বিশ্ববাজারে দেশি চা

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : বিভিন্ন দেশের বিখ্যাত স্টোরেও জায়গা করে নিচ্ছে বাংলাদেশের কয়েকটি ব্র্যান্ডের চা। দেশের হবিগঞ্জের বৃন্দাবন চা-বাগানে উৎপাদন হচ্ছে ‘ইয়েলো টি’ বা হলুদ চা। বিশ্বের আরও দুটি দেশে এই চা উৎপাদন হলেও বাংলাদেশে উৎপাদিত হলুদ চায়ের দাম সর্বোচ্চ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চায়ের চাহিদা বছরে ৯ কোটি কেজি। ২০১০ সাল থেকে এ চাহিদা পূরণ করতে চা আমদানি শুরু হয়। ২০১৫ সালে সর্বোচ্চ এক কোটি ১৪ লাখ কেজি চা আমদানি হয়। ২০১৬ সালে আট কোটি ৫০ লাখ কেজি রেকর্ড উৎপাদন করে চায়ের চাহিদা পূরণ করে বাংলাদেশ। দেশের চাহিদা বাড়তে থাকায় চা রপ্তানি কমে কয়েক বছর আগে আমদানিনির্ভরতা বেড়ে যায়। চায়ের উৎপাদন বাড়তে থাকায় এখন আমদানি কমে আবার ধীরে ধীরে রপ্তানি বাড়ছে। গত বছর ২১ লাখ ৭০ হাজার কেজি চা রপ্তানি করা হয়। এর বড় অংশই ব্র্যান্ডের চা। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে এখন বছরে প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলারের চা উৎপাদিত হয়। আমদানি–রপ্তানি হয় আট বিলিয়ন ডলারের চা। বৈশ্বিক বাজার ধরতে ব্র্যান্ডের চা রপ্তানির বিকল্প নেই বলে রপ্তানিকারকেরা জানান। ২০১৯ সাল চা শিল্প ১৬৫ বছরের ইতিহাসে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ চা উৎপাদনের নতুন রেকর্ড গড়ে। বছরটিতে রেকর্ড ৯ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়। তার আগের বছর ২০১৮ সালে দেশে ৮ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়। ২০২৫ সালের মধ্যে দেশে চায়ের উৎপাদন ১৪০ মিলিয়ন বা ১৪ কোটি কেজিতে উন্নীত করতে কাজ করছে চা বোর্ড। চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চায়ের বাজারে শীর্ষস্থানে থাকা ইস্পাহানি গ্রুপের পাঁচটি, কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ‘টিটুলিয়া’ অর্গানিক, আবুল খায়ের গ্রুপের ‘সিলন টি’, ওরিয়ন গ্রুপের ‘ওরিয়ন টি’ এবং এসিআই বাংলাদেশের ‘টেটলি টি’ ব্র্যান্ডের নামে চা রপ্তানি করা হচ্ছে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..