অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে দরকার ‘গণসচেতনতা-গণপ্রতিরোধ’

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : নারী পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং টিকটক, লাইকির মতো অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা ও গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে প্রগতিশীল নারী সংগঠনগুলো। গত ২ জুন এক বিবৃতিতে প্রগতিশীল নারী সংগঠনসমূহের সমন্বয়ক ও সিপিবি নারী সেলের আহ্বায়ক লক্ষ্মী চক্রবর্তী, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সভাপতি রওশন আরা রুশো, শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর সভাপতি বহ্নিশিখা জামালি, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত, নারী সংহতির সভাপতি তাসলিমা আখতার লিমা, বিপ্লবী নারী ফোরামের সহ সাধারণ সম্পাদক আমেনা আক্তার এক যৌথ বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান। তারা বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশি এক তরুণীকে ভারতে দেহব্যবসায় বাধ্য করতে তার ওপর নারী পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে। এ নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরালও করে দেয় সংঘবদ্ধ অপরাধীরা। পরবর্তীতে জানা যায়, নিপীড়কদের মূলহোতা একজন বাংলাদেশি ‘টিকটকার’; নাম হৃদয় বাবু। এ চক্রটি টিকটকের মাধ্যমে জনপ্রিয় হওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কিংবা প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বাংলাদেশ থেকে ভারত, পাকিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নারী পাচার করে বলেও জানা গেছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নারী পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ও নারী পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকারকে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান। একই সাথে তারা টিকটক, লাইকির মতো বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা ও গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্যর নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল বাম-প্রগতিশীল, গণতন্ত্রমনা নারী সংগঠন, রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর প্রতি আহ্বান জানান। নেতৃবৃন্দ দেশের অভ্যন্তরে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যা রোধেও সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলেন।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..