ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল হামাস

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা বিদেশ ডেস্ক : ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস আরও চারটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। হামাসের টুইটার পেজে বলা হয়েছে, চারটি নয়া ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। সামরিক শক্তি বাড়াতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফিলিস্তিনি গণমাধ্যম এ সম্পর্কে লিখেছে, ইহুদিবাদী ইসরাইল দাবি করছে তাদের সর্বশেষ আগ্রাসনে গাজার প্রতিরোধ সংগ্রামীদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে ১২ দিনের আগ্রাসনে গাজার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কোনো ক্ষতি হয়নি। এর আগে হামাসের সামরিক শাখা ইয্যাদ্দিন কাস্সাম ব্রিগেড জানিয়েছে, তারাও একটি নয়া ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই হামাস একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাচ্ছে। তবে নতুন ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা সম্পর্কে কিছ্ইু জানানো হয়নি। কয়েক মাস আগে হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রভাবশালী সদস্য ফাতহি হামাদ জানিয়েছিলেন, তারা ইসরাইলের সর্বশেষ আগ্রাসনের পরপরই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি শুরু করেছেন। এদিকে সৌদি আরব সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেল হুথি বিদ্রোহীরা। দাবি করা হয়েছে ইয়েমেনের খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ শাবওয়া এবং মারিব প্রদেশের দখল নিতে সক্ষম হয়েছে তারা। শাবওয়া প্রদেশে বেশ কয়েকটি খনিজ তেলের খনি এবং দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক গ্যাসের টার্মিনাল অবস্থিত রয়েছে। এর পাশাপাশি মারিব প্রদেশে ইয়েমেনের সর্ব বৃহৎ তেলের খনি অবস্থিত। এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, হুথি বিদ্রোহীদের উচিত অবিলম্বে হিংসা থামিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাবিত শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করা। প্রসঙ্গত ইয়েমেনের ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে ২০১৪ সাল থেকে গৃহযুদ্ধ চলছে সেদেশে। এই লড়াইয়ে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্ততপক্ষে আড়াই লক্ষের বেশি সাধারণ মানুষ। যুদ্ধের ফলে তৈরি হওয়া দূর্ভিক্ষে না খেতে পেয়ে মারা গিয়েছে ৮৫ হাজার শিশু। জাতিসংঘের দাবি, অবিলম্বে যুদ্ধ না থামলে ব্যাপক মহামারীর কবলে পড়তে চলেছে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..