অবিলম্বে পাটকল রাষ্ট্রীয়ভাবে চালু করতে হবে

Posted: 11 অক্টোবর, 2020

খুলনা সংবাদদাতা : পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ, খুলনা’র উদ্যোগে গত ৮ অক্টোবর এক কর্মীসভা বিকেল ৫টায় অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. কুদরত-ই-খুদা’র সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন–বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও প্রখ্যাত শ্রমিকনেতা সহিদুল্লাহ চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন–বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, টিইউসি কেন্দ্রীয় নেতা আসলাম খান, সিপিবি মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. বাবুল হাওলাদার, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় নেতা মোজাম্মেল হক খান, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, যুব ইউনিয়ন মহানগর আহ্বায়ক আফজাল হোসেন রাজু, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম জেলা আহ্বায়ক কোহিনুর আক্তার কণা, গণসংহতি আন্দোলন, ফুলতলা উপজেলা আহ্বায়ক অলিয়ার রহমান, ছাত্র ফেডারেশন খুলনা মহানগর আহ্বায়ক আল আমিন শেখ, শ্রমিকনেতা নূরুল ইসলাম, শামশের আলম শমশের, আবুল হাসেম, সামস শারফিন শ্যামন প্রমুখ। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলসমূহের মালিক শ্রমিক তথা এদেশের জনগণ। পাটকল ও পাটশিল্পের ধ্বংসের পিছনে বিজেএমসি ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ভ্রান্তনীতি, লুটপাট, দুর্নীতিই দায়ী। অথচ দুর্নীতিবাজদের অন্যায়ের কোনো প্রতিকার না করে তার দায় সম্পূর্ণ শ্রমিকদের উপর চাপিয়ে দিয়ে মিলগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ক্ষমতাসীন সরকারের আমলে ৪৫ হাজার কোটি টাকা খেলাপী ঋণ মওকুফ করা ও ভাড়া ভিত্তিক রেন্টাল, কুইক-রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে রেখে ৬২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকী দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ৫ হাজার কোটি টাকার শ্রমিক বিদায় নয়, শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী ১২শ কোটি টাকা ব্যয় করে পাটকলগুলো আধুনিকায়ন করতে হবে, তদন্তপূর্বক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিজেএমসি’র কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিচার করতে হবে, ২০১৩ সালের জুলাই হতে অবসর প্রাপ্ত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণসহ পাওনা এককালীন পরিশোধ করতে হবে. ২০১৯ সালের ৬টি বিল ও ঈদুল আজহার বোনাস অবিলম্বে পরিশোধসহ ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।