মে দিবসের চেতনা : বর্তমান পরিস্থিতি ও করনীয়

কাজী রুহুল আমিন

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
পহেলা মে মহান মে দিবস। আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস। এখন থেকে ১৩৫ বছর আগের এই দিনে আমেরিকার শিকাগো শহরের হে মার্কেটের দর্জি শ্রমিকরা রক্তক্ষয়ী লড়াই করে দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজের দাবী আদায় করেছিল। সরকার ও মালিকরা হত্যা করেছিল শ্রমিক নেতা অগাষ্টাস স্পাইস , পার্সন্স ফিশার, এঙ্গেল, মাইকেল সোয়াব, লুই এবং ওস্কার নিবকে। শ্রমিকদের উপর চরম শোষন- নির্যাতন, অত্যাচার- ব্যাভিচার চলছিল। দৈনিক ১৬ থেকে ১৮ ঘন্টা জোর করে বল প্রয়োগ পূর্বক কাজ করানো হতো। এ আন্দোলন ছিল তারই বিরুদ্ধে । এই নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে সে লড়াইয়ের বীর শহীদ মে দিবসের সংগ্রামের মহানায়ক শ্রমিক নেতা অগাষ্টাস স্পাইস ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেদিন বলেছিলেন আজ অন্যায় ভাবে জুলুম চালিয়ে যে কন্ঠ তোমরা চেপে ধরছো, একদিন এই কন্ঠ অনেক বেশী শক্তিশালী হবে। সেদিন তোমাদের মত জুলুমবাজদের কন্ঠ রোধ করে সারা দুনিয়ার মানব জাতি জেগে উঠবে। সে সময় যেমনি শ্রমিকদের গনতান্ত্রিক অধিকার ও ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার ছিল না, আজও তা নেই। সেদিন ন্যায্য মজুরি ছিল না, আজও নেই। সেদিন শ্রমিকদের উপর যেমন করে জুলুম-নির্যাতন করা হতো বর্তমানে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কৌশল পরিবর্তন হলেও তেমনি আজও চলছে চরম শোষন-নির্যাতন। ১৮৮৬ সালেও গনতান্ত্রিক অধিকার অনুসারে আন্দোলন করার ফলে গুলি চালিয়ে শ্রমিকদের হত্যা করে, মামলা দিয়ে, গ্রেফতার করে, জেলে দিয়ে দমন করা হতো। আজও হত্যা-হামলা-মামলা গ্রেফতার করে দমননীতি চালানো হয়। ফলে মহান মে দিবসের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রাম আজও জরুরী কর্তব্য। গত এক বছরের অধিক সময় যাবৎ করোনা মহামারীর ফলে সমগ্র দেশবাসী সংকটাপন্ন হলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে শ্রমজীবি মেহনতি মানুষ চরম বিপর্যয়কর অবস্থায় দিশেহারা। মানুষের দুঃখ কষ্টকে বিবেচনায় না নিয়ে করোনা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বিপুল পরিমাণ রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটে নিচ্ছেন কতিপয় লুটেরা পুঁজিপতি। তাদের হাতে তুলে দেয়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় পাটকল-চিনিকল বন্ধ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটে নেওয়া এবং শস্তা শ্রমের বাজার দীর্ঘস্থায়ী করার মত হীন উদ্দেশ্য ছাড়া শিল্প-কারখানা বন্ধ করার আর কোনো যৌক্তিক কারণ না থাকায় জাতীয় সংসদে বা সংশ্লিষ্ট কোনো ফোরামে আলোচনা ছাড়াই এ সকল মিল কারখানা বন্ধ করা হয়েছে। শিল্পপতিরা বাধাহীন ভাবে কোনো প্রকার জবাবদিহিতা ছাড়াই রাষ্ট্রীয় সকল প্রকার সুবিধা ভোগ করছে। ব্যাংক ঋণ, ঋণের সুদ, আয়কর, উৎসে কর মওকুফ করিয়ে নিচ্ছে। নানারকম প্রণোদনা ভোগ করছে। এরপরও শ্রমিকদের যেটুকু নামমাত্র মজুরি তা সময়মতো পরিশোধ করছে না। কোথাও কোথাও মজুরি কমিয়ে