চলছে কৃষক সমিতির ‘দাবি সপ্তাহ’

প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয়, লাভজনক দাম নিশ্চিত করার দাবি

Facebook Twitter Google Digg Reddit LinkedIn StumbleUpon Email
একতা প্রতিবেদক : বাংলাদেশ কৃষক সমিতি ১-৭ মে কৃষকদের জন্য ‘দাবি সপ্তাহ’ ঘোষণা করেছে। ২৬ এপ্রিল এক বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অ্যাড. এস এম এ সবুর ও সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন এই ‘দাবি সপ্তাহ’ ঘোষণা করেন। এই সপ্তাহে কৃষক সমিতির জেলা ও উপজেলা কমিটিগুলো করোনা পরিস্থিতিতে প্রণোদনা হিসেবে প্রান্তিক কৃষক ও গ্রামীণ মজুরদের বকেয়া ক্ষুদ্র ঋণ মওকুফ করা, হার্ভেস্টার-রিপার মেশিন দিয়ে গরিব কৃষকদের ধান কাটার ব্যবস্থা করা, প্রকৃত উৎপাদক কৃষকের তালিকা হালনাগাদ করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও কৃষি কার্ড প্রদান, ফসল উৎপাদনে কৃষককে সরাসরি ভর্তুকি প্রদান, লটারি সিস্টেম বন্ধ করে প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ক্রয়, ইউনিয়ন পর্যায়ে অস্থায়ী ধানের গুদাম নির্মাণ ও সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু, ধান বিক্রির টাকা কৃষককে নগদ পরিশোধ করা, মোট উৎপাদনের ২০% ধান সরকারিভাবে ক্রয় করা, বাজেটে কৃষিখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবিতে ডিসি ও ইউএনও কার্যালয়ে মানববন্ধন-ঘেরাও-বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ ও স্মারকলিপি পেশ করছে। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা মাহামারির এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বোরো ধান কাটার জন্য এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে ধান কাটার শ্রমিকদের যাতায়াতে পরিবহন সংকট ও যাতায়াত খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় ধান কাটায় শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় মজুরিও বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারিভাবে ধান ক্রয় অনিয়ম-দুর্নীতি ও দলীয়করণের ফলে প্রকৃত উৎপাদক কৃষক সরকারিমূল্যে ধান বিক্রি করতে পারছে না। ধানের মূল্য নির্ধারণ ও বাজার নিয়ন্ত্রণ করে চাল কল, চাতাল মালিক ও সরকার দলীয় সিন্ডিকেটগোষ্ঠী। ইউনিয়ন পর্যায়ে ধান ক্রয়ের ব্যবস্থা না থাকা ও বিক্রির নিশ্চয়তা না থাকায় কৃষকরা ফরিয়াদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয়। অধিকাংশ প্রকৃত উৎপাদক কৃষক কৃষি কার্ড ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করতে পারছে না। এক্ষেত্রে নানানভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে। তারা কৃষকদের সংগঠিত করে সারাদেশে দাবি সপ্তাহ সফল করার আহ্বান জানান।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন



Login to comment..
New user? Register..