আজারবাইজান ও তুরস্কের যৌথ সামরিক মহড়া

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা বিদেশ ডেস্ক : আজারবাইজান ও তুরস্কের যৌথ সামরিক মহড়া অব্যাহত রয়েছে। নাখচিভান এলাকায় এই মহড়া চলছে। আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মহড়ার এ পর্যায়ে সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় সাধনের অনুশীলন সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে এই মহড়ায় কত জন সেনা অংশ নিচ্ছে এবং কী ধরণের সরঞ্জাম ব্যবহার হচ্ছে তা আজারি মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি। এর আগে তুরস্ক, পাকিস্তান ও আজারবাইজান যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করে। ১২ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মহড়া চলে। এদিকে আজারবাইজানে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে এই হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে আজারবাইজানের কূটনৈতিক পুলিশ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চার ব্যক্তিকে চিহ্নিত ও আটক করেছে এবং তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। আজারবাইজানের নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আব্বাস মুসাভি শুক্রবার বাকুতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসে হামলার কঠোর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এ ব্যাপারে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত তেহরান হাল ছাড়বে না। এদিকে এ ঘটনার একদিন পরেই সাঁজোয়া যান, অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার, গোলাবারুদ ও প্রথমবারের মতো ড্রোন দিয়ে আজারবাইজান সীমান্তে বড় ধরনের সামরিক মহড়া চালিয়েছে ইরান। এরপর থেকে আজারবাইজান সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিজেদের শক্তির জানান দিতে বিশাল সামরিক বাহিনীর অংশগ্রহণে মহড়া চালায় দেশটি। গেল মাসে আজারবাইজানে পাকিস্তান ও তুরস্কের যৌথ সামরিক মহড়ার জবাব দিতেই এই উদ্যোগ বলে জানায় ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী। একইসঙ্গে ইসরাইলকেও নিজেদের সামরিক শক্তির জানান দিতে চায় ইরান। একজন বলেন, আমরা সবসময় আমাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। কিন্তু আমরা কখনোই ইসরাইল ও আইএসের কোনো সদস্যকে আমাদের ভূখণ্ডে জায়গা দেব না। মহড়ায় প্রথমবারের মতো অনেক উঁচুতে দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম, এমন ড্রোনের সফল পরীক্ষা চালানো হয়। চলতি সপ্তাহে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট এক বক্তব্যে ইরানের সমালোচনা করেন। এরপরই আজারবাইজান সীমান্তে মহড়ার চালানোর ঘোষণা দেয় ইরান। ঘোষণার পর থেকেই সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইসরাইলের সঙ্গে আজারবাইজানের সর্ম্পক নিয়ে চিন্তিত ইরান। কারণ আজারবাইজানের অন্যতম অস্ত্রদাতা ইসরাইল।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..