দেয়া হচ্ছে। দশ লক্ষাধিক শ্রমিক কর্মচ্যুত হয়েছে। দুর্বিসহ পরিস্থিতিতে ঠেলে দিয়ে লুটেরা পুঁজিপতিরা শ্রম বাজারকে আরো সস্তা করছে। মে দিবসের লড়াই ৮ ঘন্টা কাজের দাবীতে হলেও বর্তমানের প্রাপ্ত মজুরী অপ্রতুল হওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে বাঁচার তাগিদে শ্রমিকরা নিজেরাই বাধ্য হয়ে ওভার টাইম করতে চায়। এদিকে বাংলাদেশে মজুরি নির্ধারণের জন্য শ্রম আইন অনুসারে নিম্নতম মজুরি বোর্ড বিভিন্ন সেক্টরের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করার কথা, যার সময়সীমা সর্বোচ্চ ৫ বছর। অথচ আমাদের দেশের মজুরি বোর্ডের অধীনে ৪৩টি সেক্টর থাকলেও ২০১৩ সালের পর গত ৮ বছরে মাত্র ১৩টিতে মজুরী নির্ধারণ হয়েছে আর ৩০টিতে মজুরি নির্ধারণ হয়নি। তাই সেক্টর ভিত্তিক বিভিন্ন দাবীর পাশাপাশি জাতীয় ভিত্তিতে এদেশের শ্রমিক-কর্মচারীদের জাতীয় ফেডারেশন সমূহের জোট শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ-স্কপ ইতিমধ্যেই জাতীয় নূন্যতম মজুরি ২০ হাজার টাকার দাবী জানিয়েছে। যা এদেশের ৬ কোটি ৩৫ লক্ষ শ্রমিকের দাবী। ২০ হাজার টাকা মজুরি সহ অপরাপর দাবীতে জাতীয় ভিত্তিক শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তোলা এখন জরুরী কর্তব্য। সে কর্তব্য সাধনে সকলের উপর নির্ভর করলে হবে না, স্কপ তার জায়গা থেকে যতটুকু করে সেটাকে কাজে লাগিয়ে তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আমাদেরকেই বিশেয়তঃ বামপন্থী শক্তিকে লড়াইয়ের প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। নানা মাত্রিকতায় শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সুযোগ সুবিধার লড়াই এবং সমাজ বিপ্লবের লড়াই দু’টোই অগ্রসর করতে হবে। দু’টি লড়াইয়ের প্রধান ভিত্তিই হতে হবে শ্রমজীবি মেহনতি মানুষের মাঝে লেগে পড়ে থেকে সংগঠন ও সংগ্রামকে অগ্রসর করা। লুটপাটের লক্ষ্যে এহেন বিরাষ্ট্রীয় করণ নীতির বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন সংগ্রাম করা জরুরী কর্তব্য। এ আন্দোলনে বিজয় অর্জন করতে হলে শ্রেণি ভিত্তি সম্পন্ন সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করা আবশ্যক। আবশ্যকীয় কাজটি উপরিভাষা কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাগাড়ম্বর না করে কারখানা ও শ্রমজীবি এলাকায় লেগে পড়ে থেকে ভিত্তি কাঠামো মজবুত করতে হবে। সংগঠনের সংখ্যাগত ও গুণগত শক্তির বলে বলীয়ান হয়ে বিপ্লবী ধারার আন্দোলন সংগ্রাম অগ্রসর করার মধ্য দিয়ে লুটেরা পুঁজিবাদের এই আগ্রাসন মোকাবেলা করতে হবে। কেননা পুঁজিবাদীরা ইতিমধ্যে লড়াই সংগ্রামকে ও বিপ্লবী ধারাকে বাধাগ্রস্থ করতে প্রাতিষ্ঠানিক খাত ধ্বংস করে দিয়েছে। ব্যক্তি মালিকানা খাতের আন্দোলন দমাতে প্রাইভেট সন্ত্রাসী বাহিনীর পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ সহ রাষ্ট্রীয় বাহিনী সমূহকে কাজে লাগাচ্ছে। তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকে সমস্ত রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে। তাদের এই ষড়যন্ত্রের শক্তিকে মোকাবেলা করতে আমরা অবশ্যই পারবো। সে লক্ষ্য অর্জনের জন্য মনে রাখতে হবে যে, অতীতের পাটকলসহ প্রাতিষ্ঠানিক খাতের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক শিল্পের কাঠামোগত দিক থেকে সংগঠিত ছিল। বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রাতিষ্ঠানিক খাত ও সেখানে শক্তিশালী ট্রেড ইউনিয়ন না থাকায় এবং শ্রমিক আন্দোলনের নানাবিধ দূর্বলতা থাকায় দীর্ঘদিন যাবত শক্তিশালী শ্রমিক আন্দোলন না হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে শ্রমিক আন্দোলনের নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুসারে প্রায় ৭ কোটি শ্রমিক। শুধুমাত্র শিল্প মালিক কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক শিল্পেই ১ কোটি ২৫ লক্ষ শ্রমিক রয়েছে। অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত, স্বনিয়োজিত খাত এবং কৃষি খামার খাতে সকল শ্রমিকই এখন শ্রম আইন অনুসারে ট্রেড ইউনিয়ন এবং অপরাপর সুযোগ সুবিধার অধিকারী। এক্ষেত্রেও পুঁজিবাদীরা শ্রমিক শ্রেণিকে বিপ্লবী ধারা থেকে সরিয়ে রাখতে এবং সুবিধাবাদী প্রবণতা বৃদ্ধি করতে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সুতরাং আমাদের কাজের ক্ষেত্রে কালক্ষেপণ না করে এখনই লড়াই সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। যথাযথ সময়ে ন্যায়সংগত, কমন ও যৌক্তিক সুনির্দিষ্ট দাবীর ভিত্তিতে শ্রমজীবি মানুষকে সংগঠিত করার কাজে নেমে পড়তে হবে। সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে ভূমিকা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে দায়িত্ব বন্টন, নিয়মিত কাজের চেকআপ ও জবাব দিহীতা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে লড়াই সংগ্রাম ও সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে। গুনগতমান বৃদ্ধির মাধ্যমে পার্টি ও গণসংগঠনকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করতে হবে। কোটি কোটি শ্রমিক-কৃষক সহ সকল শুভবুদ্ধি সম্পন্ন বিবেকমান মানুষকে বিপ্লবের পক্ষে প্রস্তুত করতে হবে। তাহলেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে। মনে রাখতে হবে স্বাধীনতার সুবর্ন জয়ন্তীতে যতই ঢাকঢোল পিটানো হোক না কেন বাংলাদেশকে চালানো হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সংবিধানের উল্টা পথে। লুটপাট আর শস্তা শ্রমের উপর গড়ে ওঠা নব্যধনিক শ্রেণি তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ-বিএনপি এবং তাদের অপরাপর দোসররা লুটেরা পুঁজিপতি, লুটেরা আমলা ও লুটেরা প্রশাসনের নির্দেশে পরিচালিত। একই সাথে ধর্মকে ব্যবহার করছে লুটপাট ও শোষণের হাতিয়ার হিসাবে। যার ফলে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে যে আর্থ সামাজিক নীতি গ্রহণ করা হয়েছে তা হলো আরো দীর্ঘকাল শ্রমকে সস্তারেখে শ্রম চুরি করে মজুরি কম দিয়ে ব্যক্তিগত পুঁজিবিকাশ ও উন্নয়নের বুলি আওড়ানো। এমতাবস্থায় ধনিকশ্রেণীর রাজনৈতিক শক্তিকে মোকাবেলা করে শ্রমিকশ্রেণীর ঘনিষ্ঠমিত্র বামপন্থী শক্তিকে শ্রেণী সংগ্রাম ও শ্রমিকদের সুযোগ সুবিধার সংগ্রাম জোড়দার করতে হবে। সেক্ষেত্রে শ্রমজীবি মানুষের দাবী আদায়ের সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দোলন এবং বামপন্থী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সংগ্রাম