মিহির ঘোষসহ সারাদেশে আটক শতাধিক

Posted: 03 ডিসেম্বর, 2017

একতা প্রতিবেদক : সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার ডাকা দেশব্যাপী হরতালে পুলিশের অবস্থান ছিল মারমুখী। পিকেটিং ও মিছিলে বাধা, হামলা ও লাঠিচার্জের পাশাপাশি সারাদেশে সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষসহ অন্তত শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এছাড়া ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আজিজুর রহমান, গণসংহতি আন্দোলনের জুলহাস নাইন বাবু, সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক আহসান হাবীব লাবলু, খুলনায় সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এ রশীদ, জামালপুরে সিপিবি জেলা কমিটির সভাপতি মোজহারুল হক, সহকারি সাধারণ সম্পাদক মানিক, ঢাকায় ছাত্রনেতা দীপক শীল, জহর লাল রায়, মোর্শেদ হালিম, নোবেল বড়ুয়া, যুবনেতা শাখারভ হোসেন সেবক, গার্মেন্ট শ্রমিক নেতা জালাল হাওলাদার, কৃষক নেতা নিমাই গাঙ্গুলী, ক্ষেতমজুর নেতা মোতেলব হোসেন, সিপিবি নেতা আহমেদ তালাত তাহজীব, বাসদ-এর বাসুদেব, নয়ন, খুলনায় বাসদ নেতা মিথুন, ছাত্রনেতা উত্তম, গাইবান্ধায় বাসদ (মার্কসবাদী)’র মিনা, মাসুদা, যশোরে বাসদ-এর মাসুদ, জামালপুরে ছাত্রনেতা সুজনসহ শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। এর বাইরে কিশোরগঞ্জে সিপিবি’র জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এনামুল হক, দেবব্রত দাস দেবু, রীতা, মাহতাব উদ্দীন, বাসদ-এর জোনায়েদুল ইসলাম, রজব আলী, জাকির, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির স্বপন দত্ত, খুলনায় বাসদ-এর লাবণ্য ঘরামী, শান্তনু, লিপন, নিরঞ্জন, সুপ্রভাত, সিপিবি’র নিতাই, মৃত্যুঞ্জয়ের উপর পুলিশ নির্মম নির্যাতন চালায়। এছাড়া কুমিল্লা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ঢাকায় ছাত্রদের কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা প্রদান করে এবং কোথাও কোথাও হরতালের ব্যানার ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে এক বিবৃতিতে সিপিবি-বাসদ ও গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার নেতৃবৃন্দ আটক নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানান। তারা সারাদেশে হরতাল সমর্থকদের ওপর পুলিশের গুন্ডাগিরিরও তীব্র নিন্দা জানান।