করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট: বাংলাদেশের করণীয়

অভিনু কিবরিয়া ইসলাম

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email

বাংলাদেশে সার্স কোভিড-২ এর ভারতীয় ধরন সনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ নিয়ে সংশ্লিষ্টজন ও দেশবাসীর মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া এ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে। যশোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতফেরত নন এমন মানুষের মধ্যেও করোনার ভারতীয় ধরন দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। কমিউনিটি সংক্রমণের প্রাথমিক প্রমাণ মেলায় সামনের সপ্তাহগুলোতে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশে টিকা কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর এবং বেশ কিছুদিন সংক্রমণের হার কমে আসছে বলে মনে হলেও গত ফেব্রুয়ারি-মার্চ থেকে আবার সংক্রমণের হার বেড়ে যেতে শুরু করে এবং দৈনিক সনাক্তের সংখ্যা গত বছরের দৈনিক সর্বোচ্চ সংক্রমণ সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে যায়। টিকা নিয়ে মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করলেও, টিকাদানের পর স্বাস্থ্যবিধি মানতে শিথিলতা, দ্রুতই কোভিডপূর্ব সময়ের মত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, বিদেশফেরতদের সঠিকভাবে কোয়ারেন্টাইন পালন না করা ইত্যাদি নানাবিধ কারণে সংক্রমণের হার আবারো ঊর্ধ্বমুখী হয়ে পড়ে। প্রথম ডোজের টিকা নেয়ার পর অনেকের সংক্রমিত হওয়ার খবর, এমনকি দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেয়ার পরও কারো কারো সংক্রমিত হওয়ার খবর নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলোর বিরুদ্ধে টিকার কার্যকারিতা নিয়ে যেমন সংশয়ের সৃষ্টি করেছে, তেমনি সার্স কোভি-২ এর ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টসহ অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টগুলো সম্পর্কে এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে শুধু ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নয়, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া ইত্যাদি ভ্যারিয়েন্টের দেখাও মিলেছে। সারা বিশে^ কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য যেসকল ভ্যারিয়েন্ট দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে তার অনেকগুলোই বাংলাদেশে পাওয়া গেছে। বিশ্বজুড়েই এই ভ্যারিয়েন্টগুলো নিয়ে নানামুখী গবেষণা চলছে। নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলোর সংক্রমণ ক্ষমতা, রোগের তীব্রতা বৃদ্ধি, অ্যান্টিবডিকে অকার্যকর করা, টিকা কার্যকারিতা কমানোর সক্ষমতা ইত্যাদি নিয়ে এখনো যেহেতু গবেষণা চলছে, ফলে অনেকক্ষেত্রেই চূড়ান্ত মন্তব্য করা কঠিন। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সেন্টার অফ ডিজিজ প্রিভেনশন এন্ড কন্ট্রোল ইতোমধ্যেই কয়েকটি ভ্যারিয়েন্টকে ভ্যারিয়েন্ট অফ ইন্টারেস্ট এবং কয়েকটিকে ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্ন ঘোষণা করেছে।১,২ সিডিসি যেসকল ভ্যারিয়েন্টকে ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন ঘোষণা করেছে তাদের মধ্যে একটি সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশে গত মার্চ মাস থেকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশে আইসিডিডিআরবি এবং যবিপ্রবির গবেষণায় দেখা যেছে গত মার্চ-এপ্রিলে সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টটিই দেশে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ সৃষ্টি করছে।৩ এই ভ্যারিয়েন্টটি সংক্রমণ ক্ষমতা শতকরা ৫০ ভাগ বাড়াতে পারে, মনোক্লোনাল এন্টিবডি এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কম কার্যকর, এমনকি টিকাও হয়তো সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিতে সক্ষম নয় বলে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে।৪,৫,৬ অপরদিকে, ভারতের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে করোনার ভারতীয় ধরন ছড়িয়ে পড়েছে, এবং যুক্তরাজ্য এই ধরনকে ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন ঘোষণা করেছে। তবে, একথা বলে রাখা ভালো যে, এখন পর্যন্ত দেখা গেছে, টিকা গ্রহণ করলে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই এ কথা বলা না গেলেও, টিকা গ্রহণ করলে বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা সংক্রমণের ঝুঁকি কমে এবং আক্রান্ত হলেও রোগের তীব্রতা কমতে পারে।৭ সুতরাং নতুন ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে সতর্ক হওয়ার পাশাপাশি টিকা গ্রহণ করাও জরুরি। সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই করোনার ভারতীয় ধরন আমাদের জন্য নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ভারতীয় ধরনের মধ্যে কেবল বি ১.১৬৭.২ নামক ধরনটি পাওয়া গেছে যাকে ইতিমধ্যেই ইউকে ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন এবং সিডিসি ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট ঘোষণা করেছে।১,৮ যুক্তরাজ্যে এই ভ্যারিয়েন্টটি নিয়ে গবেষণায় বলা হয়েছে এই ভ্যারিয়েন্টটিও সংক্রমণ ক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম। তবে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ভারতের মহারাষ্ট্রে উচ্চ সংক্রমণের জন্য দায়ী ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বি ১.১৬৭.১ পাওয়া যায়নি। এই ভ্যারিয়েন্টটিকে ডাবল মিউটেন্ট ভ্যারিয়েন্ট বলা হয় কেননা এর স্পাইক প্রোটিনে এল৪৫২আর এবং ই৪৮৪কিউ নামের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মিউটেশন বিদ্যমান, যে দুটি মিউটেশন ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম। এল৪৫২আর মিউটেশনটি ভারতীয় ভ্যারিয়ন্ট ছাড়াও নিউইয়র্ক ও ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যায়, আবার ই৪৮৪কিউ মিউটেশনটি সাউথ আফ্রিকা ও ব্রাজিলের ভ্যারিয়েন্ট-এর মধ্যেও থাকে। বাংলাদেশে ডাবল মিউটেন্ট এখন পর্যন্ত না পাওয়া গেলেও উল্লেখিত মিউটেশন দুটোই বাংলাদেশে সংক্রমণশীল ভ্যারিয়েন্টগুলোর মধ্যে পৃথকভাবে রয়েছে। বাংলাদেশে ভারতীয় অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টগুলো আছে কি না, কোন ধরনের ভ্যারিয়েন্টগুলো দিয়ে বাংলাদেশে সংক্রমণ বেশি হচ্ছে, কিংবা বাংলাদেশেই নতুন কোনও ভ্যারিয়েন্টের উৎপত্তি হচ্ছে কি না, তা জানতে ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্সিং করা প্রয়োজন। আমরা জানি, ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টগুলো বেশ কিছু মিউটেশন দ্বারা নির্ধারিত হয়। সবসময়ে এই মিউটেশনগুলো কেবল স্পাইক প্রোটিনে থাকে এমন নয়, তবে বর্তমানে সঞ্চরণশীল ভ্যারিয়েন্টগুলোর মধ্যে স্পাইক প্রোটিনে এমন কিছু ‘সিগনেচার মিউটেশন’ আছে, যা সনাক্ত করতে পারলে ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে একটা প্রাথমিক ধারণা পাওয়া সম্ভব। ভাইরাল জিনোমের আংশিক সিকুয়েন্স করে গুরুত্বপূর্ণ মিউটেশন সনাক্ত করার সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয়তা আমাদের গবেষকরা গত বছর জুনে একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত প্রকাশনায় উল্লেখ করেছিলেন।