দ্রব্যমূল্যের আগুনে পুড়ছে মানুষ

Posted: 07 জানুয়ারী, 2018

একতা প্রতিবেদক : ‘মধ্যম আয়ের দেশ’ আর ‘ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি’র রেকর্ড বাজিয়ে, উন্নয়নের গান গেয়ে দেশের মানুষকে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা করছে সরকার। পরিসংখ্যানের নানা সূত্র সামনে এনে সংখ্যাতাত্ত্বিক হিসাব-নিকাশ দিয়ে সুখ-স্বপ্নে ভাসানোর চেষ্টা করছে তারা। কিন্তু নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধিতে প্রতিনিয়ত কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখী হচ্ছে সাধারণ মানুষ। চালসহ অধিকাংশ পণ্যের দাম অস্বাভাবিক ও অসহনীয় পর্যায়ে চলে যাওয়ায় জীবন যন্ত্রণায় কাতর দেশবাসী। লুটের টাকায় ভোগ-বিলাসে গা ভাসানো উচ্চবিত্তরা অবস্থা সামাল দিতে পারলেও মধ্যবিত্তের অবস্থা সঙ্গীন। নিম্নবিত্ত বা গরিব মানুষ তো বেঁচে থাকার জন্য রীতিমতো যুদ্ধ করে যাচ্ছে। গত কয়েক মাস ধরে বাজারে প্রধান খাদ্য পণ্য চালের মূল্যবৃদ্ধি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। অতীতে ধান উঠার মৌসুমে চালের দাম কমলেও এখন আর স্বাভাবিক সেই সূত্র কাজ করছে না। ফলে মোটা চালের দামই ৫০ টাকার কোটা ছাড়িয়ে গেছে– যা এক বছর আাগেও ছিল ৩৬ টাকা। পেঁয়াজের দাম সেঞ্চুরি পেরিয়ে ১২০ টাকায় ঠেকেছে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) হিসাবে ২০১৭ সালে গড়ে চালের দাম বেড়েছে প্রায় ২৪ শতাংশ আর পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৫৭ শতাংশের বেশি। মূল্যবৃদ্ধির এই ধারা সরাসরি আঘাত হেনেছে ১২ কোটি মানুষের জীবনযাত্রার উপর। আর চরম দুরাবস্থায় পড়েছে ২ কোটি মানুষ। দুঃসহ এই পরিস্থিতি সামাল দিতে শক্তিশালী গণবণ্টন ব্যবস্থা তো দূরের কথা বাজার নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না সরকার। উল্টো বাজার অর্থনীতির যুক্তি দেখিয়ে লুটেরা ব্যবসায়ীদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে অধিক মুনাফার সুযোগ। সরকারি ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। অবশ্য দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম যে প্রশ্নটির ফয়সালা করতে হবে– তা হলো সরকার তা চায় কিনা? আশা করা যায়, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের কাছে দায়বদ্ধ যে কোনো সরকারই তা চাইবে। এরপর দ্বিতীয় প্রশ্নটি হলো– কীভাবে চায়? এ প্রশ্নেই চলে আসে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতির বিষয়টি। এক্ষেত্রে সরাসরি প্রশ্নটি আসে– দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার বাজারের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে চায়, নাকি চাহিদা-যোগানোর ওপর নির্ভর করে ‘মুক্তবাজার’ ব্যবস্থায় মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল হতে চায়? ‘মুক্তবাজার’ নীতিতে গা ভাসালেও ভোটের হিসাব বা গণরোষের ভয়ে সব সরকারই বাজারের ওপর কম-বেশি নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা করে। তবে ক্ষমতার জন্য মানুষের ভোটের উপর নির্ভর করতে না হলে তাদের দুঃখ-দুর্দশা কখনোই ক্ষমতাসীনদের স্পর্শ করতে পারে না। আবার লোক দেখানো কিছু পদক্ষেপ নিলেও বাস্তবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে তা কোনো ভূমিকাই রাখতে পারছে না। কারণ বিদ্যমান ব্যবস্থায় বাজারে পর্যাপ্ত পণ্য থাকলেই যে সাধারণ মানুষ সাশ্রয়ী মূল্যে তা কিনতে পারবে– সে নিশ্চয়তা দেয়া যায় না। উৎপাদক, আমদানিকারক বা পাইকারি ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে অলিখিত চুক্তির মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করায় বাংলাদেশে কখনোই চাহিদা-যোগান সূত্র কার্যকর হয় না। ফলে পণ্যের উৎপাদন, আমদানি বা সরবরাহ পরিস্থিতি যাই হোক না কেনো– দ্রব্যমূল্য সমস্যা এদেশে প্রায় চিরস্থায়ী রূপ নিয়েছে। দেশীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পণ্য উৎপাদন বা সরবরাহ সংকটের প্রভাব কিংবা অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণে যখনই দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে– তখন কোনো না কোনোভাবে ‘মুক্তবাজার’ তত্ত্বকে এর রক্ষা কবচ হিসেবে সামনে আনা হয়েছে। এমনকি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্বশীল মন্ত্রীদের মুখ থেকেও মন্তব্য এসেছে, ‘মুক্তবাজার ব্যবস্থায় বাজারের ওপর হস্তক্ষেপ করা ঠিক নয়।’ প্রশ্ন হলো, ‘মুক্তবাজার’ যদি দিনের পর দিন মানুষের দুর্ভোগই বাড়াবে, তাহলে সেই ব্যবস্থা বাদ দেয়াই কি শ্রেয় নয়? সাধারণ মানুষের ‘প্রকৃত আয়’ ও ‘ক্রয়ক্ষমতা’ বৃদ্ধি কিংবা ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ’ করতে হলে রাষ্ট্র ও সরকারকে অবশ্যই কার্যকর পথ গ্রহণ করতে হবে। ‘বাজার মৌলবাদ’ নীতি আঁকড়ে ধরে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের কোনো প্রচেষ্টাই সফল হবে না। গত দু’ দশকের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশের মানুষ এটুকু অন্তত অনুধাবন করেছে। ক্ষতিকর ‘বাজারি’ নীতি পরিত্যাগ করে বাজারের উপর জনগণের গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণই হবে ‘দ্রব্যমূল্য’ যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হওয়ার প্রকৃত উপায়। ব্যবসায়ীদের উপর খবরদারি, দেন-দরবার, মনিটরিং, হুমকি-ধামকি অথবা তোয়াজ-তদবির করে সাময়িকভাবে উপর-ভাসা কিছু ফল পাওয়া গেলেও– এর কোনোটিই দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী সমাধান হিসেবে কাজ করবে না। পণ্য সরবরাহ ও বিপণনে বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমেই কেবল ব্যবসায়ীদের ‘অসাধু নিয়ন্ত্রণ’ থেকে বাজারকে মুক্ত করা সম্ভব। দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখতে হলে প্রয়োজন পণ্য সরবরাহ ও বিপণনের জন্য শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো। স্বাধীনতার পর দীর্ঘকাল যে প্রতিষ্ঠানটি এই দায়িত্ব পালন করেছে তার নাম ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। নব্বইয়ের দশকের শুরুতেই সরকার ‘মুক্তবাজার’ নীতি গ্রহণ করে। জাতীয় বাস্তবতা ও জনগণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় না নিয়েই ঢালাও উদারীকরণের পথে অগ্রসর হয় বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে ভোগ্যপণ্যের বাজারকেও ব্যক্তি-ব্যবসায়ীদের হাতে পুরোপুরি ছেড়ে দেয়া হয়। মুক্তবাজারের নামে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ-এডিবির মতো ঋণদাতাদের পরামর্শে নব্বইয়ের দশক থেকে বাজারে নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের যেসব প্রথা-প্রতিষ্ঠান সক্রিয় ছিল সেগুলোকে বিলুপ্ত কিংবা নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়। রাষ্ট্রীয় সংস্থা ‘মূল্য ও বাজার নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর’ বিলুপ্ত এবং টিসিবির কার্যক্রম একেবারে গুটিয়ে নেয়া হয়। বন্ধ হয়ে যায় আমদানি-রপ্তানি, পণ্য সরবরাহ ও বিপণনে টিসিবির কার্যক্রম। গত দুই যুগে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বার বার টিসিবিকে কার্যকর করার কথা বলা হলেও তা ছিল শুধুই ফাঁকা বুলি। কারণ এ সময়ে টিসিবিকে শক্তিশালী করা তো দূরের কথা প্রয়োজনীয় জনবলই নিয়োগ দেয়া হয়নি। এ অবস্থায় টিসিবি পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়েছে। মুক্তবাজার নীতি বহাল রেখে বহুজাতিক কোম্পানি এবং মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষাই যদি মূল লক্ষ্য হয়– তাহলে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জীবনে দুর্ভোগ অব্যাহত থাকবে– এটাই স্বাভাবিক। ক্যাবের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে চাল, তেল, লবণ, পেঁয়াজ, শাক-সবজি, মাছ-মাংসসহ প্রায় সব পণ্যের দামই বেড়েছে। একটি পরিবারের প্রতিদিনের জীবনযাপনের জন্য যেসব পণ্য প্রয়োজন সেগুলোর দাম এক বছরে ৫ থেকে ৫৮ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। চালের ব্যাপক মূল্য বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। এ অবস্থায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন সামগ্রিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মাধ্যমে গ্রাম-শহরসহ সারা দেশে সাশ্রয়ী দক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত গণবণ্টন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। মূল্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা ও বাজার তদারকির নিয়মিত ব্যবস্থা করতে হবে। মজুতদার, মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেট ব্যবসার অশুভ চক্রকে কঠোরভাবে দমন করতে হবে। এসেনশিয়াল কমোডিটি অ্যাক্ট এবং মজুতদারী দমন আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করতে হবে। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য, বিশেষত দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী পরিবারের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। এ জন্য ছবিসহ রেশন কার্ড করতে হবে। এই দরিদ্র মানুষদের রেশনে কন্ট্রোল দামে চাল, গম, তেল, ডাল, চিনি এবং প্রয়োজনমতো অন্যান্য অত্যাবশ্যক পণ্যসামগ্রী সাপ্তাহিক ভিত্তিতে প্রদান করতে হবে। টিসিবির কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করে অত্যাবশ্যক পণ্য সামগ্রীর আমদানি, মজুদ ও সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে হবে। রাষ্ট্রীয় সহায়তায় ন্যায্য মূল্যের দোকান চালু করতে হবে এবং ক্রেতা সমবায় সমিতি সংগঠিত করে দেশব্যাপী বিপণন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে। বিএডিসির কার্যক্রমকে ব্যাপকভাবে প্রসারিত করে সারা দেশে সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ যন্ত্রপাতিসহ কৃষি উপকরণ ন্যায্য মূল্যে এবং সময়মতো খোদ কৃষকের কাছে সরাসরি সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রামে গ্রামে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু করে নির্ধারিত দামে উৎপাদক মেহনতি কৃষকের নিকট থেকে সরাসারি ধান-চাল-গম ক্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ থেকে উৎপাদক কৃষক ও ক্রেতা সাধারণকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় সংস্থাসমূহ, ক্রেতা সমবায় সংগঠন প্রভৃতির সাথে উৎপাদক কৃষক ও তাদের সমবায়ের সরাসরি সংযোগ ও লেনদেন প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করতে হবে। খাদ্য-নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সুস্পষ্ট নীতি ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে খাদ্যদ্রব্যসহ অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্য সামগ্রীর বাফার স্টক গড়ে তুলতে হবে। পণ্য পরিবহনে দুর্নীতি, হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। একই সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নয়ন সাধন, হাট-বাজারে ইজারাদারি ব্যবস্থা ও তোলা আদায়ের অত্যাচার বন্ধ করতে হবে। আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ওপেন মার্কেট সেল, মার্কেটিং অপারেশন, টেস্ট রিলিফ, কাজের বিনিময় খাদ্য (কাবিখা) প্রভৃতি কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি সবসময় রাখতে হবে। বেকার ও দরিদ্র পরিবারসমূহের জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা স্কিম চালু করতে হবে। বাজারের উপরে মুনাফা শিকারি লুটেরাদের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ খর্ব করতে হবে। বাজার অর্থনীতির দর্শন ও মার্কেট ফান্ডামেন্টালিজম নীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে। পাইকারি ও খুচরা বাজারে রাষ্ট্রের প্রভাব-সক্ষমতা সৃষ্টি করতে হবে। একই সাথে বাজারগুলোতে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নেটওয়ার্কের সমান্তরালে প্রত্যক্ষ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাজার-নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা ও সচল রাখার উপযুক্ত ব্যবস্থা চালু করতে হবে। বিলাস দ্রব্য আমদানি কিছু সময়ের জন্য নিষিদ্ধ করতে হবে। ক্রমবর্ধমান বৈষম্য নিরসনের অনুকূলে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কৃষকের উৎপাদন সমস্যাগুলো দূর করার জন্য ন্যায্য দামে কৃষি উপকরণের প্রাপ্তি, বিদ্যুৎ-সেচ-সার-কীটনাশকের সুলভ সরবরাহ নিশ্চিত করা, প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান, যথাসময়ে স্বল্প সুদে ও দুর্নীতি হয়রানিমুক্তভাবে পর্যাপ্ত ঋণ প্রদানসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাবলী গ্রহণ করতে হবে। ভূমি সংস্কারসহ গ্রাম জীবন ও গ্রামীণ অর্থনীতির প্রগতিমুখীন আমূল সংস্কার কার্যকর করতে হবে। শিল্প ক্ষেত্রে বিরাজমান সমস্যা দূর করতে হবে। সর্বোপরি অর্থনৈতিক নীতি উৎপাদন বিনিয়োগ অনুকূল ধারায় ঢেলে সাজাতে হবে।