিকদের খাইয়ে পরিয়ে বাঁচিয়ে রাখার মত ন্যূনতম দায়িত্ব পালন করছে না। বরং ন্যায্য মজুরি ও আইনানুগ সুযোগ সুবিধার কথা বললে চরমভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। এই অবস্থায় শ্রমিক, শিল্প ও জাতীয় স্বার্থকে বিবেচনায় নিয়ে এদেশের সকল শ্রমিক কর্মচারীদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত স্থায়ী মজুরি কমিশন গঠন করে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ঘোষণা, মহার্ঘ্য ভাতা প্রদান এবং প্রতিবছর মজুরি বৃদ্ধির করার দাবি অবিলম্বে মেনে নিতে হবে। গত ১৭ জুন বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে শ্রমিক সমাবেশে শ্রমিকনেতা সহিদুল্লাহ চৌধুরী এ কথা বলেন। সমাবেশে তার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মালেক, সহ-সভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক, দপ্তর সম্পাদক সাহিদা পারভীন শিখা, অর্থ সম্পাদক কাজী রুহুল আমীন, কেন্দ্রীয় নেতা হাফিজুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন মেহেদী হাসান নোবেল। সহিদুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল চাহিদা এবং আধুনিকায়ন করে চালালে লাভজনক শিল্প হিসাবে অগ্রসর হওয়ার নিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও দুর্নীতি, ভুলনীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে এবং লুটপাটের লক্ষ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকল বন্ধ করে দেয়ার দায়ে দায়ী পাটমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। তিনি বন্ধকৃত রাষ্ট্রায়ত্ব পাট, সুতা, বস্ত্র ও চিনিকল আধুনিকায়ন করে চালু করার দাবি জানান। সাধারণ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান বলেন, ১৯৪৫ সাল থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ শ্রমিকদের জন্য চালুকৃত রেশনিং প্রথা স্বৈরাচার এরশাদ বন্ধ করে দিয়েছে। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির ফলে অনাহারে-অর্ধাহারে থাকা শ্রমিকদের বাঁচিয়ে রাখতে শ্রমিক ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য অতীতের ন্যায় রেশনিং-প্রথা চালু করতে হবে। চট্টগ্রামের বিএম কন্টেইনার ডিপো, সেজান ফুড, রানা প্লাজা ও তাজরীন ফ্যাশনসহ শতাধিক প্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার শ্রমিক হত্যার দায়ে দায়ী অতি মুনাফালোভী মালিক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরতদের শাস্তি দিতে হবে। নিহত শ্রমিকদের আইএলও কনভেনশন অনুসারে ভবিষ্যৎ জীবনের আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ, আহতদের পুনর্বাসন ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। সমগ্র শিল্প প্রতিষ্ঠানে অতিসত্বর বিশেষ তদারকি সাপেক্ষে বিল্ডিং এবং অগ্নিসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন–বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সহ-সভাপতি মাহাবুব আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক মোবারক হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাড. মণ্টু ঘোষ, ইদ্রিস আলী, সাদেকুর রহমান শামীম। সমাবেশ শেষে একটি লাল পতাকা মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে পুরানা পল্টন, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, গুলিস্তান হয়ে শহীদ নূর হোসেন স্কয়ারে এসে শেষ হয়।
প্রথম পাতা
জনগণের অভ্যুত্থানই সম্পদ লুটেরা ও ভোট লুটেরাদের পরাজিত করবে
বন্যার্তদের পর্যাপ্ত ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা কর
সরকারের উদাসীনতায় নিন্দা, ক্ষোভ
‘বন্যায় উন্মোচিত হল উন্নয়নের ফাঁকা বুলি’
বন্যা: সাধারণ মানুষকে ‘মানবতার সেবায়’ এগিয়ে আসার আহ্বান বাম জোটের
‘টাকা পাচার, দুর্নীতি রুখতে বামপন্থি প্রগতিশীলদের ক্ষমতায় আনতে হবে’
সর্বত্র ত্রাণ যায়নি, সুনামগঞ্জ-সিলেটকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা না করায় ক্ষোভ
‘কেবল স্মরণ নয়, তার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্নই হবে প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন’
কমরেড শওকতের মৃত্যুতে সিপিবি’র শোক
বাজেট: শিক্ষায় বরাদ্দের দ্বিগুণ চান শিক্ষাবিদরা
ঈদের আগে বেতন বোনাস, ন্যূনতম বেসিক মজুরি ২০ হাজার টাকা চায় গার্মেন্ট শ্রমিকরা
‘লাকি’ সেভেন

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..