৯ উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, স্পাইক প্রোটিনে উপরোল্লিখিত ডাবল মিউটেশন (এল৪৫২আর এবং ই৪৮৪কিউ) সনাক্ত করা গেলে বলা যেতে পারে তা ভারতীয় বি ১.১৬৭ ধরন। সুতরাং পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্স না করেই স্যাঙ্গার সিকুয়েন্সিং পদ্ধতিতে স্পাইক প্রোটিনের পার্শিয়াল সিকুয়েন্স করেই প্রাথমিকভাবে এই ধরন নির্ধারণ করা সম্ভব। পার্শিয়াল সিকুয়েন্সিং এর খরচ পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েেেন্সর তুলনায় অত্যন্ত কম (মাত্র ১০০০টাকার মত) এবং সময়ও কম দরকার হয়। অন্যদিকে, পূর্নাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্সিং করা একটি ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। প্রতিটি ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্সিং করতে ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। সুতরাং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্স করে ব্যাপক আকারে ভ্যারিয়েন্ট সার্ভাইল্যান্স করা কঠিন। একারণে যবিপ্রবি ইতিমধ্যে স্পাইক প্রোটিনের আংশিক সিকুয়েন্স করে করোনার ধরন নির্ণয় করার কাজ শুরু করেছে এবং ইতোমধ্যেই যশোরের তিনটি উপজেলায় ভারতীয় ধরনের লোকাল ট্রান্সমিশন সনাক্ত করতে পেরেছে। আরেকটি বিষয় বলে রাখা দরকার। প্রয়োজনবোধে সিকুয়েন্সিং ছাড়াও করোনার ধরন নির্ণয়ে ‘স্মার্ট কিট’ তৈরি করে পিসিআর-এর মাধ্যমেও করোনার ভ্যারিয়েন্টের ধরন নির্ণয় করা কিংবা গুরুত্বপূর্ণ মিউটেশন সনাক্ত করা সম্ভব। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসার আগে, সার্স কোভি-২ এর বিভিন্ন প্রকরণ বা ক্ল্যাড নির্ধারণকারী গুরুত্বপূর্ণ মিউটেশন সনাক্তের উপযোগী ‘এআরএমএস পদ্ধতি’ যবিপ্রবির গবেষকদল প্রয়োগ করে দেখিয়েছেন। এই গবেষণাটি একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিতও হয়েছে।১০ একই পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট সনাক্ত করার উপায়ও বের করা সম্ভব এবং ‘স্মার্ট কিট’ বাংলাদেশেই তৈরি করা সম্ভব। উপযুক্ত সহায়তা পেলে বাংলাদেশের গবেষকরাই তা করতে সক্ষম। একথা ভুলে গেলে চলবে না, ভ্যারিয়েন্ট সনাক্ত যেমন আমাদের করতে হবে, তেমনি প্রাথমিকভাবে সারাদেশে করোনা ভাইরাস সনাক্তের কাজটিও বাড়াতে হবে। সাম্প্রতিককালে যবিপ্রবির গবেষকদল সাইবারগ্রিন পদ্ধতিতে কম খরচে (১৪০ টাকা) মাত্র ৯০ মিনিটে নমুনা থেকে করোনা সফলভাবে করোনা সনাক্ত করে দেখিয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশের জন্য রিভিউ পর্যায়ে রয়েছে।১১ এ ধরনের গবেষণাকে পৃষ্ঠপোষকতা করে এবং এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করে যদি বাংলাদেশে এ পদ্ধতিতে করোনা সনাক্ত করা সম্ভব হয়, তবে সনাক্তের জন্য খরচ কমে আসবে এবং অন্যান্য গবেষণায় সেই অর্থ ব্যয় করা সম্ভব হবে। মনে রাখতে হবে, করোনা ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট নির্ধারণের জন্য কিংবা এর পরিবর্তনের গতিপ্রকৃতি বোঝার জন্য পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্সিং করার প্রয়োজন আছে। পার্শিয়াল সিকুয়েন্সিং বা স্মার্ট কিটের মাধ্যমে করোনার ধরন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেলেও বিস্তারিত তথ্য পেতে পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্স করা জরুরি। তবে, পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্সিং এর মত