একই সাথে তীব্রতর করতে হবে। মনে রাখতে হবে গণসংগঠনের সংগ্রাম গণমানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেই করতে হবে এবং দাবী আদায়ের পাশাপাশি জনগণকে বিপ্লবী চেতনায় উদ্ভুদ্ব করতে হবে। এই পঁচাগলা সমাজে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ততার মাঝে নিজেরা লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে চলবে না। আবার নিজেদের অবস্থানকে কয়েকজন নিয়ে কমিউনিস্ট গ্রুপে পরিণত করে জনবিচ্ছিন্ন করলে চলবে না। এক্ষেত্রে একদিকে সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে বিপ্লবের লক্ষ্যে প্রস্তুত করতে হবে, অপরদিকে সেখান থেকে গড়ে তুলতে হবে এক বিপ্লবী বাহিনী ও তাদের নিজস্ব শ্রেণি ভিত্তি সম্পন্ন বিপ্লবী রাজনৈতিক দল। তাই শ্রমিকদের নিজস্ব দাবী দাওয়ার সংগ্রাম জোরদার করা আর গণতন্ত্রের-সমাজতন্ত্রের সংগ্রাম অগ্রসর করা ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের জায়গা ও রাজনৈতিক শক্তির জায়গা থেকে সমন্মিত ভাবে এগিয়ে নিতে চলমান শ্রমিক আন্দোলনে যে সকল দাবী এখন সময় উপযোগী হিসেবে উত্থাপন করা হয়েছে তা হলো ঃ- ১. জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ঘোষণা করতে হবে। ২. শ্রমজীবি মানুষের জীবন ও স্ব্স্থ্যা, খাদ্য এবং কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ৩. মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শোষণ, বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার সহ সংবিধান ও ওখঙ কনভেনশন অনুসারে শ্রম আইন-বিধিমালা সংশোধন এবং কার্যকর করতে হবে। ৪. বাঁশখালী, রানা প্লাজা, তাজরিন ফ্যাশন ও স্পেকট্রাম সহ সকল শ্রমিক হত্যার বিচার, নিহতদের ওখঙ কনভেনশন ১২১ অনুসারে ক্ষতিপূরণ, আহতদের সুচিকিৎসা, সকল শ্রমিকদের বন্ধকালীন মজুরী সহ সকল বকেয়া পাওনা পরিশোধ ও চাকুরীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ৫. রাষ্ট্রায়ত্ত পাট, সুতা, বস্ত্র ও চিনিকল সহ বন্ধকৃত সকল কারখানা চালু করতে হবে। ৬. শ্রমিক কর্মচারীদের সমুদয় বকেয়া পাওনা পরিশোধ করতে হবে। ৭. পল্লী রেশনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রামীণ শ্রমজীবিদের এবং শহরের অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে শ্রমিকদের নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী প্রদান করতে হবে। ৮. আউট সোর্সিং প্রথা বাতিল করে সরাসরি মালিক ও কর্তৃপক্ষ দ্বারা আইনানুগ নিয়োগ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ৯. বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রেশনিং, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আসুন উপরোক্ত দাবীর প্রেক্ষিতে ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দোলন এবং এ সকল দাবী আদায় সহ লুটপাট, ঘুষ, দুর্নীতি, ভোট ডাকাতি, চাঁদবাজি, ট্রেন্ডারবাজি, খুন-দর্শন, মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতা, সাম্রাজ্যবাদ ইত্যাদি ইস্যুতে বামপন্থী শক্তির লড়াই এগিয়ে নেই। লেখক, সদস্য, সিপিবি, কেন্দ্রীয় কমিটি।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..