ক্ষমতা কমেছে ইউরোপীয় কমিশনের

Posted: 01 ডিসেম্বর, 2019

একতা বিদেশ ডেস্ক : ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নতুন ইউরোপীয় কমিশনকে ছাড়পত্র দিয়েছে। কমিশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করছেন উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন। তিনি কমিশনের নীতিমালা তুলে ধরেছেন। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে ২৬ জন কমিশনরের ‘মন্ত্রিসভা’ কার্যভার গ্রহণ করবে। ইইউ কমিশনের নতুন প্রেসিডেন্ট জার্মানির উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন ইইউ পার্লামেন্টে তাঁর কার্যকালের রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি সমাজ ও অর্থনীতির সব অংশে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেন। বিশ্বমঞ্চে ইইউ-র আরো সক্রিয় ভূমিকার অঙ্গীকার করেন তিনি। সেইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা করতে ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন পুরোপুরি বন্ধ করতে আইনসিদ্ধ অঙ্গীকার করতে চান জার্মানির প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। ইউরোপে ডিজিটাল অবকাঠামো আরো মজবুত করার লক্ষ্য স্থির করেছেন ফন ডেয়ার লাইয়েন। গত নির্বাচনের পর ইউরোপীয় পার্লামেন্টে রাজনৈতিক সমীকরণ অনেকটা বদলে গেছে। প্রধান দুই শিবিরের ক্ষমতা অনেক কমে গেছে। ফলে একাধিক শিবিরের মধ্যে ঐকমত্য ছাড়া কমিশনের পক্ষে অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। রক্ষণশীল, সমাজতন্ত্রী ও উদারপন্থি শিবির এ ক্ষেত্রে সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। কিছু ক্ষেত্রে শক্তিশালী সবুজ দলের সহযোগিতারও প্রয়োজন হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি অভিবাসনের বিষয়টিও নতুন কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে চলেছে। সাম্প্রতিক কালের শরণার্থী সংকটের পর ইইউ-র অভিবাসন প্রণালীর আমূল সংস্কারের জন্য চাপ বাড়ছে। উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। একদিকে প্রকৃত শরণার্থীদের আশ্রয়ের পাশাপাশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দ্রুত ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে তিনি কাজ করতে চান। ব্রেক্সিট, চীন ও আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সংঘাতের মতো বিষয়ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সামনে চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।