ডাকসুর দাবিতে ফের আন্দোলনে প্রগতিশীল ছাত্র জোট

Posted: 03 ডিসেম্বর, 2017

একতা প্রতিবেদক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সকল ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ঘোষনার দাবিতে গত ২৯ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন আন্দোলনের কর্মসূচি দিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট। দুপুর ১২ টায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি তুহিন কান্তি দাস। উপস্থিত ছিলেন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন সুজন, সাধারণ সম্পাদক রাজীব কান্তি রায়, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি উম্মে হাবিবা বেনজির, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ইভা মজুমদার সাধারণ সম্পাদক সালমান সিদ্দিকী। সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, একথা কেউ অস্বীকার করে না যে, ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবারও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব। কালের আবর্তে গণমানুষের সংসদ হিসেবে পরিচিত ডাকসুসহ সারাদেশের ছাত্র সংসদগুলো তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ অর্থাৎ ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয় ১৯৯০ সালের ৬ জুন। সারাদেশের ছাত্র সংসদের চিত্রও কম-বেশি একই। ফলাফল একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নেই কোন গণতান্ত্রিক পরিবেশ, হল দখল-সিট দখল, ছাত্রদের জোর পূর্বক দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে বাধ্য করা, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাধা প্রদান, ভিন্ন মতকে দমনের চেষ্টা ইত্যাদি। নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন থাকলে এভাবে হলে বা ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে পারতো না সরকারি ছাত্র সংগঠন গুলো। গত ২৫ নভেম্বর থেকে ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে ভিসি চত্ত্বরে অনশন শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ওয়ালিদ আশরাফ অনশনে ৪ দিন অতিবাহিত হলেও প্রশাসন কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। অনশনরত শিক্ষার্থীর এই সাহসী পদক্ষেপের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করেণ প্রগতিশীল ছাত্র জোট। সেইসাথে ডাকসুর দাবিতে ওয়ালিদ আশরাফ অনশনে এবং ছাত্রজোটের আন্দোলনে সকল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনের আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে ডাকসু নির্বাচন দিয়ে সিনেট পুর্ণাঙ্গ করা এবং হল সংসদগুলোকে কার্যকর করে সন্ত্রাস দখলদারিত্বমুক্ত ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। এসব দাবিতে শুক্রবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু স্মারক ভাস্কর্য চত্বরে মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদী অবস্থান করে।