২ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সহায়তা প্রয়োজন গাজায়

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা বিদেশ ডেস্ক : গাজায় ইসরাইলের চালানো ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শন করেছেন জাতিসংঘ ও রেডক্রসের কর্মকর্তারা। ১১ দিনের বোমা হামলায় কিভাবে বাড়িঘর, স্কুল, হাসপাতাল, মিডিয়া হাউজসহ বহুতল ভবনকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে ইসরাইল তা তারা প্রত্যক্ষ করেছেন। এরপর বলেছেন, ফিলিস্তিনে কমপক্ষে ২ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সহায়তা প্রয়োজন। ১০ই মে গাজা উপত্যকায় হামলা শুরু করে ইসরাইল। এতে ৬৬টি শিশুসহ কমপক্ষে ২৫৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। পক্ষান্তরে ফিলিস্তিনের রকেট হামলায় ইসরাইলে দুটি শিশুসহ কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে গাজা পরিদর্শনে যান ওই কর্মকর্তারা। এরপর বুধবার জরুরি ভিত্তিতে স্বাস্থ্য সহায়তা প্রয়োজন বলে সতর্কতা দিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এতে বলা হয়েছে, ওই যুদ্ধে বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এতে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘস্থায়ী এক মানবিক সঙ্কট। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ইসরাইলের হামলায় কমপক্ষে ৭৭ হাজার মানুষ আভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং প্রায় ৩০টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, দখলীকৃত পশ্চিমতীর সহ ফিলিস্তিনের দখল করে নেয়া অন্য অঞ্চলগুলোতে দুই লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিক পিপারকর্ন বলেছেন, পরিস্থিতি ঘোলাটে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উদ্বিগ্ন। জরুরি সরবরাহের জন্য এবং মানবিক সহায়তার আহ্বান জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। অন্যদিকে রেডক্রসের প্রধান রবার্ট মারদিনি গাজার মানুষের সহায়তার জন্য কমপক্ষে এক কোটি ৬০ লাখ ডলার সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি শুধু আতঙ্ক, উদ্বেগ আর হতাশার কথা শুনতে পেয়েছি। যদি এই উত্তেজনা আগের অবস্থার মতো স্বল্পস্থায়ী, তবু পুনর্গঠনে কয়েক বছর সময় লেগে যাবে। তিনি দীর্ঘদিনের এই সংঘর্ষের একটি অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..