উদীচী

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
ঝুমন দাসের মুক্তির দাবিতে উদীচী বগুড়ার প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশ সুনামগঞ্জের শাল্লায় সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের শিকার, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার ঝুমন দাসের মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪ টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী বগুড়া জেলা সংসদ আয়োজিত প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উদীচী বগুড়ার সভাপতি মাহমুদুস সোবহান মিন্নুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শাহীদুর রহমান বিপ্লবের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ফরিদ, বাসদ বগুড়ার সদস্য সচিব সাইফুজ্জামান টুটুল, কৃষক সমিতি বগুড়ার সভাপতি সন্তোষ কুমার পাল, টিইউসি বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফজলুর রহমান, উদীচী বগুড়ার সহ-সভাপতি অ্যাড লুৎফর রহমান, থিয়েটার আইডিয়া বগুড়ার পরিচালক নিভা রাণী, যুব ইউনিয়ন বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক শাহনিয়াজ কবির খান পাপ্পু, উদীচী বগুড়ার সাংগঠনিক সম্পাদক সনি কর্মকার, ছাত্র ইউনিয়ন বগুড়ার সাংগঠনিক সম্পাদক ছাব্বির আহম্মেদ প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া কি হামলা-লুটপাটের চেয়েও বড় অপরাধ? যারা পুরো গ্রামে তা-ব চালাল, গ্রামের সব বাড়ি ভাঙচুর করল তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া সবাই জামিন পেয়ে গেছে। অথচ ঝুমন দাস ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে প্রায় ৫ মাস ধরে জেলে আছে। এ পর্যন্ত সাত বার তার জামিন নামঞ্জুর করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় রাষ্ট্রীয় কঠোরতার বিপরীতে ভিকটিমের প্রতিই রাষ্ট্রের কঠোরতা দৃশ্যমান, যা স্বাধীন বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ একইসঙ্গে সংবিধান পরিপন্থী। এমতাবস্থায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঝুমন দাস আপনসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তারকৃত সকলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি। সমাবেশে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় প্রতিবাদী গান পরিবেশন করেন কামরুন মনিরা ডালিয়া, সজীব, পিউ, শ্রেয়া, জয়দেব, জুয়েল, শুভ। উল্লেখ্য, ঝুমন হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকের সমালোচনা করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। গত ১৬ মার্চের ওই স্ট্যাটাসের পর তাকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। ২২ মার্চ পুলিশ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার নামে মামলা করে। বক্তারা ঝুমন দাসের মুক্তির পাশাপাশি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলেরও দাবি জানান। বিজ্ঞপ্তি উদীচী জর্জিয়া শাখার লোক দিবস উদযাপন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী জর্জিয়া শাখা গত ২২ অগাস্ট ‘আন্তর্জাতিক লোক দিবস’ উদযাপন করে। সাধারণভাবে বলা যায় অপ্রাতিষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক সাংস্কৃতিক চর্চা বা জ্ঞানকে আমরা ফোকলোর বলি। সেক্ষেত্রে বাংলার জনপদে লোকমুখে চর্চিত প্রচারিত লোক কাহিনী, গীতি, কবিতা, ছড়া, পালা নিয়েই লোকসংস্কৃতি, লোকসাহিত্য ও লোকগীতি। যারা রাষ্ট্র ও প্রকৃতির বৈরীতায় কখনো ক্লান্ত, কখনো বিস্মিত, আত্ত-সমর্পিত, কখনো প্রতারিত, কখনো প্রতিবাদে ফনা তোলা দারাস সাপ যেন। তাদের কথা ও সুর যেন নদীর ঢেউ, অবহেলায় ফোটা ফুল, যেনবা বজ্র, মেঘ, ফোটা ফোটা বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে গ্রাম বাংলার নরম, ধুসর উদার প্রান্তরে- সেই তাদের কথা সুর গান নিয়ে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী জর্জিয়া শাখার এই আয়োজন। উদীচী জর্জিয়া শাখার পক্ষ থেকে বাউল ফকীরদের উপর নিপীড়ন নির্যাতনের প্রতিবাদ জানানো হয় এবং লালনের মূর্তি ভেঙে ফেলার নিন্দা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে আলোচনা উপস্থাপন করেন শ্যাম চন্দ। পরিচালনা করেন সেলিনা মলি। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন গোলাম মহিউদ্দিন, স্বপন মণ্ডল, উৎপল দত্ত। কবিতা ও সংগীত পরিবেশন করেন ইলা চন্দ, রাশেদ চৌধুরী, রঞ্জন সরকার, গোলাম মহিউদ্দিন, বিন্দু হোসেন, স্নিগ্ধা দে, ইকবাল জুয়েল, রাহনুমা চৌধুরী, মুরশেদুল হাকিম শুভ্র, অনিন্দ আহসান, আনুশা মোর্সেদ, রুবিনা সম্পা। সবাইকে ধন্যবাদ ও আগামী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে সমাপনী বক্তব্য রাখেন কাকলি বিশ্বাস। বিজ্ঞপ্তি

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..