দাম কমেছে পেয়াজ-মরিচের

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
দিনাজপুর সংবাদদাতা : কাঁচা মরিচের আমদানি বন্ধ হলেও বাজারে দেশীয় কাঁচা মরিচের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দিন দিন দাম কমছে। তবে দিনাজপুরের খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কমলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে কেজি প্রতি ৬০-৮০ টাকায়। বাজার মনিটরিং তৎপর থাকলে দামে এতো কমবেশী হতো না বলে জানায় ক্রেতারা। একই সাথে দিনাজপুরের হিলিবন্দর দিয়ে বেড়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের সরবরাহ। এতে করে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম হাতের নাগালে এসেছে। হিলি বাজারে বর্তমানে পাইকাড়ি আড়তগুলোতে ২২ থেকে ২৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ভারতীয় পেয়াঁজ। যা চারদিন আগেও ছিল ২৭ টাকা। আর পাইকারী বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, যা চারদিন আগেও বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকায়। হিলির বাজারে কয়েকজন ক্রেতা জানায়, কয়েকদিন আগেও কাঁচা মরিচের দাম অনেকটাই বেশি ছিল। এখন কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৩০ টাকায় কিনতে পারায় সাধারণ ক্রেতারা স্বস্থিতে। কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ীরা জানায়, কাঁচা মরিচের দাম অনেকটাই কমেছে। কারন দেশীয় বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বেড়েছে। দাম কমার কারনে ক্রেতারা খুশি। একই ভাবে বাজারে দেশি পেঁয়াজ ও পাতা পেঁয়াজের সরবরাহ এবং বার্মা পেঁয়াজের আমদানি বাড়ায় দাম কমে গেছে। ভারতীয় ও বার্মা পেঁয়াজ পাইকারি আড়তগুলোতে ২২ থেকে ২৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৪ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।খুচরা পেঁয়াজবিক্রেতা মিঠু বলেন, ‘দিন দিন হিলিতে পেঁয়াজ আমদানি বাড়ছে। এখানে দেশি পেঁয়াজের দাম এখন ৪০ টাকা। পাতা পেঁয়াজ ৩০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৪ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।’ এদিকে বাজারে শীতকালীন আগাম সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম একটু বেশি। বলা যায়, শীতকালীন আগাম সবজির দাম এখনও সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। পাইকারি বাজারের চেয়ে খুচরা বাজারে অনেক বেশি দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি শিম পাইকারি বাজারে খুচরা ৬০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স খুচরা ৭০-৮০ টাকা, বাঁধাকপি খুচরা ৪০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৪৫ টাকা, মুলা ৩০-৪০ টাকা, বেগুন ৬০-৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শালগম প্রতিকেজি ৬০, পাতাকপি প্রতিটি ৫০, আলু প্রতিকেজি ২৫-৩০, টমেটো ১৫০-১৬০, গাজর ১০০টাকা এবং মাঝারি সাইজের একটি লাউ ৫০-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও লাউশাক, লালশাক, পালংশাক, মূলাশাক আটিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারি বাজারে সবজির দাম বেশি। ফলে সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম কমছে না। সবজির এমন দামে ক্রেতাদের মধ্যেও কিছুটা অস্বস্তি বিরাজ করছে। বাজার করতে আসা মামুন আহমেদ বলেন, সবজির কোনো কমতি নেই। বাজারে শীতের সবজির কোনো অভাব নেই। সেই হিসাবে সব সবজিরই দাম কমার কথা। কিন্তু বাজারে এসে দেখি সবকিছুরই দাম বেড়ে গেছে। কোনো রকম অজুহাত পেলেই দাম বাড়িয়ে দেন বিক্রেতারা। এদিকে স্থিতিশীল রয়েছে মাছ, মুরগী এবং মাংসের দাম। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা দরে। লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। আর সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। এছাড়া ডিমের দামও বেড়েছে হালিপ্রতি ৫ টাকা।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..