‘ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন রুখো’

Posted: 20 অক্টোবর, 2019

একতা প্রতিবেদক : বাম গণতান্ত্রিক জোটের পরিচালনা পরিষদের সভা ইউসিএলবি’র সাধারণ সম্পাদক ও জোট সমন্বয়ক মোশাররফ হোসেন নান্নুর সভাপতিত্বে গত ১৬ অক্টোবর, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কার্যালয় মুক্তিভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাসদ (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, মানস নন্দী, বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান। সভায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমাবেশ ও মিছিলে পুলিশ ও সরকারি দলের ছাত্র-যুব সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখার অভিযোগ তুলে নাটোরে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমাবেশে মাইকের সংযোগ কেটে দেয়া হয়। জাতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি অশোভন আচরণ করা হয় এবং নাটোর জেলা ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি আদিত্য শুভকে নির্যাতন করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেশের সর্বত্র ভিন্নমতের প্রতি আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী আচরণে নিষ্পেষিত দেশের মানুষ। তারা আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। নেতৃবৃন্দ সুনামগঞ্জের শিশু তুহিন ও বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেন, দুটি হত্যাকাণ্ডই সমাজের অবক্ষয় ও পৈশাচিকতাকেই প্রকাশ করছে। তারা বলেন, দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির ফলাফলই হচ্ছে নিষ্ঠুরতা, পৈশাচিকতা, অমানবিকতা। তারা এই নিষ্ঠুরতা, পৈশাচিকতা, অমানবিকতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। সভা থেকে পুনরায় ৩০ ডিসেম্বরের জালিয়াতির নির্বাচনের সরকারের পদত্যাগ দাবি করা হয় এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানানো হয়। সভায় আগামী ২৩ অক্টোবর ভারতের সঙ্গে অসম চুক্তি বাতিল, আবরার হত্যকাণ্ডের বিচার, ক্যাসিনো বাণিজ্য ও লুটেরাচক্র ধ্বংসের দাবিতে ঢাকাসহ দেশব্যাপী সমাবেশে-পদযাত্রা এবং ২৯ অক্টোবর ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত অসম চুক্তি বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।