ব্যয়বহুল পদ্ধতি বাংলাদেশে বড় আকারে ভ্যারিয়েন্ট সার্ভাইল্যন্সের জন্য ব্যবহার করা যেহেতু কঠিন, সেক্ষেত্রে বিকল্প পদ্ধতির দিকে আমাদের এগুনো দরকার। কম খরচে এবং সহজে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেশি পরিমাণে নমুনা পরীক্ষা করে পার্শিয়াল সিকুয়েন্সিং এর মাধ্যমে আমরা প্রাথমিকভাবে ভ্যারিয়েন্ট সনাক্ত করতে পারি। পার্শিয়াল সিকুয়েেন্সর মাধ্যমে প্রাপ্ত আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে কিংবা আক্রান্ত রোগীর রোগলক্ষণ ও ভ্রমণবৃত্তান্ত বিবেচনায় নিয়ে যদি তা থেকে কিছু পরিমাণ নমুনার পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্স করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশে করোনার গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে আমরা ভালো ধারণা লাভ করতে পারবো এবং খরচও সীমিত করতে পারব। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, কোভিড নিয়ন্ত্রণ ও লকডাউন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বাংলাদেশে বড় আকারে ভ্যারিয়েন্ট সার্ভাইল্যান্স প্রয়োজন। ব্যাপক আকারে ভ্যারিয়েন্ট সার্ভাইল্যান্স ছাড়া সারা দেশে করোনার ভারতীয় ধরন কিংবা নতুন অন্যান্য ধরন সনাক্ত করা সম্ভব হবে না, এবং নতুন ধরনগুলোর সংক্রমণ রোধ করাও সম্ভব হবে না। করোনার নতুন ধরনের সন্ধান পাওয়া মাত্রই সেই এলাকাকে লকডাউন করে সে এলাকা থেকে পাশর্^বর্তী এলাকাগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা দরকার। মনে রাখতে হবে, করোনা ভাইরাস প্রতিনিয়ত তার রূপ পাল্টাচ্ছে। সম্প্রতি ভিয়েতনামে আরেক নতুন ধরনের করোনা পাওয়া গেছে। সুতরাং করোনাকে বিশ্বব্যাপী নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে এবং দেশব্যাপী সিকুয়েন্সিং এর মাধ্যমে ধরন নির্ণয়ের সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। ধরনগুলো সনাক্তের লক্ষ্যে উপযুক্ত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে মাইক্রোবায়োলজিস্ট, মলিকুলার বায়োলজিস্টসহ বিশেষজ্ঞ গবেষকদের নিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা করা এখন সময়ের দাবি। তবে শুধুমাত্র বিজ্ঞানীরাই এ ধরনের মহামারি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম নন। একদিকে গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধি যেমন করতে হবে, তেমনি সকলের জন্য টিকা নিশ্চিতকরণ, সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি ঠেকানো, মানুষকে সচেতন করা এবং লকডাউনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। লেখক: শিক্ষক, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগ, যবিপ্রবি তথ্যসূত্র https:/ww/w.cdc.gov/coronavirus/2019-ncov/cases-updates/variant-surveillance/variant-info.html https:/ww/w.ecdc.europa.eu/en/covid-19/variants-concern https://gh.bmj.com/content/6/5/e006012 https://cmmid.github.io/topics/covid19/sa-novelÊvariant.html https:/ww/w.fda.gov/media/145802/download https:/ww/w.nejm.org/doi/full/10.1056/nejmoa2102214 https:/ww/w.nature.com/articles/d41586-021-01274-7 https:/ww/w.gov.uk/government/publications/covid-19Êvariants-genomically-confirmed-case-numbers/variants-distribution-of-cases-data https://onlinelibrary.wiley.com/doi/10.1002/jmv.26115 https://pubmed.ncbi.nlm.nih.gov/33491822/ https:/ww/w.medrxiv.org/content/10.1101/2021.05.06.21256629v1

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..